উত্তরায় পুলিশ ও পোশাক শ্রমিকদের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত
বকেয়া বেতন পরিশোধ ও সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গতকাল শনিবার উত্তরায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভের চেষ্টা করেন পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয় সংগৃহীত
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | ০৭:৫৪
| প্রিন্ট সংস্করণ
বকেয়া বেতন পরিশোধ ও সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর উত্তরায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভের চেষ্টা করেন পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশসহ আহত হন অর্ধশত।
উত্তরা রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্সের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
শ্রমিকরা লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করেন। পুলিশের একটি পিকাপভ্যান ভাঙচুর করেন আন্দোলনকারীরা। পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পুলিশ।
জানা গেছে, ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গত সোমবার থেকে উত্তরায় আন্দোলন করে আসছেন পোশাক শ্রমিকরা। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল বেলা ১১টার দিকে রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্সের সামনের সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। পরে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে ফিরে যাওয়ার সময় রাস্তায় শিল্প পুলিশের একটি পিকাপভ্যান ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন।
সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের অন্তত ১৮ জন সদস্য এবং ৩০ জন শ্রমিক আহত হন বলে জানা গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, একটি মহল আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা মহাসড়ক অবরোধ করে মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলতে চায়।
উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম বলেন, কয়েক দিন ধরে বেতন বৃদ্ধির নামে পোশাক শ্রমিকরা আন্দোলন করে আসছেন। গতকাল তাদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করা হয়েছিল। তারা লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হন। এক পুলিশ সদস্যকে ঘিরে ধরে আক্রমণ করে আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
- বিষয় :
- সংঘর্ষ