ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

২২ ফেব্রুয়ারির পর বিধিনিষেধ থাকছে না: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

২২ ফেব্রুয়ারির পর বিধিনিষেধ থাকছে না: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
×

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম - ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ০২:১৯ | আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ০৪:৫৭

আগামী ২২ ফেব্রুয়ারির পর থেকে বিধিনিষেধ থাকছে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। আজ রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগামী ২৬ ফ্রেব্রুয়ারি গণটিকাদান কার্যক্রম সফল করার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বিধিনিষেধ উঠে গেলেও সবাই যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে ও মাস্ক ব্যবহার করে সে বিষয়ে সভায় জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে।

করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ১৩ জানুয়ারি ‘উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের জনসমাবেশ নিষেধ, রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণে টিকার সনদের বাধ্যবাধকতা, অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলাচল এবং টিকা সনদ নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের বাধ্যবাধকতাসহ ১১টি বিধি-নিষেধ জারি করে সরকার।

মঙ্গলবার থেকে এসব বিধিনিষেধ উঠে গেলেও মাস্ক পরিধানসহ অন্য স্বাস্থ্যবিধি যথাযথ পালন করতে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। গত বছরের নভেম্বর থেকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের ফলে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টির পর ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে বাংলাদেশেও করোনার সংক্রমণ আবার বাড়তে থাকে।

সংক্রমণে রাশ টানতে নতুন বছরের শুরুতেই ৪ জানুয়ারি ১৫ দফা নির্দেশনা জারি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এতে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জনসমাগমে নিরুৎসাহিত করা হয়। ১৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয় ১১টি বিধিনিষেধ। পরে তা ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংক্রমণ ঠেকাতে ২১ জানুয়ারি ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে এরই মধ্যে সংক্রমণ কমতে থাকায় ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ফের স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের শর্তে ১ মার্চ থেকে খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ও।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ১ কোটি মানুষকে কোভিড টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২০ সালে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরু হলে মার্চের শেষ দিকে দেশজুড়ে লকডাউন জারি করা হয়; যা দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলে। সেই লকডাউনে জরুরি সেবার পরিবহন এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যে কারও চলাচল ছিল বারণ। সব অফিস আদালতের পাশাপাশি কল কারখানাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

পরিস্থিতির উন্নতিতে পরে সেই বিধিনিষেধ শিথিল হয়। ডেল্টা সংক্রমণের পর গত বছরের এপ্রিল থেকে অগাস্ট অবধি বিভিন্ন সময় লকডাউনের বিধিনিষেধ ছিল। বন্ধ ছিল স্কুল ও কলেজ। এরপর সংক্রমণের হার দ্রুত কমে এলে গত বছরের সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলে; জীবনযাত্রা অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসে।

আরও পড়ুন

×