ঢাবিতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বক্তৃতা প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একটি চিত্র।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০২১ | ০৮:৩৬ | আপডেট: ২০ নভেম্বর ২০২১ | ০৮:৩৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ‘আমার বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক আন্তঃহল বক্তৃতা প্রতিযোগিতার ষষ্ঠ পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়ে গেলো।
শনিবার সকালে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে ঢাবির বিজয় একাত্তর হল অডিটোরিয়ামে ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’র উদ্যোগে আয়োজিত এই আন্তঃহল বক্তৃতা প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়।
হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবদুল বাছিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও অ্যাসোসিয়েশনের মুজিব শতবর্ষ উদ্যাপন কমিটি আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোল্লা মো. আবু কাওছার এবং কমিটির সদস্য সচিব সুভাষ সিংহ রায়। স্বাগত বক্তব্য দেন হলের আবাসিক শিক্ষক জাহেদুল ইসলাম সানি। এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যোগাযোগ ও প্রচার সম্পাদক কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন, হল ছাত্র সংসদের সাবেক এজিএস আবু ইউনুস, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ইনান, আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘১৯৭১ সালের আগে বাঙালিদের ইতিহাস ছিলো বেদনার ইতিহাস। আমাদের পূর্বপুরুষরা ওইভাবে স্বাধীন ছিলেন না। তাদের কোনো কিছু চাওয়ারও সাহস ছিলো না। তারা জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছিলেন। সেই জায়গা থেকে আমাদের উত্তরণ ঘটেছে। আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি এসেছে। আগের পরিস্থিতির সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করলে আমরা বুঝতে পারবো স্বাধীনতা আমাদের কি দিয়েছে, বঙ্গবন্ধু আমাদের কী দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান আমলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাঙালিরা বৈষম্যের শিকার হয়েছে। সেই বৈষম্য থেকে তিনি আমাদের মুক্তি দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ শেষে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে পুনর্গঠন করেছিলেন, শাসনতন্ত্র দিয়েছিলেন। তিনি এই দেশকে প্রতিটি ক্ষেত্রে সংস্কার করেছিলেন। আজ আমরা যেই অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছি এর পেছনে বঙ্গবন্ধুর অবদান অপরিসীম।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নিজেকে সমৃদ্ধ করার কোনো বিকল্প নেই। যারা স্বপ্ন দেখছেন, তারা নিজেদের সমৃদ্ধ না করে সময় নষ্ট করলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্যে নিজেদের উপযুক্ত গড়ে তুলতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে আবদুল বাছির বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে জানতে শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি বই পড়তে হবে। নইলে বঙ্গবন্ধুকে জানা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।’
