ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নির্বাচন কমিশন ঢেলে সাজানোর দাবি টিআইবির

নির্বাচন কমিশন ঢেলে সাজানোর দাবি টিআইবির
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১০:০২ | আপডেট: ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১০:০৪

কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ডকে বিব্রতকর আখ্যায়িত করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) সব কমিশনারকে অপসারণ ও কমিশনকে ঢেলে সাজাতে রাষ্ট্রপতির প্রতি আবেদন জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

বৃহস্পতিবার সংগঠনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বিবৃতিতে বলেন, ইসির মতো একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান একের পর এক কেলেঙ্কারির জন্ম দিচ্ছে। এটা গোটা জাতির জন্য বিব্রতকর। এই কমিশন গোটা জাতির মাথা হেঁট করে দিয়েছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের হাতে এমন রাষ্ট্রীয় অমর্যাদা বন্ধ করতে সিইসিসহ সব কমিশনারকে অপসারণ ও ইসিকে ঢেলে সাজানোর কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, সিইসি, কমিশন সচিবালয় এবং অন্য কমিশনারদের ন্যক্কারজনক কাদা ছোড়াছুড়ির খবর দেশের প্রায় সব গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। একজন কমিশনার একজন নিরাপত্তারক্ষীর নিয়োগের জন্য কমিশন সচিবালয়কে সুপারিশ করেছিলেন। ওই সুপারিশ রক্ষা হয়নি বলে কমিশনাররা তোলপাড় করেছেন। 'সাংবিধানিক পদে থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ সরাসরি নৈতিক স্খলন'-এটা অনুধাবনের মতো অবস্থাতেও কমিশনাররা নেই। তাদের এই অনাকাঙ্ক্ষিত দ্বন্দ্বের সংবাদ প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাকে পদদলিত করেছে। সাংবিধানিক পদাধিকারীরা নিজেদের সচিবালয়ের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপন করলে তার গুরুত্ব কোনো অংশে কম নয়।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, এই নির্বাচন কমিশন দেশকে এক অভূতপূর্ব নির্বাচনের দায় চাপিয়ে দিয়েছে। কমিশনের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণের নামে জনগণের করের টাকা হরিলুট করেছেন এমন অভিযোগও রয়েছে। তারপরও ছিল অস্বস্তিকর নীরবতা। এরপর ধরা পড়ল রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেওয়ার ঘটনা। এতে অবৈধ লেনদেনের সঙ্গে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জড়িত। এমন ভয়াবহ প্রতারণা ও দেশের নিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকি সৃষ্টি করার পরে এখন সবাই মিলে লড়ছেন নিম্নপদস্থ কর্মচারী নিয়োগের তদবির আর অনিয়ম নিয়ে।

তিনি বলেন, ইসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান তাও কমিশন সংশ্নিষ্টরা সম্ভবত ভুলে গেছেন। তাদের অধীনে ভবিষ্যৎ যে কোনো কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য।

আরও পড়ুন

×