ঢাকা বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

মিরপুরে হত্যা মামলার বাদীর বাসা লক্ষ্য করে ককটেল হামলা

মিরপুরে হত্যা মামলার বাদীর বাসা লক্ষ্য করে ককটেল হামলা
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬ | ০১:৩০ | আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ | ০১:৩৫

রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বরে ব্যবসায়ী আফতাব উদ্দিন হত্যা মামলার বাদী তাঁর ভাই আফরোজ উদ্দিনের বাসা লক্ষ্য করে ককটেল হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে কেউ আহত না হলেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

মিরপুর থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটে বলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আফরোজ উদ্দিনের ধারণা। যারা তাঁর ভাইকে মেরেছিল, তারাই এ হামলা চালায় বলে তিনি মৌখিক অভিযোগ করেছেন। আফতাব উদ্দিন হত্যা মামলা এখন বিচারের শেষ পর্যায়ে আছে। সে কারণেই ভয় দেখাতে ককটেল ছোড়া হয়ে থাকতে পারে।

ওসি জানান, মিরপুর-২ নম্বরের মসজিদ মার্কেট এলাকায় আফরোজ উদ্দিনের বাসা। এর সামনে একটি পিকআপ ভ্যানে গাছের চারা, ফুলগাছ ইত্যাদি ছিল। ককটেলটি বাসা লক্ষ্য করে ছোড়া হলেও পিকআপে বিস্ফোরিত হয়। এতে বিকট আওয়াজ হয় এবং ধোঁয়া ছড়ায়। এর মধ্যেই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী এ ঘটনায় বুধবার একটি মামলা করতে চেয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ককটেলটি পিকআপে বিস্ফোরিত হয়ে সেটিতে আগুন ধরে যায়। তখন ওই বাড়ির লোকজন ফায়ার ডিস্টিংগুইশার ব্যবহার করে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। এতে কেউ আহত হননি। পিকআপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ব্যবসায়ী আফরোজ উদ্দিন বলেন, আমার ভাইয়ের হত্যা মামলাটি তুলে নিতে বারবার হুমকি দিয়ে আসছিল এজাহারভুক্ত আসামিরা। এ ঘটনায় আগে মিরপুর থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি। হত্যা মামলাটি বর্তমানে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এ বিচারাধীন। আসামিদের বিরুদ্ধে আমি ও সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিয়েছেন। এতে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদত হোসেন ক্ষুব্ধ হয়ে আমাকে হত্যার চেষ্টা চালাচ্ছেন। 

এর আগে মিরপুর-১ নম্বরের মুক্তবাংলা শপিং কমপ্লেক্স পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আফতাব উদ্দিনকে তাঁর বাসার কাছে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন দিন পর তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তাঁর ভাই আফরোজ উদ্দিন বাদী হয়ে মিরপুর থানায় শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদত, খোরশেদ, ওসমান গনিসহ তাদের ১৩ সহযোগীর নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। মোটা অঙ্কের চাঁদা না দেওয়ায় আফতাবকে হত্যা করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন

×