ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সিঙ্গাপুরফেরত দুই যুবক ৩ দিনের রিমান্ডে

সিঙ্গাপুরফেরত দুই যুবক ৩ দিনের রিমান্ডে
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬ | ০৮:০৯

| প্রিন্ট সংস্করণ

সিঙ্গাপুর থেকে ফেরত আসা জঙ্গি সম্পৃক্ততায় সন্দেহভাজন দুই বাংলাদেশিকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া দুজন হলেন– সাহেদুল ইসলাম (৩৭) ও রিশাদ তায়ানী (২৫)। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে জানান, সিঙ্গাপুরে অবস্থানকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাহেদুল ও রিশাদকে আটক করে। গত বুধবার সিঙ্গাপুর পুলিশ তাদের বিমানে ঢাকায় পাঠালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থানা পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়। বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর থানা পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। তদন্তের স্বার্থে তাদের সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক, অর্থায়নের উৎস এবং দেশি-বিদেশি কোনো উগ্রপন্থি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে কিনা, তা যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতে যুক্তি দেন, ঘটনাটি বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের সুনাম ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি। শুনানিতে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। 
শুনানিকালে বিচারক কাঠগড়ায় দাঁড়ানো এক যুবকের কাছে তাঁর নাম জানতে চান। ওই যুবক তাঁর নাম রিশাদ তায়ানী বলে জানান। তাদের কেন সিঙ্গাপুর পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে জানতে চান বিচারক। এ সময় ফারাবী নামে এক লোককে নিয়ে ফেসবুকে লিখছিলেন, তাই সিঙ্গাপুর পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে জানান রিশাদ। ২০২৩ সালে ফেসবুকে এ পোস্ট দিয়েছিলেন বলে বিচারককে বলেন তিনি।

সাবির ও তাঁর আরেক সহযোগী রিমান্ডে
যাত্রাবাড়ী থেকে উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত দেশি বা আন্তর্জাতিক কোনো জঙ্গি সংগঠনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায়নি পুলিশ। তবে তিন দিনের জিজ্ঞাসাবাদে ‘শাহ আমানত সাবির উগ্রবাদে জড়িয়েছেন’ বলে ধারণা হয়েছে তদন্ত কর্মকর্তাদের।
গত বুধবার তিন দিনের রিমান্ড শেষে সাবির ও তাঁর সহযোগী হোসাইন তানিমের আরও সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অপর চারজন– জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান ও বায়োজিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত উগ্রবাদের সম্পৃক্ততার তথ্য মেলেনি।
গত রোববার ভোরে যাত্রাবাড়ীর ‘মিনি কক্সবাজার’ এলাকা থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা খুলনাভিত্তিক ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ (এফসিএস) নামে একটি মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। 

আরও পড়ুন

×