এক্সপ্লেইনার
ঢাকা-রিয়াদ ফ্লাইট জট: হুতি-সৌদি উত্তেজনা কতদিন চলতে পারে?
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের হামলার কারণে বাতিল হয় ফ্লাইট। মঙ্গলবার ঢাকা বিমানবন্দরে আটকা পড়েন সৌদিগামী যাত্রীরা। ছবি: এএফপি
সাদিকুর রহমান
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ২২:০২ | আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ২২:৩৬
উত্তেজনার স্ফুলিঙ্গ ছড়ায় গত জুলাইয়ে। ওই মাসে হুতি নিয়ন্ত্রিত সানা বিমানবন্দরে হামলা চালায় ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী। সেটির রেশ রিয়াদ হয়ে চলতি সপ্তাহে ঢাকায় পৌঁছেছে।
হুতিদের হামলার মুখে সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরের কার্যক্রম আপাতত বন্ধ। সেটির প্রভাব পড়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এই ঘটনায় ঝুঁকির দুটি ক্ষেত্র স্পষ্ট হয়েছে। প্রথমটি সৌদির নিরাপত্তা সংকট; দ্বিতীয়টি বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানে সৌদি নির্ভরতা।
বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকা থেকে রিয়াদগামী ১০০টি সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৫ হাজারের বেশি যাত্রী। এটি হুতিদের হামলার কারণে সৌদি আরবে সৃষ্ট নিরাপত্তা সংকটের তাৎক্ষণিক একটি প্রভাব।
প্রশ্ন উঠেছে- এই নিরাপত্তা সংকট কতটা দীর্ঘায়িত হতে পারে? পরিস্থিতি কীভাবে এখানে এলো? দীর্ঘমেয়াদে সৌদি নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশের প্রস্তুতি কী?
সৌদি কেন নিরাপত্তা সংকটে পড়েছে?
দেশটি জ্বালানিতে সমৃদ্ধ। কিন্তু নিরাপত্তাসহ বেশকিছু খাতে অন্য দেশের সরঞ্জাম ও জনশক্তির ওপর নির্ভরশীল। প্রায় ২২ লাখ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশটিতে বিভিন্ন জ্বালানি অবকাঠামো, পবিত্র নগরী ও বিমানবন্দর ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ এক ভৌগোলিক অবস্থানে থেকেও তারা দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার ওপর নির্ভর করেছে। ইরান যুদ্ধের পর সেই নিশ্চয়তায় খানিকটা ভাটা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুরক্ষা ব্যবস্থা নড়বড়ে হয়ে যায়। গত জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকে প্রতিবেশী ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা নিয়মিত হামলা করেছে। যা গত শনিবার এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী পরিস্থিতিতে রূপ নেয়।
যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক আগে সৌদি আরবে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের বিনিময়ে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ইরান যুদ্ধ সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বড় ধরনের পরীক্ষা নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক থিংক ট্যাংক ‘দ্য অ্যাটলাস ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের (এআইআইএ)’ ৫ অক্টোবরের এক নিবন্ধেও একই কথা বলা হয়েছে।
এআইআইএর নিবন্ধ অনুযায়ী, ইরান ও হুতিদের চাপের মুখে সৌদি-মার্কিন সম্পর্ক কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে। এর মধ্য দিয়ে রিয়াদের প্রতি ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির সীমাবদ্ধতাগুলোও স্পষ্ট হয়েছে। সৌদি যখন নিজেদের নিরাপত্তা দুর্বলতাগুলো কমিয়ে আনার চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা শুরু হয়। ইরান যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ ব্যয় ওয়াশিংটনের জন্য কৌশলগত উভয়সংকট তৈরি করেছে।
সৌদির নিরাপত্তা সংকটের ক্ষেত্রগুলোর উদাহরণ পাওয়া যায়, এএফপি প্রকাশিত ১২ অক্টোবরের প্রতিবেদনে। বার্তা সংস্থাটি লিখেছে, হুতিদের নিয়মিত হামলা সৌদির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি করেছে। তাদের ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।
লন্ডনভিত্তিক ঝুঁকি বিশ্লেষণের প্রতিষ্ঠান মিনা অ্যানালিটিকার বিশ্লেষক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ এএফপিকে বলেছেন, দেশটির কাছে প্যাট্রিয়ট, থাড, যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য সেন্সরের সমন্বয়ে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আছে। কিন্তু বিশাল আয়তনের তুলনায় এসব ব্যবস্থা কোনো অভেদ্য দেয়াল তৈরি করতে পারেনি।
রিয়াদ কেন সংকটের কেন্দ্র?
গত কয়েক মাসে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা ঘাটতি সৌদির বিনিয়োগ খাতে উভয়সংকট তৈরি করেছে। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ‘ভিশন ২০৩০’ রূপকল্প হাতে নিয়েছেন। এর বড় একটি অংশ রাজধানী রিয়াদকেন্দ্রিক। শহরটিকে পর্যটক, বহুজাতিক কোম্পানি ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আয়োজনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
হুতিদের লক্ষ্যবস্তু বাছাইয়ের প্রবণতা দেখে মনে হচ্ছে, তারা রিয়াদকে সৌদির দুর্বলতা হিসেবে শনাক্ত করেছে। গত জুলাইয়ে উত্তেজনা শুরুর পর বেশ কয়েক দফায় শহরটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে সবশেষ চারটি হামলার লক্ষ্যবস্তুও ছিল রিয়াদ।
এই অস্থিরতার তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়ে সৌদির জ্বালানি খাতে। নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে তেল রপ্তানি ৪০ শতাংশ কমে দৈনিক প্রায় ৩ দশমিক ১ মিলিয়ন ব্যারেলে নেমে আসে। এটি গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
প্রবাসী শ্রমিকের ওপর প্রভাব কেমন?
যুবরাজ সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’-এর আওতায় অভিবাসন খাত সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের শেষ নাগাদ দেশটিতে অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ১ কোটির বেশি। তাদের বেশিরভাগই রাজধানী রিয়াদে বসবাস করেন।
এই শ্রমিকদের ওপর সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট নয়। তবে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর বেশ কয়েকজন প্রবাসী হতাহতের তথ্য সামনে আসে। গত ৩১ মার্চ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুধু সৌদি আরব নয়, উপসাগরীয় সব দেশে অভিবাসী কর্মীরা জীবন ও আর্থ-সামাজিক অধিকারের ক্ষেত্রে ঝুঁকিতে আছেন। কারণ, তাদের অনেকেই পানি সরবরাহ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের কাজে যুক্ত।
রিয়াদে হুতিদের গত কয়েকদিনের ধারাবাহিক হামলায় ১৮ জন নিহত ও তিন’শর বেশি আহতের তথ্য দিয়েছে রয়টার্স। প্রাণ হারানো দুই বাংলাদেশির মধ্যে একজন প্লাম্বার (পানির লাইনের মিস্ত্রি) হিসেবে কাজ করতেন।
বাংলাদেশে সৌদি সংকটের অর্থ কী?
বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশিরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের ওপর নির্ভরশীল। ২০২৫ ও চলতি বছরও জনশক্তি রপ্তানির গন্তব্য হিসেবে দেশটি শীর্ষ আছে।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বিদেশে যাওয়া ১১ লাখের বেশি মানুষের মধ্যে প্রায় ৭ লাখ ৫৩ হাজার যান সৌদিতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গন্তব্য কাতারে যান প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার কর্মী। এই ব্যবধান সৌদি কেন্দ্রিক নির্ভরতার বিষয়টি স্পষ্ট করে।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মঙ্গলবারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বিদেশে যাওয়া ৪ লাখ ৪৩ হাজার ২১ জনের মধ্যে ২ লাখ ১৮ হাজার ৫০৮ জনই সৌদিকে বেছে নিয়েছেন।
সৌদির ওপর এমন নির্ভরতার অর্থ হলো- দেশটিতে কর্মী নিয়োগের চাহিদা, ভিসা নীতি কিংবা নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন হলে তা বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সামগ্রিক প্রবাহকেও প্রভাবিত করতে পারে। রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধের ঘটনায় ইতোমধ্যে ঝুঁকির আংশিক দিক ফুটে উঠেছে।
জনশক্তি রপ্তানির বিষয়টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সঙ্গেও যুক্ত। চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রিজার্ভ ৪১ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূলত রেমিট্যান্স, রপ্তানি আয় ও সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা উন্নয়নের আশায় ওই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
সংকট কতটা দীর্ঘায়িত হতে পারে?
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতির আপাতত লক্ষণ নেই। কারণ, হুতি-সৌদি পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ জোরদারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সৌদির লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন।
বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস, আগামী কয়েক মাসে এই সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে। বুধবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুতিদের মিত্র ইরান নভেম্বরের মার্কিন নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন কৌশল সাজিয়েছে। এর লক্ষ্য বিশ্ববাজারে তেলের দাম চড়া রাখা।
একইদিন হুতিরা সৌদির রাষ্ট্র মালিকানাধীন বহুজাতিক জ্বালানি কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনা ও রিয়াদে তেল শোধনাগারে হামলার দাবি করেছে। সামরিক শাখার মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে বলেছেন, ‘আগামী দিনগুলোতে সৌদি আরবের অভ্যন্তরে হামলা অব্যাহত থাকবে। এসব অভিযানে শত্রুপক্ষের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে।’
সম্প্রতি হুতিরা জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বাব এল-মান্দেব প্রণালিতেও নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে। এর আগে তারা লোহিত সাগরে সৌদির জাহাজ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিল। বিপরীতে গোষ্ঠীটির এই প্রভাব মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে রিয়াদ।
বার্তা সংস্থা এএফপির বুধবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উপস্থিতিতে সৌদি মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক হয়। সেখানে মন্ত্রীরা অঙ্গীকার করেছেন, কোনোভাবেই লোহিত সাগর ও বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়তে দেওয়া হবে না।
সৌদির কর্তৃপক্ষ আপাতত ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এটি দীর্ঘায়িত হবে কি না তা স্পষ্ট নয়। দেশটিতে নিরাপত্তা সংকট তৈরি হলে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি কমে যাবে- এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোরও সময় আসেনি। তবে এই পরিস্থিতি শ্রমবাজারে বৈচিত্র্য আনার প্রয়োজনীয়তাকে নতুন করে সামনে এনেছে।
বাংলাদেশের প্রস্তুতি কী?
চলতি বছরের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের দেশগুলোতে বৈধপথে কর্মী যাওয়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল। বিএমইটির বরাত দিয়ে গত ৩০ জুন দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানায়, গত জানুয়ারি থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত ১৮ হাজার ২২০ জন বাংলাদেশি বৈধ উপায়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গেছেন।
গত বছর একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ৪৪৫ জন। অর্থাৎ, ইউরোপে বৈধ অভিবাসনের হার ৪৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। তবে শ্রমবাজার বৈচিত্র্যের গতি এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার ঘোষণা এলেও কর্মী পাঠানো শুরু হয়নি। অগ্রগতি নেই জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো বাজারে। কর্মী পাঠানোয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হলেও অস্ট্রেলিয়া, গ্রিসের মতো দেশগুলোর শ্রমবাজার খোলেনি।
এছাড়া রোমানিয়া, ক্রোয়েশিয়া, পোল্যান্ডসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশে শ্রমবাজার বন্ধ আছে। এগুলোর ভিসা পেতে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত দূতাবাসে যেতে হয় বাংলাদেশিদের। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতের ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ায় দিল্লি যেতে পারছেন না কর্মীরা।
জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে গত সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এ সময় ভিসা প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। দক্ষ কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে শ্রমবাজারে ‘নতুন সম্ভাবনার দ্বার’ উন্মোচন নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।