ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বাংলা একাডেমি জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় নির্মাণে নিবিড়ভাবে যুক্ত

৭০ বছরপূর্তি উদযাপনে বক্তারা

বাংলা একাডেমি জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় নির্মাণে নিবিড়ভাবে যুক্ত
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০৭:৫৫

| প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বমঞ্চে বাংলা ভাষাকে মর্যাদার সঙ্গে উপস্থাপনে বাংলা একাডেমির ভূমিকা অনস্বীকার্য। জাতির সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয় নির্মাণের সঙ্গে এটি নিবিড়ভাবে যুক্ত।

বুধবার বাংলা একাডেমির ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় একাডেমি প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা ও বাংলা একাডেমির পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন একাডেমির কর্মকর্তারা। এ সময় ভাষা আন্দোলনের শহীদদের অবদান স্মরণে মুহূর্তের নীরবতা পালন করা হয়। পরে বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

বিকেল সাড়ে ৩টায় আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল আলোচনা সভা। এতে স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। তিনি বলেন, বাংলা একাডেমির জন্ম তদানীন্তন যুক্তফ্রন্ট সরকারের ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হলেও এর ভিত্তি নিহিত ছিল পূর্ববাংলার মানুষের গভীর আকাঙ্ক্ষায়। সাত দশকে বাংলা একাডেমির সঞ্চয় সামান্য নয়। স্বার্থবাদী শক্তির নানা চেষ্টার মুখেও এ প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখা যায়নি। কারণ, বাংলা একাডেমি জাতির সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয় নির্মাণে যুক্ত।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বক্তৃতা দেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গবেষক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী। তিনি বলেন, বিশ্বমঞ্চে বাংলা ভাষাকে মর্যাদার সঙ্গে উপস্থাপনে বাংলা একাডেমির ভূমিকা অনস্বীকার্য। 

সভাপতির বক্তব্যে বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, গত সাত দশকে বাংলা একাডেমি একদিকে যেমন নানা ঐতিহাসিক বাস্তবতা অতিক্রম করেছে, তেমনি নিজেও বহু ইতিহাস রচনা করেছে। গবেষণাকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে শুরু হলেও এখন এটি বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অভিপ্রায়ের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যতেও মানবিক ও বুদ্ধিদীপ্ত সমাজ গঠনে বাংলা একাডেমি সাহসী ভূমিকা পালন করবে।

আরও পড়ুন

×