ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সুপ্রিম কোর্ট জামে মসজিদ

ইমাম নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ 

ইমাম নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ 
×

ছবি: ফাইল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১৮:৪১ | আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ২১:০৯

সুপ্রিম কোর্ট জামে মসজিদে আট বছর আগের ইমাম নিয়োগে দুর্নীতি, প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও অবৈধ নিয়োগ বাতিল চেয়ে প্রধান বিচারপতিসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানানো হয়েছে। ২০১৭ সালে ইমাম পদে নিয়োগপ্রার্থী মো. নুরুল আলম ও মুহাম্মদ ফাইজুল হক সম্প্রতি লিখিতভাবে এ আবেদন জানান। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে বিষয়টি তদন্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৬ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট জামে মসজিদে ইমামসহ অন্যান্য শূন্যপদে নিয়োগের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। পরে ১৭ অক্টোবর মো. মাসুম বিল্লাহকে দুই বছরের জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে শিক্ষানবিশ ইমাম নিয়োগ দেয় সুপ্রিম কোর্ট নিয়োগ কমিটি।

২০১৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০১৭ সালের আগে যারা দাওরায়ে হাদিস পাস করেছেন, তারা মাস্টার্সের সমমান পাবেন না। সে ক্ষেত্রে মাসুম বিল্লাহর ওই সনদ দিয়ে কোনো সরকারি চাকরিতে আবেদন করলে অযোগ্য হিসেবে গণ্য হবেন। ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দাওরায়ে হাদিসের সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রির সমমান দেয়। আর বর্তমান ইমাম মাসুম বিল্লাহ ২০১৩ সালে পাস করা সনদ দাখিল করেন, যা ওই সময় মাস্টার্স সমমানের নয়। এটি একটি প্রশাসনিক দুর্নীতি ও প্রতারণা।

ইমাম মাসুম বিল্লাহর নিয়োগ বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা চেয়ে গত ২৪ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন সাভার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মুহাম্মদ ফাইজুল হক। তিনি ওই সময় ইমাম পদে পরীক্ষার্থী ছিলেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুহাম্মদ ফাইজুল হক সমকালকে বলেন, আগেও অভিযোগ দিয়ে কোনো প্রতিকার পাইনি। আরেক অভিযোগকারী নুরুল আলমের দাবি, নিয়োগের সময় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট মাসুম বিল্লাহর পক্ষে কাজ করেছিল। এখন বিচার পাব বলে প্রত্যাশা রাখি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মসজিদের ইমাম মো. মাসুম বিল্লাহ সমকালকে বলেন, কে বা কারা আমার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ দিয়েছে, তা আমি জানিনা। অভিযোগ করা হয়েছে শুনেছি।

আরও পড়ুন

×