ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বাঘ শাবক দুটির নাম রাখা হলো ‘দুর্জয়’ ও ‘অবন্তিকা’

বাঘ শাবক দুটির নাম রাখা হলো ‘দুর্জয়’ ও ‘অবন্তিকা’
×

জাতীয চিড়িয়াখানায় সদ্য জন্ম নেওয়া দুই বাঘ শাবক, ছবি: সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২১ | ০৯:৪২

জাতীয চিড়িয়াখানায় সদ্য জন্ম নেওয়া দুই বাঘ শাবকের নাম রাখা হয়েছে। গত ২৬ মে চিড়িয়াখানায় নতুন জন্ম নেওয়া পুরুষ বাঘ শাবকের নাম ‘দুর্জয়’ এবং মেয়ে বাঘ শাবকের নাম ‘অবন্তিকা’ রাখা হয়েছে। সোমবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এ নাম রাখেন।

রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণে এ দুটি বাঘ শাবকের নামকরণ, নিবন্ধন ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্তকরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, জাতীয় চিড়িয়াখানাকে মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে আধুনিক ও বিশ্বমানে রূপান্তর করা হবে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডের আদলে জাতীয় চিড়িয়াখানাকে গড়ে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। এ কাজে সিঙ্গাপুরের কনসালটেন্ট নিয়োগ করা হয়েছে। চিড়িয়াখানায় প্রাণীদের সাফারি পার্কের মতো করে রাখা হবে। চিড়িয়াখানায় ভেতরে আলাদা আলাদা জোন তৈরি করে একই জাতীয় প্রাণী বা পাখিদের একই জোনে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। চিড়িয়াখানা আগের তুলনায় সুসজ্জিত করা হয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে, দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা হয়েছে। করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এভাবে চিড়িয়াখানাকে অপেক্ষাকৃত আধুনিক পর্যায়ে আমরা নিয়ে যাচ্ছি। মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পর বাংলাদেশেই হবে আধুনিক চিড়িয়াখানা।

এসময় তিনি আরও বলেন, চিড়িয়াখানার জন্য আমরা আইন প্রণয়ন করছি। ইতোমধ্যে চিড়িয়াখানা আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা পরিচালিত হবে।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, জাতীয় চিড়িয়াখানা নতুন দুটি শাবকসহ এখন ১১টি বাঘ রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য পশু-পাখিও পর্যাপ্ত রয়েছে। করোনাকালে নির্বিঘ্ন পরিবেশ পেয়ে পশু-পাখির প্রজনন বেড়েছে। উদ্বৃত্ত পশু-পাখি রংপুর চিড়িয়াখানাসহ অন্যান্য চিড়িয়াখানায় দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে ৩৬ লাখ টাকার হরিণ বিক্রি করা হয়েছে। প্রজনন বাড়ার কারণে চিড়িয়াখানার অভ্যন্তরে উদ্বৃত্ত পাখি সংকুলান করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা প্রকৃতিতে কিছু পাখি উন্মুক্ত করে দিচ্ছি।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্র খোলার ব্যাপারে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চিড়িয়াখানা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন

×