ঢাকা রোববার, ২১ জুন ২০২৬

ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড পেলেন সমকালের তপন দাশসহ ১০ সাংবাদিক

ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড পেলেন সমকালের তপন দাশসহ ১০ সাংবাদিক
×

পুরস্কার গ্রহণ করছেন সমকাল সাংবাদিক তপন দাশ। ছবি: সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৭ নভেম্বর ২০১৯ | ১০:২৬

বিভিন্ন বিষয়ে সেরা প্রতিবেদনের জন্য দশ জন সাংবাদিককে 'ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০১৯' দিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। এবারের বিজয়ীরা হলেন- সমকালের তপন দাশ, যুগান্তরের মিজানুর রহমান চৌধুরী, ডেইলি স্টারের মোহাম্মদ আল-মাসুম মোল্লা, বাংলা ট্রিবিউনের শাহেদ শফিক, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এপপ্রেসের জসিম উদ্দিন হারুন, কালের কণ্ঠের জিয়াদুল ইসলাম, প্রথম আলোর তারেক মাহমুদ, এনটিভির শফিক শাহীন, একাত্তর টিভির আদনান খান (নয়ন আদিত্য) ও চ্যানেল ২৪ এর মোর্শেদ হাসিব হাসান।

বুধবার সকালে ডিআরইউ সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট, সনদ ও নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা মূল্যমানের চেক তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডিআরইউ'র সাবেক সভাপতি শাহজাহান সরদার।

এ সময় ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা, যাদের মুখে ভাষা নেই তাদের ভাষা দিতে পারে। যার কাছে ক্ষমতা নেই তাকে ক্ষমতাবান করতে পারেন। যে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না, তাকে প্রতিবাদ করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়। সুতরাং এই দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্যই গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে, দায়িত্বশীলদের কোথায় দায়িত্ব পালন করা দরকার সেটা তুলে ধরতে ভালো রিপোর্টিং অত্যন্ত সহায়ক।

মন্ত্রী বলেন, হলি আর্টিজান হামলার ঘটনার রায় দেওয়া হয়েছে। সেখানে সাতজনের ফাঁসি আদেশ হয়েছে। জঙ্গিরা যেভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, এই ঘটনার পর সংবাদপত্রে অনুসন্ধানী রিপোর্ট বিচার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে সহায়তা করেছে। বাংলাদেশের গণমাধ্যম সবসময় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেছে। এই রিপোর্টগুলো ভবিষ্যতে জঙ্গি তৈরি না হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান শাহজাহান সরদার বলেন, প্রতিযোগিতায় মানসম্পন্ন প্রতিবেদনের সংখ্যা বাড়ছে। যারা বিজয়ী হয়েছেন এবং যারা বিজয়ী হতে পারেননি তাদের মধ্যে প্রাপ্ত নম্বরের ব্যবধান খুবই কম।

সভাপতির বক্তব্যে ইলিয়াস হোসেন বলেন, নানা অসঙ্গতি, অনিয়ম, দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টগুলো দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিলে দেশ উপকৃত হবে। মুক্ত গণমাধ্যম চর্চায় গণতন্ত্র ও মুক্ত বুদ্ধি বিকশিত হয়।

ডিআরইউর সাংগঠনিক সম্পাদক ও বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড উপ-কমিটির আহ্বায়ক আফজাল বারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খান। পুরস্কার প্রাপ্তদের মধ্য থেকে অনুভূতি প্রকাশ করেন- এনটিভির শফিক শাহীন ও বাংলা ট্রিবিউনের শাহেদ শফিক। এসময় জুরি বোর্ডের সম্মানিত সদস্য যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম ও সিনিয়র সাংবাদিক মনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

×