অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি জ্ঞাপনপত্র প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রত্যাখ্যান
ফাইল ছবি
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ নভেম্বর ২০১৯ | ০৫:৩৫
প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেড শিক্ষকরা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। শিক্ষকদের দাবি, এই গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করলে শিক্ষকদের বেতন বাড়বে না বরং অধিকাংশ শিক্ষকদের বেতন কমবে। ১০ বছর ও ১৬ বছর পর প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
শুক্রবার সকাল ১০টায় প্রাথমিক শিক্ষা ঐক্য পরিষদের পুরাতন পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের নীতি-নির্ধারণী কমিটির এক জরুরি সভায় সরকারের এমন সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা।
সভায় যৌথ বিবৃতিতে ঐক্য পরিষদের নেতারা বলেন, জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর তার বক্তব্যে ৬৫ হাজার প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও ৩ লাখ ৪২ হাজার সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু সরকারের এমন ঘোষণায় অধিকাংশ শিক্ষকদের বেতন বাড়ার পরিবর্তে কমে যাবে। কারণ সরাসরি প্রায় ২০ হাজার প্রধান শিক্ষক বর্তমানে ১১তম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। অবশিষ্ট পদোন্নতিপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকরা সহকারী শিক্ষকদের সমান স্কেলে বেতন পাবেন। নিম্নধাপে উন্নীত স্কেলে ফিক্সেশন করলে প্রতিমাসে শিক্ষকদের বেতন এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা কমে যাবে। যে ক্ষতি শিক্ষকরা চাকরি শেষেও কাটিয়ে উঠতে পারবেন না। এজন্য বর্তমান বেতন কাঠামোই দায়ী। তাই শিক্ষকদের দাবি প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করে বেতন বৈষম্য নিরসন করা।
১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে বেতন বৈষম্য নিরসনে শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। শিক্ষকদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত হলেই তাদের বেতন বৈষম্য নিরসন হবে।বেতন বৈষম্য নিরসন না হলে শিক্ষক নেতারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে আজকের বিবৃতিতে জানানো হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান, সদস্য সচিব মোহাম্মদ সামছুদ্দিন মাসুদ, প্রধান মুখপাত্র মো. বদরুল আলম, প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল ইসলাম তোতা ও আব্দুল্লাহ সরদারসহ আরও অনেকে।
- বিষয় :
- প্রাথমিক
