ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

৫ ভ্যানে শহরজুড়ে ‘গণঅভ্যুত্থানে আলোকচিত্র’ প্রদর্শনী

৫ ভ্যানে শহরজুড়ে ‘গণঅভ্যুত্থানে আলোকচিত্র’ প্রদর্শনী
×

ছবি: সমকাল

দ্রোহী তারা

প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৫ | ২১:৩১ | আপডেট: ১১ আগস্ট ২০২৫ | ২১:৩৯

সারিবদ্ধ পাঁচটি ভ্যান। তাতে সাজানো হয়েছে পাঁচটি বাড়ি। তবে সেসব বাড়ির কোনটিই ইট-পাথরের নয়; তুলে ধরা হয়েছে ‘গণঅভ্যুত্থানে আলোকচিত্র’। আর তা প্রদর্শন করা হয়েছে পুরো রাজধানীজুড়ে। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয় এই আলোকচিত্র প্রদর্শনী। পরে ঢাকার টিএসসি থেকে শাহবাগ, ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, হাতিরঝিলসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ভ্যানে করে প্রদর্শন করা হয়। 

‘গণঅভ্যুত্থানে আলোকচিত্র’ প্রদর্শনীর উদ্বোধনীতে উপস্থিত ছিলেন আলোকচিত্রী ও সাংবাদিক জীবন আহমেদ, সুমন কান্তি পাল, কে এম আসাদ, আলোকচিত্রী শিক্ষার্থী মো. শফিকুল ইসলাম এবং আলোকচিত্রী জান্নাতুল মাওয়া। এতে বক্তব্য দেন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম।

তিনি বলেন, ‘এই ক্রান্তিকালে আলোকচিত্রী সাংবাদিকরা যে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, তা ইতিহাসের অংশ। অথচ অনেক সময় তাদের এই অবদান উপেক্ষিত থেকে যায়। তাদের স্বীকৃতি পাওয়া জরুরি।’

আলোকচিত্রী তাসলিমা আকতারের সঞ্চালনায় বক্তরা বলেন, ‘প্রদর্শনীতে থাকা আলোকচিত্র বহনকারী ভ্যানগুলো সেইসব স্থানে গিয়েছে যেখানে তরুণ শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দাবিতে লড়াই আর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সব এক সুতায় গাঁথা হয়ে ধরা দিয়েছে।’

তারা বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের তুমুল দিনগুলোতে প্রতিরোধ নতুন ভাষা পেয়েছিল। কেবল স্লোগানে নয়, বরং আরও বেশি ছড়িয়ে পড়েছিল আলোকচিত্র, গ্রাফিতি, কার্টুন ও নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে। সেই ভাষা ও আবেগকে আবারও সাধারণ মানুষের কাছে ফিরিয়ে দিতে ভ্যানে সাজানো হয়েছে আলোকচিত্রের প্যানেলে।’

কর্মসূচিতে আরও অংশ নেন আলোকচিত্রী আশরাফুল আলম, ইসতিয়াক করিম, কে এম আসাদ, জীবন আহমেদ, দীপু মালাকার, নূর আলম, মইন বুলু, মো. শফিকুল ইসলাম, রায়হান আহমেদ, রাহাত করিম, শুভ্র কান্তি দাশ, সুলতান মাহমুদ মুকুট, সুমন কান্তি পাল ও হাবিবুল হক। প্রদর্শনীটির আয়োজন করে পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট।

আরও পড়ুন

×