ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

রামপুরা এলাকায় ২৮ জনকে হত্যা

‘পুলিশ ও বিজিবি গুলি করে আমার স্বামীকে হত্যা করেছে’

‘পুলিশ ও বিজিবি গুলি করে আমার স্বামীকে হত্যা করেছে’
×

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | ০৪:৪৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবি কর্মকর্তা লে. কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ১৪ নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন শহীদ আমির হোসেনের স্ত্রী আননী। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ‘পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা রামপুরায় আমার স্বামীর মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে।’

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। 

সাক্ষী আননী বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর আন্দোলনে যোগ দেন আমির হোসেন। ওই দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাসান নামে একজন আমার বাড়িওয়ালাকে ফোন করেন। এ সময় ফোনে আমার স্বামী রামপুরার একরামুন্নেছা স্কুলের সামনে গুলি খেয়েছেন বলে জানান তিনি। এরপর তাকে দেখতে রামপুরায় বেটার লাইফ হাসপাতালের উদ্দেশে বের হই। তবে এর আগেই এলাকার লোকজন মিলে আমার স্বামীকে বাসায় নিয়ে আসেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে সড়কেই তিনি মারা গিয়েছেন বলে জানতে পারি। 

তিনি বলেন, আমার স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পাই। একটি গুলি তার মাথার পেছন দিক দিয়ে ঢুকে চোয়াল দিয়ে বেরিয়ে গেছে বলে শুনেছি। সেই দিন দুপুর সোয়া ২টার দিকে তাকে গুলি করে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা। এর মধ্যে ছিলেন বিজিবির রেদোয়ান ও রাফাত। পুলিশ কর্মকর্তা মশিউর রহমান ও রাশেদুলও রয়েছেন। আমি আমার স্বামীর হত্যার সঠিক বিচার চাই।

এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে আছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলম। পলাতক আসামিরা হলেন– ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার ওসি মো. মশিউর রহমান।

আরও পড়ুন

×