ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

প্রবাসী

দারিদ্র্য নিরসনে বৈদেশিক কর্মসংস্থান

প্রতি বছর ২০ থেকে ২২ লাখ তরুণ নতুন করে চাকরির বাজারে প্রবেশ করছে। নতুন চাকরি প্রার্থীদের অর্ধেকেরও কম মানুষের মানসম্মত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। দেশে বর্তমানে ২৬ লাখের বেশি বেকার রয়েছে; যার মধ্যে ৮৩ শতাংশই ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণ-তরুণী। এর মধ্যে প্রায় ২৯ শতাংশ স্নাতক বা তারও বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন তরুণ বেকার। দেশের কর্মক্ষম জনশক্তির ২৫ শতাংশ মানুষের কর্মসংস্থান হয় অভিবাসনের মাধ্যমে। বৈদেশিক কর্মসংস্থান তৈরি সম্ভব না হলে বাংলাদেশে দরিদ্র লোকের সংখ্যা আরও ১০ শতাংশ বেড়ে যেত। আমরা যদি সময়োপযোগী বৈশ্বিক চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে পারতাম তাহলে বিশ্ব শ্রমবাজারে আরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করা সম্ভব হতো। বিশ্ব চাহিদার আলোকে এ সময়ে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন দক্ষ, অতিদক্ষ ও স্মার্ট জনশক্তি তৈরি করা। তাই অভিবাসনে ইচ্ছুক কর্মীদের সম্ভব হলে দুটি কিংবা অন্ততপক্ষে একটি কারিগরি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে বিদেশে যাওয়া উচিত। কারিগরি দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ইংরেজি ছাড়া আরও অন্তত একটি ভাষাজ্ঞান অর্জন করা অত্যাবশ্যক। যে দেশে যাবে সেই দেশের ভাষাজ্ঞান, আইন-কানুন, খাদ্যাভ্যাস, আবহা

আপডেটঃ ১০ মে ২০২৬ | ১৭:৩২
দারিদ্র্য নিরসনে বৈদেশিক কর্মসংস্থান

সর্বশেষ