ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আত্রাইয়ের গ্রামে স্বজনদের জন্য অপেক্ষা, কান্না

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি নিহত

আত্রাইয়ের গ্রামে স্বজনদের জন্য অপেক্ষা, কান্না
×

সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা কারখানায় আগুনে নিহত ফরিদ শেখের বাড়িতে স্বজনদের আহাজারি। গতকাল সোমবার সকালে নওগাঁ উপজেলার উজানপৈ গ্রামে সমকাল

সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:০৭ | আপডেট: ১১ আগস্ট ২০২৬ | ১০:৩১

| প্রিন্ট সংস্করণ

কেউ গিয়েছিলেন অর্থ আয় করে ঋণ শোধ করার ইচ্ছা নিয়ে, কারও ইচ্ছা ছিল স্বপ্নের বাড়ি বানানো। কারও স্বপ্ন ছিল দেশে ফিরে ভালো পরিবারে বিয়ে করে সংসার পাতার। কেউ আবার গিয়েছিলেন সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে। 

কারও ঘরে সন্তান জন্ম নিয়েছে মাত্র ১৪ দিন আগে। কেউ ফিরে বিয়ে করবেন বলে দিন গুনছিলেন দেশে ফেরার। দেশে স্বজনদের অপেক্ষা, কবে বাড়ি ফিরবে প্রিয় মানুষটি। সবার ফেরার সময় হয়েছে, কিন্তু জীবন্ত নয়, লাশ হয়ে। স্বজনদের অপেক্ষার পালা শেষ হচ্ছে তবে আনন্দ নিয়ে নয়, শোকের কান্নায়।

গত রোববার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ জনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলা ও একজনের সদর উপজেলায়, দুজনের বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় এবং আরেকজনের বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায়। রিয়াদে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নিহতরা হলেন– নওগাঁর আত্রাই উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালী গ্রামের মোহন প্রামাণিক (২২), তাঁর ছোট ভাই সুমন প্রামাণিক (১৬), একই গ্রামের রুবেল প্রামাণিক (৩০) ও কলিমুল্লাহ প্রামাণিক (৩৫), সাদনগর গ্রামের সাগর (৩৮), খরস্রোতা গ্রামের মজিদুল (৩৪) ও আব্দুল জলিল (৪৮), উজানপৈ গ্রামের ফরিদ শেখ (৩২), ডুবাই গ্রামের সুমন (৩১) ও হাসিবুল হাসান শুভ (৩৭), বোয়ালা গ্রামের হৃদয় (৩২), মধ্য বোয়ালিয়া গ্রামের মিনহাজ (৩০) ও নওগাঁ পৌরসভার পার-নওগাঁ মহল্লার শাহিন (৩৮); নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা শ্রীপুরপাড়া গ্রামের গোলাম রাব্বানীর ছেলে সাব্বির হোসেন শুভ (২৯), দীঘিরপাড় গ্রামের জাকের হোসেনের ছেলে শামীম হোসেন (৩০) এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ডাঙ্গাপাড়ার শ্যামল উদ্দিন মাঝি (৪৬)।

বলা হয়নি শেষ কথাটুকু
কারখানার ভেতর তখন দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। চারদিকে ধোঁয়া আর আতঙ্ক। বের হওয়ার দরজাটিও বন্ধ। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে শেষবারের মতো বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন দুই ভাই মোহন প্রামাণিক ও সুমন প্রামাণিক। বারবার ইমু ও হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করছিলেন তারা। কিন্তু বাড়িতে তখন বিদ্যুৎ ছিল না। মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় সেই ফোন আর পৌঁছায়নি বাবা-মায়ের কাছে। বলা হয়নি শেষ কথাটুকুও।
পরে ভয়েস মেসেজে নিজেদের শেষ আকুতির কথা জানান দুই ভাই। বলেন, ‘কারখানায় আগুন ধরেছে। দরজা বন্ধ থাকায় বের হতে পারছি না। হয়তো আমরা মারা যাব। আমাদের সঙ্গে আর দেখা হবে না। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’ এরপর আর কোনো ফোন আসেনি। ভয়েস মেসেজেই শেষ হয়ে যায় বাবা-মায়ের সঙ্গে দুই সন্তানের যোগাযোগ।

নিহত মোহন ও সুমন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামের গোফ্ফার প্রামাণিকের ছেলে। দুই ছেলের মৃত্যুর খবরের পর থেকে নির্বাক হয়ে পড়েছেন বাবা গোফ্ফার প্রামাণিক। একদিকে সন্তান হারানোর শোক, অন্যদিকে মৃত্যুর আগে তাদের সঙ্গে শেষবার কথা বলতে না পারার আক্ষেপ তাঁকে আরও ভেঙে দিয়েছে।

বাড়ি এসে বিয়া করমু মা : ‘বড় ছাওয়াল গেছে সাত বছর হচ্ছে, আর মেজো ছাওয়াল গেছে দুই বছর। কোনোদিনও ছুটিতে আসেনি। ছাওয়ালটা বলে, মা, কষ্ট করে খেয়ে দেনা শোধ করছি কেবল। বাড়ির কাজটা শুরু করছি, বাড়ি এসে বিল্ডিংয়ের কাজটা শেষ করব। আমার বাবার আর বাড়ি আসা হলো না। কি সর্বনাশ হলো বাবা আমার।’ এভাবেই আহাজারি করে কাঁদতে কাঁদতে কথাগুলো বলছিলেন নিহত সুমন এবং মোহনের মা ময়না খাতুন।

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, মোহন এবং সুমনদের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে।  ময়না খাতুন বলেন, কালকে মেজো ব্যাটার সাথে সকালে কথা কইছি। ভালোই আছি মা, তুমি ভাত খাও। তুমি সুস্থ থাকো। ভাই মাল দিতে গেছে, মাল দিয়ে আসবে। যখন আগুন লেগছে, তখন ওই ফায়ার সার্ভিস আসছিল না। তখন ছাওয়াল ভয়েস মেসেজ দিছে। দিয়ে বলে ‘মারো, দুইডা কথা কমু মা, আমি আর কথা কমু না নে মা। আগুন লেগে পুড়ে যাচ্ছি মা, মরে যাচ্ছি।’

বিলাপ করতে করতে তিনি বলেন, ‘হামার দুই বাবা হামার বুকে এনে দেও বাবা। আমার বাবাদের দেখে আমি কলিজা শান্তি করমু বাবা। বড় কষ্টের ছাওয়াল, আমার দুই ধনক আমার বুকে এনে দে বাবা রে...। মোহন বলতেছিল– এসে বিয়া করমু মা– মেয়া-টিয়ে দেখো না, আমি ১০টা দেখে একটা বিয়ে করমু মা।’

মেয়েকে কোলে নেওয়ার স্বপ্ন অধরাই, রুবেল ফিরছেন কফিনে
মাত্র ১৪ দিন আগে ঘর আলো করে জন্ম নেয় রুবেল হোসেনের প্রথম সন্তান আয়েশা জান্নাতি। সুদূর সৌদি আরবে বসে ভিডিও কলে মেয়ের মুখ দেখতেন আর অপেক্ষা করতেন– কবে দেশে ফিরবেন, কবে ছোট্ট মেয়েটিকে বুকে জড়িয়ে ধরবেন। সেই অপেক্ষার দিন গুনতে গুনতেই ভয়াবহ আগুনে পুড়ে নিভে গেল রুবেলের প্রাণ। মেয়েকে একবারও কোলে নেওয়া হলো না তাঁর। এখন বাবার মুখ চেনার আগেই বাবাহারা হলো আয়েশা জান্নাতি।

আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল হোসেন। প্রায় ৯ বছর আগে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। পরিবারে সচ্ছলতা আনার আশায় দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে কাজ করছিলেন। প্রায় আড়াই বছর আগে দেশে ফিরে বিয়ে করেন। এরপর দ্বিতীয়বারের মতো ছয় মাসের ছুটিতে দেশে আসেন। ছুটি শেষে প্রায় চার মাস আগে আবার সৌদি আরবে চলে যান। এরই মধ্যে তাঁর ঘর আলো করে আসে কন্যাসন্তান। মেয়ের জন্মের খবর তাঁকে যেমন আনন্দিত করেছিল, তেমনি বাড়িয়ে দিয়েছিল দেশে ফেরার আকাঙ্ক্ষা। প্রতিদিন মোবাইল ফোনে ভিডিও কলে মেয়েকে দেখতেন। দূর থেকে মেয়ের মুখ দেখে যেন বাবার মন ভরে উঠত না। তাই অল্পদিনের মধ্যেই আবার ছুটি নিয়ে দেশে ফেরার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরবেন– এটাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় অপেক্ষা।

সকালে ভিডিও কলে ছেলেকে দেখলেন, বিকেলেই এলো বাবার মৃত্যুর খবর
সকাল ১০টা। সৌদি আরবের রিয়াদ থেকে ভিডিও কলে মোবাইলের পর্দায় তাকিয়ে আট মাসের ছেলে তাসরিফকে দেখছিলেন সোহেল রানা সুমন (৩০)। ছোট্ট শিশুটির মুখ দেখে হয়তো দূর প্রবাসের ক্লান্তি কিছুটা ভুলে গিয়েছিলেন তিনি। কথা বলছিলেন স্ত্রী আমেনার সঙ্গেও। কে জানতো, সন্তানকে দেখা সেই ভিডিও কলই হবে আট মাসের তাসরিফের সঙ্গে বাবার শেষ দেখা! কয়েক ঘণ্টা পরই সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারালেন সোহেল।

এখনও তাসরিফ বুঝতে পারছে না বাবা আর ফিরবেন না। আট মাসের শিশুটিকে বুকে জড়িয়ে নির্বাক হয়ে বসে আছেন মা আমেনা (২৩)। সামনে শুধু অনিশ্চয়তা– কীভাবে বড় করবেন সন্তানকে, কীভাবে চলবে তাদের সংসার?

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ডুবাই গ্রামের বাদলের ছেলে সোহেল রানা সুমন। প্রায় ১০ বছর সৌদি আরবে থাকার পর দেড় বছর আগে দেশে ফেরেন তিনি। দেশে এসে আমেনাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর আবার জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে ফিরে যান। এরই মধ্যে তাদের ঘর আলো করে জন্ম নেয় ছেলে তাসরিফ।

সোহেলের জীবনের গল্পটি ছিল সংগ্রামের। প্রবাসে দীর্ঘদিন কাজ করে পরিবারের জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু দেড় বছর আগে তাঁর বাবা বাদল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। দুই ভাইবোনের মধ্যে সোহেলই ছিলেন পরিবারের প্রধান ভরসা। বাবার মৃত্যুর পর সংসারের দায়িত্ব আরও বেশি করে তাঁর কাঁধে এসে পড়ে।

শোকাহত পরিবারগুলোর কাছে প্রতিটি মুহূর্ত এখন দীর্ঘ হয়ে উঠেছে। প্রিয়জনের কণ্ঠ আর শোনা যাবে না– তবু শেষবারের মতো মুখটি দেখার আশায় দিন গুনছেন স্বজনরা।
নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত ও মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইং কাজ করছে। যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত দেশে আনার জন্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

৪০ দিনের শিশুকে নিয়ে শামীমের স্ত্রীর আহাজারি
মাত্র ৪০ দিনের শিশুসন্তানকে কোলে নিয়ে স্বামীর স্মৃতিচারণ করতে করতে কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন শামীমের স্ত্রী মিতু বেগম। বিলাপ করতে করতে বলেন, ‘আমার ছেলেটা বাবার মুখ চিনে উঠতে পারল না। সংসারের সুখের জন্য বিদেশে গিয়েছিল, এখন শুধু তার লাশটাই দেশে ফিরবে। আমার সন্তানকে নিয়ে আমি এখন কীভাবে বাঁচব?’

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দীঘিরপাড় গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে শামীম হোসেন (৩০)। সাত মাস আগে সৌদি আরব যান। অন্যজন সাব্বির হোসেন শুভ (২৯) তিন বছর আগে সৌদি আরব পাড়ি জমান। অতি সাধারণ কৃষক পরিবারের এসব সন্তান মানুষের কাছ থেকে ধারদেনা করেই বিদেশ যান। এখনও তাদের সেসব ঋণ শোধ হয়নি। ব্যাংক ও এনজিওতেও ঋণ রয়েছে।
শামীমের বাবা জাকির হোসেন কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘ছেলেটা সংসারের হাল ধরেছিল। এখন আমার সব শেষ হয়ে গেল। দেনা কীভাবে পরিশোধ করব?’

নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল এমরান খান বলেন, নিহতদের বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। 
নাটোর জেলা প্রশাসক আসমা শাহিন বলেন, মরদেহগুলো দ্রুত দেশে আনতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

টিকিট কেটেও ফেরা হলো না শ্যামলের
তিন কন্যার মুখে হাসি ফোটাতে আট বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি দিয়েছিলেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার শ্যামল উদ্দিন মাঝি। তবে এ সময়ের মধ্যে পরিবারের জন্য কিছুই করতে পারেননি তিনি। ঋণ করে বিদেশে গিয়ে পালিয়ে ছিলেন দীর্ঘ সময়। কিছু দিন আগে এক লাখ টাকাও নিয়েছেন মেয়ের স্বামীর কাছ থেকে। পরিবারের অনুরোধে আগামী শুক্রবার একেবারে দেশে ফেরার জন্য বিমানের টিকিট কেনাসহ সব প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জীবিত নয়, যদি ফেরার সুযোগ হয় ফিরবেন লাশ হয়ে।

শ্যামল উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্বজনরা আহাজারি করছেন। প্রতিবেশীরা তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। শ্যামলের স্ত্রী রশিদা খাতুন কান্নায় ভেঙে পড়ে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলছেন। 
সংজ্ঞা ফিরতেই রশিদা খাতুন বিলাপ করে বলে ওঠেন, ‘তুমার সঙ্গে হামার কালকেই কথা হলো। তুমি বাড়িত আসবে বললে, আর রাতে তুমার মরার খবর পানু।’
বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ নিহতের বাড়ি গিয়ে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর কথা দিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে লাশ আনাসহ সব সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর শোক
রিয়াদে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল সোমবার এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং রিয়াদে বাংলাদেশ মিশনকে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুততম সময়ে নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

জামায়াতের শোক
সৌদি আরবে আগুনে ১৬ জন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলের পক্ষে সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই শোক জানান।
(তথ্য পাঠিয়েছেন প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা)

 

আরও পড়ুন

×