ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা ঐক্যজোটের ঘোষণা

দাবি আদায় না হলে ‘লংমার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’

দাবি আদায় না হলে ‘লংমার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’
×

জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আলটিমেটাম দেন সংগঠনের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আল আমিন। ছবি: সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৯ নভেম্বর ২০২৫ | ০৫:০৯

জাতীয়করণসহ ছয় দফা দাবি আগামী ২২ নভেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে পূরণ না হলে পরদিন ‘লংমার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা ঐক্যজোট।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আলটিমেটাম দেন সংগঠনের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আল আমিন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড স্বীকৃত সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাকে দ্রুত জাতীয়করণ করতে হবে। মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোটের নেতারাও এ দাবিকে সমর্থন করেন। টানা ৩৭ দিন ধরে প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ঐক্যজোটের শিক্ষকরা।

সংবাদ সম্মেলনে ইবতেদায়ি শিক্ষক নেতারা বলেন, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোট একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এসব মাদ্রাসার শিক্ষকরা বহু বছর ধরে বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা ও শান্তিপূর্ণ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দাবি আদায়ে আমরা বদ্ধপরিকর।

তারা বলেন, এসডিজি-৪ অনুযায়ী মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা উভয় খাতে সমান গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বেড়েছে, যেখানে অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দিতে সরকারের অঙ্গীকার থাকা সত্ত্বেও ১৯৮৪ সাল থেকে আজ পর্যন্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার জাতীয়করণ বা এমপিওভুক্তি বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

নেতারা বলেন, প্রতিশ্রুতি বহুবার; বাস্তবায়ন হয়নি একবারও। গত বছরের ২৫ আগস্ট শিক্ষকরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে ছয় দফা দাবি নিয়ে স্মারকলিপি দেন। পরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা পাঠায়।

গত ২৮ জানুয়ারি আন্দোলনের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি যুগ্ম সচিব এস.এম. মাসুদুল হক এক মাসের মধ্যে দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দেন। পরে ১৪ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা বিভাগের যুগ্ম সচিব ও উপসচিব একই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। কিন্তু কোনো ঘোষণাই বাস্তবায়িত হয়নি।

নেতারা অভিযোগ করেন, অতীতের ফ্যাসিস্ট শাসনামলে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা ও শিক্ষক সমাজ সবচেয়ে বেশি হয়রানি, অবহেলা ও মিথ্যা আশ্বাসের শিকার হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের কারণে বহু শিক্ষক মানবেতর জীবন কাটিয়েছেন।

আরও পড়ুন

×