সম্রাটের সহযোগী আরমান দুদকের রিমান্ডে
এনামুল হক আরমান -ফাইল ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৫ নভেম্বর ২০১৯ | ০৭:৫৩
ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের সহযোগী এনামুল হক আরমানকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার দুপুরে তাকে কাশিমপুর কারাগার থেকে সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নেওয়া হয়। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ১৭ নভেম্বর দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি আরমানের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, আরমানের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।
গত ৭ আগস্ট কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরমানকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। ওইদিন বিকেলে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে কাকরাইলের ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, এক হাজার ১৬০টি ইয়াবা, ১৯ বোতল বিদেশি মদ, দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া ও নির্যাতন করার বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পাওয়া যায়।
গত ১২ নভেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক সালাউদ্দিন আরমানের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৫ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে মামলা করেন।
আরমানের বিরুদ্ধে করা এজাহারে বলা হয়, আরমান অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থে দেশ বাংলা মাল্টিমিডিয়া নামে সিনেমা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান করেন। একই সঙ্গে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সিনেমা তৈরির ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করেন। বিদেশে অর্থ পাচার করে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
কুমিল্লায় অভিযানের সময় আরমানকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া যাওয়ায় সেখানেই ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান। তার কাছে ১৪০টি ইয়াবা পাওয়ায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মাদক আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করে র্যাব।
আর ঢাকার রমনা থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে মাদক আইনের মামলায় সম্রাট ও আরমান দু'জনকে আসামি করা হয়।
- বিষয় :
- দুদক
- এনামুল হক আরমান
- দুর্নীতি দমন কমিশন