ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর

কাদেরদের মতো রাজনীতিবিদের জন্ম যেন আর না হয়

কাদেরদের মতো রাজনীতিবিদের জন্ম যেন আর না হয়
×

আমিনুল ইসলাম

 সমকাল প্রতিবেদক 

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬ | ০৭:৫২

| প্রিন্ট সংস্করণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাতজনের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। একই সঙ্গে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করারও আবেদন জানানো হয়। 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ গতকাল বুধবার প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। 
চিফ প্রসিকিউটর ট্রাইব্যুনালকে বলেন, এ মামলায় সাত আসামির অপরাধই গুরুতর। তাদের বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগই আমরা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছি। চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে এক হাজার চারশর বেশি মানুষকে হত্যা ও ২৫ হাজারের বেশি মানুষকে গুরুতর আহত করার জন্য তারা পরস্পর দায়ী। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। কোনো অনুকম্পা না দিয়ে এই সাত আসামির সর্বোচ্চ সাজা চাই। যেন এ জাতীয় রাজনীতিবিদের জন্ম এ দেশে আর না হয়। জনগণের ম্যান্ডেটের দোহাই দিয়ে যাতে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ড করতে না পারেন। 

আমিনুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল, তখনই নিজেদের প্রথম শ্রেণির এবং অন্যদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক ভাবত। এ ছাড়া দেশের ইতিহাসে একজন রাজনৈতিক জোকার হলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।  তাঁর দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য-কর্মকাণ্ডের কারণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এক হাজার ৪০০ মানুষ শহীদ হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। 
এই মামলায় ওবায়দুল কাদেরের সহযোগী অন্য ছয়জনও দুর্বৃত্তপরায়ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারাও এ রকমই দায়িত্বজ্ঞানহীন। রাজনৈতিক নেতৃত্বের ছদ্মাবরণে তারা ছিলেন দুর্বৃত্তপরায়ণ, দুর্নীতিবাজ ও দুষ্কৃতকারী। তারা প্রত্যেকেই মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করেছেন। তাদের ব্যক্তিগত দায় ও সুপিরিয়র কমান্ড রয়েছে। এ কারণে আমরা সাত আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছি।

আরও পড়ুন

×