ঢাকা মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এলএনজি সরবরাহ আরও বেড়েছে, মিলছে ১০১ কোটি ঘনফুট

এলএনজি সরবরাহ আরও বেড়েছে, মিলছে ১০১ কোটি ঘনফুট
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক 

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২২:৪১

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটের মধ্যে সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার হিসাবে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি থেকে ১০১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে। এর সঙ্গে দেশীয় উৎসের ১৬০ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট যোগ হয়ে মোট সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২৬২ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট।

এর আগে সোমবার রাত ১০টায় এলএনজি সরবরাহ ছিল ৯৮ কোটি ঘনফুট এবং মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২৫৮ কোটি ২০ লাখ ঘনফুট। আজ দুপুর ১২টায় এলএনজি থেকে পাওয়া যায় ৯৯ কোটি ঘনফুট। ওই সময় মোট সরবরাহ ছিল ২৬১ কোটি ঘনফুট।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলএনজি সরবরাহ বাড়ায় শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাসের চাপ কিছুটা বাড়তে পারে। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এখনও কম থাকায় সংকট পুরোপুরি কাটেনি।

গত ২১ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি তৈরি হয়। টার্মিনালের একটি বয়লার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। এতে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকের ওপর চাপ পড়ে।

মেরামতের পর ১৫ আগস্ট টার্মিনালটি গ্যাস সরবরাহের জন্য প্রস্তুত করা হলেও পর্যাপ্ত এলএনজি কার্গো না থাকায় সঙ্গে সঙ্গে সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হয়নি। ফলে টার্মিনালের সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছিল না।

মঙ্গলবারের হিসাবে দেখা যাচ্ছে, এক দিনের ব্যবধানে এলএনজি সরবরাহ আরও বেড়েছে। সোমবার বিকেল ৪টায় এলএনজি সরবরাহ ছিল ৭৬ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট। মঙ্গলবার রাত ৮টায় তা বেড়ে ১০১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট হয়েছে—অর্থাৎ প্রায় ২৫ কোটি ঘনফুট বৃদ্ধি।

তবে গ্যাসের চাহিদা এখনও সরবরাহের চেয়ে বেশি। ফলে নিয়মিত এলএনজি কার্গো আমদানি নিশ্চিত না হলে সরবরাহে আবারও চাপ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন

×