এই কাইয়ুম সেই কাইয়ুম নয়
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০১৯ | ১০:৫৭
সাবেক কমিশনারের অফিস থেকে বাড্ডা প্রকল্পের ৭১টি নথি উদ্ধারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা সাবেক কমিশনার এম এ কাইয়ুমের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি এম এ কাইয়ুমের কোনো মিল নেই বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাড্ডা প্রকল্পের ৭১টি নথি উদ্ধারে বর্ণিত কার্লোস ট্রেড লিমিটেডের ট্রেড লাইসেন্সে প্রতিষ্ঠানটির মালিক হিসেবে এম এ কাইয়ুমের নাম আছে তার সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি এমএ কাইয়ুমের কোনো সম্পর্ক নেই। যার সঙ্গে এমএ কাইয়ুমের বাবা, মায়ের নাম ও ছবির কোনো মিল নেই। ট্রেড লাইসেন্সের ছবিটিই তারই প্রমাণ। এমএ কাইয়ুম নামে অন্য একজনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিএনপির এমএ কাইয়ুমকে জড়িয়ে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা মোটেই সমোচীন নয়। এতে এমএ কাইয়ুমের ব্যাক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংগঠনটি মনে করছে– বিএনপি নেতাকে জড়িয়ে সংবাদটি অসাবধানতাবশত প্রকাশিত হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভবনে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক কমিশনারের ব্যক্তিগত অফিস থেকে বাড্ডা পুনর্বাসন প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্তদের ৭১টি নথিসহ ফাইল জব্দ করেছে সংস্থাটি। রাজউকের এ্যানেক্স ভবনের ৫১৪ নম্বর কক্ষ থেকে রাজউক চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে নথিগুলো উদ্ধার করা হয়। কক্ষটি ১৯৮৬ সলের ১ মার্চ মেসার্স পলি ওভারসিজ প্রাইভেট লিমিটেডের নামে মাসিক ১৫ হাজার ৮২০ টাকা হারে ফজলুল হক নামে একজন বরাদ্দ নেন। এই প্রতিষ্ঠানের নামে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কক্ষটির ভাড়া পরিশোধিত রয়েছে। তার থেকে কালোর্স ট্রেড লিমিটেড নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কক্ষটি ভাড়া নেয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক এম এ কাইয়ুম।
- বিষয় :
- এম এ কাইয়ুম
- বিএনপি
- বিএনপি নেতা কাইয়ুম
