ঢাকা মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিপইয়ার্ড সড়কে অনিয়ম

কেডিএর ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ মন্ত্রণালয়ের

কেডিএর ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ মন্ত্রণালয়ের
×

ফাইল ছবি

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২২:২৮

খুলনার শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে কেডিএর অধীনে থাকা ১১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংস্থাটির চেয়ারম্যানকে এবং কেডিএতে প্রেষণে আসা তিন উপসচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আতাউর রহমান অ্যান্ড মাহাবুব ব্রাদার্সকে কালো তালিকাভুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তারা হলেন– কেডিএর সদস্য (উন্নয়ন) এস এম মাহমুদুর রহমান, সাবেক সচিব মো. বদিউজ্জামান ও বর্তমান সদস্য (প্রশাসন) মো. ইকবাল হোসেন।

কেডিএর কর্মকর্তারা হলেন– তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলী এ টি এম ওয়াহিদ আজহার, তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী সাবিরুল আলম, তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রকল্প) মজিবুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক মো. আরমান হোসেন, উপ-প্রকল্প পরিচালক মুনতাসির মামুন, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামীম জেহাদ, ক্যাশিয়ার মেহেদী হাসান, সহকারী হিসাবরক্ষক পলাশ কুমার ঘোষ, হিসাবরক্ষক (পূর্ত) শাহানা আক্তার, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সাইদুল হক এবং অর্থ ও হিসাব রক্ষণ অফিসার এম এম হোসেন আলী। 

কেডিএ সূত্রে জানা গেছে, শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পায় ২০১৩ সালের ৭ মে। শুরুতে প্রকল্প ব্যয় ছিল ৯৮ কোটি টাকা। দীর্ঘ ১৩ বছরেও সড়কটির কাজ শেষ হয়নি। উল্টো খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮০ কোটি টাকায়। গত ৯ জুন একনেকে প্রকল্পটির তৃতীয় দফা সংশোধন ও ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব উত্থাপন করা হলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে গাফিলতি ও দেরির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। ওই দিনই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গত ৩১ আগস্ট গৃহায়ণ সচিবের কাছে ৪০৪ পাতার তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়ে।

প্রতিবেদনে ওই ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা ও আর্থিক অনিয়ম, সমীক্ষা ছাড়া ডিপিপি প্রণয়ন এবং প্রকল্পে বরাদ্দ হওয়া ১৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা দীর্ঘ দুই বছর কেডিএর নিজস্ব তহবিলে স্থানান্তর করে আর্থিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজ করার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

কেডিএর চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা বলেন, মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

×