টেকনাফের ঘাসফড়িং সদৃশ পোকা পঙ্গপাল নয়: কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ মে ২০২০ | ০৪:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় অতিসম্প্রতি ঘাসফড়িং সদৃশ যে পোকা দেখা দিয়েছে তা পঙ্গপাল নয় বলে মনে করছে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ।
শুক্রবার কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন অভিমত ব্যক্ত করা হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, বেশ কিছুদিন আগে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার লম্বরী গ্রামের কয়েকটি গাছে ঘাসফড়িংয়ের মতো কিছু ছোট পোকার আক্রমণ দেখা দিলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কক্সবাজারের উপপরিচালক ও স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কীটনাশক প্রয়োগ করে পোকাগুলো দমন করেন।এতে আরও বলা হয়েছে, অতিসম্প্রতি ঘাসফড়িং সদৃশ এসব পোকা আবারও দেখা দিলে কৃষি মন্ত্রণালয় এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করে। শুক্রবার সকালেই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ববিদদের সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি দল টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) থেকেও পৃথক পৃথক টিম রওয়ানা দিচ্ছে। ঘাসফড়িং সদৃশ লোকাস্ট গোত্রের স্থানীয় এই পোকা শনাক্তকরণসহ আক্রমণ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও ধ্বংসে এই টিম কাজ করবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কক্সবাজারের উপপরিচালক জানান, বৃহস্পতিবার কীটনাশক স্প্রে করার পর গাছে থাকা পোকাগুলো মারা যায়। সেখানে আর কোনো জীবিত পোকা নেই। এই পোকা তেমন ক্ষতিকর নয় মর্মে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এসব পোকা মরুভূমির ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসা পঙ্গপাল জাতীয় কোন পোকা নয়। এ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
হাওরের ৭৭ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে ইতোমধ্যে হাওরের প্রায় ৭৭ শতাংশ বোরো ধান কাটা শেষ হয়েছে। পাকা অবস্থায় রয়েছে ১০ শতাংশ এবং এখনও পাকেনি ১৩ শতাংশ বোরো ধান। এছাড়া সারাদেশে ১৬ শতাংশ বোরো ধান কাটা শেষ হয়েছে।
- বিষয় :
- পঙ্গপাল
- পঙ্গপাল সদৃশ পোকা
- ঘাসফড়িং