‘ছাগলকাণ্ডের’ সেই মতিউরের বিচার শুরু
এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬ | ১৬:৪৩
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেছেন আদালত। ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি. এম. তারিকুল কবীর সোমবার এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে ১৪ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক করেন। এর ফলে এ মামলার বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন দুদক প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম। এদিন মতিউরকে আদালতে হাজির করা হয়। অভিযোগ গঠনের সময় তিনি দোষী না নির্দোষ জানতে চাইলে, মতিউর রহমান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন রাখেন।
মতিউরের পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবী আনোয়ার জাহিদ ভুইয়া ও মো. বোরহানউদ্দিন। জামিনের বিরোধিতা করেন দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদক মতিউরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলায় মতিউরের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ করা হয়।
তদন্ত শেষে ৩ ফেব্রুয়ারি মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয় দুদক। এতে বলা হয়, মো. মতিউর রহমানের দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ তথ্য দিয়ে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।
সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ আয়ে নিজ নামে গোপনসহ ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) সহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়। ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি মতিউরকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
- বিষয় :
- ছাগলকাণ্ড
- ছাগলকাণ্ডের মতিউর
- আদালত
- বিচার শুরু