করোনাকাল
বন্ধু হয়ে দুর্গতদের পাশে
×
এস আই শরীফ
এস আই শরীফ
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২০ | ১২:০০ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
করোনাভাইরাসের কারণে থেমে আছে জীবন-জীবিকা। রিকশাচালক থেকে শুরু করে নিম্নআয়ের মানুষ অসহায় দিন কাটাচ্ছেন। টিউশনির টাকায় যেসব শিক্ষার্থী নিজের খরচ চালান তারাও রয়েছেন বিপদে। বন্ধু হয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির (আইলেট) শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। ওয়ান আইলেট ওয়ান ড্রিম স্লোগানে তারা গড়ে তুলেছেন করোনা কেয়ার তহবিল। সেই তহবিল থেকে অর্থ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী, ডাইনিং কর্মচারী, হাজারীবাগের রিকশাচালক ও ক্ষুদ্র দোকানি ও নিম্নআয়ের মানুষকে।
জানা যায়, করোনা কেয়ার তহবিল সংগ্রহে একযোগে কাজ করছে ইনস্টিটিউটের সব রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক সংগঠন। তাদের মধ্যে রয়েছে- ছাত্রলীগ, বাঁধন, ইয়ুথ এগেইনস্ট হাঙ্গার, প্রথম আলো বন্ধুসভা, আইলেট স্পোর্টস ক্লাব, আইলেট ডিবেটিং সোসাইটি। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যেই ব্যাচভিত্তিক করোনা কেয়ার তহবিলে অর্থ দিয়েছেন। এছাড়া প্রবাসে ও দেশে থাকা সাবেক শিক্ষার্থীরাও তহবিল সমৃদ্ধ করতে ভূমিকা রেখে চলেছেন। সর্বশেষ গত সোমবার দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে কর্মরত ইনস্টিটিউটের সাবেক শিক্ষার্থীদের গ্রুপ 'আইলেট ব্যাংকারস' তহবিলে এক লাখ টাকা দিয়েছে। সবার অংশগ্রহণে ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে গঠিত তহবিল।
ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগের মূল সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইনস্টিটিউটের খ কালীন শিক্ষক এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আইডিয়া ট্রি'র হেড অব অপারেশনস মো. কাওছার আলী। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জন্য প্রতিদিন সংগ্রহ করা অর্থের হিসাব একটা নির্দিষ্ট সময়ে ইনস্টিটিউটের সবগুলো ফেসবুক
গ্রুপে প্রকাশ করা হয়। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ইনস্টিটিউটের যে কোনো শিক্ষার্থী অর্থ সহায়তার জন্য তার পরিচয় গোপন রেখে অনলাইন ফোরামের মাধ্যমে আবেদন করতে পারছেন। পরিচয় গোপন রেখেই তাকে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হচ্ছে।
প্রধান সমন্বয়কারী মো. কাওছার আলী জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে। অর্থ সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা সর্বাধিক গুরুত্ব পাবে। তবে হাজারীবাগে অনেকগুলো রিকশার গ্যারেজ রয়েছে। বর্তমানে যাত্রী চলাচল কম থাকায় তারা প্রায় বেকার। এলাকার ক্ষুদ্র দোকানিরাও রয়েছে কষ্টে। সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের বিষয়টি মাথায় রাখা হচ্ছে। কেউ সহায়তা নিতে সংকোচ বোধ করলে ঋণ হিসেবে অর্থ নিতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে সেই অর্থ তিনি বিনা সুদে ফেরত দেবেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মো. শামছুদ্দিন সমকালকে বলেন, করোনার এই দুঃসময়ে দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার দায়িত্ব। ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা সেই কাজটিই করে চলেছেন। আশা করি, সবার সহযোগিতায় দুর্যোগ মোকাবিলা করা সহজ হবে।
জানা যায়, করোনা কেয়ার তহবিল সংগ্রহে একযোগে কাজ করছে ইনস্টিটিউটের সব রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক সংগঠন। তাদের মধ্যে রয়েছে- ছাত্রলীগ, বাঁধন, ইয়ুথ এগেইনস্ট হাঙ্গার, প্রথম আলো বন্ধুসভা, আইলেট স্পোর্টস ক্লাব, আইলেট ডিবেটিং সোসাইটি। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যেই ব্যাচভিত্তিক করোনা কেয়ার তহবিলে অর্থ দিয়েছেন। এছাড়া প্রবাসে ও দেশে থাকা সাবেক শিক্ষার্থীরাও তহবিল সমৃদ্ধ করতে ভূমিকা রেখে চলেছেন। সর্বশেষ গত সোমবার দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে কর্মরত ইনস্টিটিউটের সাবেক শিক্ষার্থীদের গ্রুপ 'আইলেট ব্যাংকারস' তহবিলে এক লাখ টাকা দিয়েছে। সবার অংশগ্রহণে ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে গঠিত তহবিল।
ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগের মূল সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইনস্টিটিউটের খ কালীন শিক্ষক এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আইডিয়া ট্রি'র হেড অব অপারেশনস মো. কাওছার আলী। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জন্য প্রতিদিন সংগ্রহ করা অর্থের হিসাব একটা নির্দিষ্ট সময়ে ইনস্টিটিউটের সবগুলো ফেসবুক
গ্রুপে প্রকাশ করা হয়। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ইনস্টিটিউটের যে কোনো শিক্ষার্থী অর্থ সহায়তার জন্য তার পরিচয় গোপন রেখে অনলাইন ফোরামের মাধ্যমে আবেদন করতে পারছেন। পরিচয় গোপন রেখেই তাকে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হচ্ছে।
প্রধান সমন্বয়কারী মো. কাওছার আলী জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে। অর্থ সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা সর্বাধিক গুরুত্ব পাবে। তবে হাজারীবাগে অনেকগুলো রিকশার গ্যারেজ রয়েছে। বর্তমানে যাত্রী চলাচল কম থাকায় তারা প্রায় বেকার। এলাকার ক্ষুদ্র দোকানিরাও রয়েছে কষ্টে। সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের বিষয়টি মাথায় রাখা হচ্ছে। কেউ সহায়তা নিতে সংকোচ বোধ করলে ঋণ হিসেবে অর্থ নিতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে সেই অর্থ তিনি বিনা সুদে ফেরত দেবেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মো. শামছুদ্দিন সমকালকে বলেন, করোনার এই দুঃসময়ে দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার দায়িত্ব। ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা সেই কাজটিই করে চলেছেন। আশা করি, সবার সহযোগিতায় দুর্যোগ মোকাবিলা করা সহজ হবে।