ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

কৃষিপণ্য পরিবহন সংকটে

কৃষিপণ্য পরিবহন সংকটে
×

 জাহিদুর রহমান

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:২০ | আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | ০৯:১৬

| প্রিন্ট সংস্করণ

কৃষি খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাস এপ্রিল-মে। এ দুই মাস ঘিরে কৃষক স্বপ্ন বোনেন। মাঠে মাঠে এখন পাকা বোরো ধানের সোনালি আভা। বোরো ঘরে তোলার পরই শুরু হবে আউশ, আমন ও পাট মৌসুমের প্রস্তুতি। একই সময়ে তরমুজ, বাঙ্গি, আনারস, লিচুও ফলের বাজারে সুবাস ছড়াবে। মে মাসের শেষ দিকে বাজারে ঢুকতে শুরু করবে আম, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার বড় রসদ।

তবে কৃষি খাতের এই প্রাচুর্যের সময়ে জমেছে সংকটের মেঘ! বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা দেশের পুরো কৃষি ব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দিয়েছে। মাঠভরা ফসল থাকার পরও কৃষকের মুখের হাসি ফিকে। অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়েছে গ্রাম-গ্রামান্তরে। কৃষকের এখন সবচেয়ে বড় সংকট উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে না পারা। তেলের অভাবে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় কৃষিপণ্য ঠিকমতো বাজারে যাচ্ছে না, মাঠেই পচছে। অনেকে উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে পণ্য বিক্রি করছেন। এতে একদিকে যেমন কৃষকের আর্থিক ক্ষতি বাড়ছে, অন্যদিকে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়ছে। 

সম্প্রতি শিলাবৃষ্টিসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল নষ্টের পর এখন তেল সংকটে পণ্য বাজারজাত করতে না পারায় কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কৃষিপণ্যের দর পতনে কৃষক, পোলট্রি খামারি, মৎস্য চাষি ও দুগ্ধ খামারিরা বিপদে পড়েছেন। 

এই সংকট আবারও সামনে এনেছে দেশের কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার দুর্বলতা। আলু ছাড়া অন্য পচনশীল পণ্যের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। সবজি সংরক্ষণের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি প্রকল্প থেকে দেড় শতাধিক মিনি কোল্ডস্টোরেজ থাকলেও তা চাহিদার চেয়ে কম।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই পরিস্থিতি থেকে যদি উত্তরণ ঘটানো না যায়, তাহলে আগামী জুন থেকে আগস্টে এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হবে। খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটলে বাজারে অস্থিরতা বাড়বে।

মাঠের ফসল বাজারে পৌঁছায় না
মুন্সীগঞ্জের দুর্গম চরাঞ্চলের কৃষক নাসির উদ্দীন বলেন, ‘সবজি, ধানসহ বিভিন্ন ফসল সময়মতো বাজারে পৌঁছাতে না পারায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’ শুধু নাসির নন, তেল সংকটের কারণে তাঁর মতো এই অঞ্চলের অনেক কৃষকের জীবন-জীবিকা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে। শত শত কৃষক তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে পারছেন না। বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ– প্রায় সব কৃষিপ্রধান জেলাতেই একই চিত্র। কোথাও ক্ষেতে পাকা তরমুজ পড়ে আছে, কোথাও গাছেই টমেটোর পচন ধরেছে। 

বরগুনার তরমুজ চাষিরা জানিয়েছেন, প্রতি একর জমিতে দুই থেকে তিন লাখ টাকা খরচ করে এবার তারা ভালো ফলন পেয়েছেন। তবে পরিবহন সংকটে সেই তরমুজ বাজারে নিতে পারছেন না। ফলে ক্ষেতেই পচে যাচ্ছে হাজার হাজার তরমুজ। চাষিদের অভিযোগ, ডিজেলের অভাবে ট্রাক, পিকআপ ও নৌযান স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছে না। ফলে দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে সময়মতো তরমুজ পাঠানো যাচ্ছে না। এতে একদিকে যেমন তরমুজ নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দামও তলানিতে নেমেছে। 

বরগুনার আমতলীর চাওড়া ইউনিয়নের চাষি মো. আব্দুল লতিফ মাতুব্বর বলেন, অনেক আশা নিয়ে তরমুজ চাষ করেছিলাম। এখন পরিবহন সংকটের কারণে ক্ষেতেই তরমুজ নষ্ট হচ্ছে। বিনিয়োগের টাকা ওঠানোই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আরেক কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, আগে সহজেই ট্রাক পাওয়া যেত, এখন ডিজেলের অভাবে মিলছে না। পাওয়া গেলেও ভাড়া দ্বিগুণের বেশি।

পাইকার ও আড়তদাররা একই সংকটের কথা জানিয়েছেন। বরগুনা শহরের আড়তদার মো. শাহীন বলেন, ডিজেল সংকটের কারণে বাইরে থেকে পাইকাররা আসতে পারছেন না। ফলে স্থানীয় বাজারে তরমুজের চাপ বেড়ে গেছে, দাম কমে গেছে। এতে চাষি ও ব্যবসায়ী উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত। 

পটুয়াখালীর মাদারবুনিয়াতেও একই দৃশ্য। বিস্তীর্ণ মাঠে তরমুজ পড়ে আছে, তবে পাইকার নেই। অনেক কৃষক ঋণ নিয়ে চাষ করেছেন, এখন সেই ঋণ শোধ করার পথও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

ভোলায় জ্বালানি তেলের সংকটের অজুহাতে পরিবহন ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়ায় উৎপাদিত তরমুজ ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠাতে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষক। এতে ক্ষেতেই তরমুজ পচে যাচ্ছে। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্ট্রবেরি চাষিরা জানিয়েছেন, এই ফল সংগ্রহের ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাজারজাত করতে না পারলে আর বিক্রি করা যায় না। তবে পরিবহন সংকটে সেই সময়সীমা মেনে চলা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে স্থানীয় বাজারে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে, যা উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম। একই অবস্থা টমেটো, শাকসবজি ও আনারসের ক্ষেত্রেও। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে খরচের চেয়েও কম দামে বিক্রি করছেন, আবার অনেক ক্ষেত্রেই বিক্রির সুযোগই পাচ্ছেন না।

পার্বত্যাঞ্চলের পরিস্থিতি আরও জটিল। কাপ্তাই হ্রদকেন্দ্রিক নৌপথে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলাচল বন্ধ বা সীমিত হয়ে পড়েছে। ফলে পাহাড়ি কৃষকের উৎপাদিত সবজি, আনারস ও কলা বাজারে আনতে পারছেন না। সড়কপথেও পিকআপ ও ট্রাক চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। ফলে উৎপাদিত ফসল ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে।

পাবনার ঈশ্বরদীর জাতীয় পদকপ্রাপ্ত কৃষক সিদ্দিকুর রহমান ময়েজ বলেন, এখন পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙা, বেগুন, লাউ, টমেটোসহ নানা সবজি ভালো উৎপাদন হচ্ছে। তবে আড়ত থেকে এসব পণ্য ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাতে গিয়ে জ্বালানি সংকটে পড়তে হচ্ছে। পাম্প থেকে তেল নিতে পরিবহনগুলোকে তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে সময়মতো পণ্য গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। দেরির কারণে অনেক সবজি পচে যাচ্ছে কিংবা মান নষ্ট হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে দামে।

রাজশাহী কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. সানোয়ার হোসেন বলেন, উৎপাদিত দুধ, ডিমসহ মাংসের জন্য প্রস্তুত প্রাণী জ্বালানি ঘাটতির কারণে স্থানান্তর করতে পারছেন না খামারিরা। এমন ঘটনা ঘটতে থাকলে উত্তরাঞ্চলের জেলা শহরগুলোতে হয়তো দাম কম থাকবে; কিন্তু ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের মতো বিভাগীয় শহরে কাঁচামালের দাম বহু গুণ বাড়বে। আবার উত্তরের কোল্ডস্টোরেজগুলোতে এত চাপ নেওয়ার সক্ষমতাও নেই যে, সংরক্ষণ করা যাবে।

বেড়েছে পরিবহন ভাড়া 
জ্বালানি সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে পরিবহন ব্যবস্থায়। ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ– সব ধরনের পণ্যবাহী যানবাহনের চলাচল কমে গেছে। যেগুলো চলছে, সেগুলোর ভাড়া বেড়েছে কয়েক গুণ। বগুড়ার মহাস্থানহাটের ব্যবসায়ীরা জানান, দুই সপ্তাহ আগেও চট্টগ্রাম পর্যন্ত ১০ থেকে ১২ টন সবজি নিতে ট্রাক ভাড়া ছিল ২৪ থেকে ২৫ হাজার টাকা। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। সিলেট রুটে ভাড়া ৩০ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। ঢাকার কারওয়ান বাজার বা শ্যামবাজারে যেতে আগে ১৬ হাজার টাকা লাগলেও এখন গুনতে হচ্ছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। ঢাকা-চট্টগ্রাম পথেরও একই অবস্থা। আগে যেখানে ৩০ হাজার টাকায় পণ্য পরিবহন হতো, এখন তা ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় পৌঁছেছে।

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, সরকার তো জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি। তবে জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে পণ্য পরিবহনের ভাড়া বাড়তি আদায় করা হচ্ছে। 

প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতেও সংকট
জ্বালানি সংকটের প্রভাব প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ঢাকার বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ কমে যাওয়ায় মুরগির দাম বেড়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪২০ টাকা কেজি দরে, দেশি মুরগি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা আর ব্রয়লার প্রায় ২০০ টাকা। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, খামার থেকে বাজারে মুরগি আনার জন্য পর্যাপ্ত গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। কারওয়ান বাজারের স্বদেশ ব্রয়লার হাউসের ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম দাবি করেন, দাম বাড়ার কারণে তাঁর বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। আগে যেখানে প্রতিদিন কয়েক হাজার মুরগি বিক্রি করতেন, এখন তা নেমে এসেছে এক হাজারের আশপাশে। তিনি জানান, মুরগি নিয়ে আগের মতো পর্যাপ্ত গাড়ি বাজারে আসছে না। বিশেষ করে সোনালি ও দেশি মুরগির সরবরাহ অনেক কমে গেছে।

দুগ্ধ খাতেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। খামারিরা বলছেন, প্রতি লিটার দুধ উৎপাদনে খরচ পড়ে ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা। তবে বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকায়। এর সঙ্গে গত দুই সপ্তাহে বেড়েছে গোখাদ্যের দাম। ফলে অনেক খামারি লোকসান গুনতে না পেরে খামার বন্ধ করে দিচ্ছেন। প্রান্তিক খামারিরা সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন। বড় খামারিরা কোনোভাবে টিকে থাকার চেষ্টা করলেও ছোট খামারিরা একরকম দিশেহারা।

জ্বালানি সংকটে সাগরে যেতে পারছেন না অনেক মৎস্যজীবী। চট্টগ্রামের ফিশারিঘাটে এই সময়ে সাধারণত কাজের চাপ থাকে। এখন সেখানে অলস সময় কাটাচ্ছেন জেলেরা। তারা জানান, ডিজেলের অভাবে ট্রলার সাগরে যেতে পারছে না। ফলে মাছের সরবরাহ কমেছে প্রায় অর্ধেক। এর প্রভাব বাজারেও পড়েছে। 

জরুরি পদক্ষেপের তাগিদ
জ্বালানি সংকটের প্রভাব যাতে কৃষিতে না পড়ে, সে বিষয়ে এখনই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সেলিম রায়হান মনে করেন, এটি শুধু উৎপাদনের বিষয় নয়, সরাসরি খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তাই কৃষি খাতে ডিজেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। প্রয়োজনে বিকল্প উৎস থেকে আমদানি ও ভর্তুকির মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা দিতে হবে। একই সঙ্গে সার, বীজ, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণ এবং মাছ, হাঁস-মুরগি, গবাদি পশুর খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। প্রান্তিক দুগ্ধ খামারিদের জন্য গোখাদ্য সহায়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

সেলিম রায়হান বলেন, কৃষিপণ্য পরিবহনে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া, কৃষিপণ্যবাহী যানবাহনকে অগ্রাধিকার দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ অবকাঠামো সম্প্রসারণ এখন সময়ের দাবি।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আগামী জুন থেকে আগস্টের মধ্যে সংকটের প্রকৃত প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তা দেশের সামগ্রিক খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি করবে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে। তাঁর মতে, কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাতের জন্য বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করা যেতে পারে। পাশাপাশি কৃষিপণ্যবাহী পরিবহনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ করা জরুরি। 

যা বলেছে সরকার
সরকারি পর্যায় থেকেও কিছু পদক্ষেপের কথা জানানো হয়েছে। কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ বলেন, আমরা কৃষকের পাশে আছি। বাজারজাতকরণ সহজ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতির মধ্যেও সেচ ব্যবস্থাপনায় কৃষকের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ডিজেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ নির্বিঘ্ন রাখতে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। 

আরও পড়ুন

×