ঢাকা রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সোনার বাংলা গড়ার প্রধান শক্তি যুবসমাজ: আইনমন্ত্রী

সোনার বাংলা গড়ার প্রধান শক্তি যুবসমাজ: আইনমন্ত্রী
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৭:০৭

যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ যুবসমাজ। ডিজিটাল বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রধানতম শক্তি হচ্ছে এই যুবসমাজ। তাই যুবগোষ্ঠীকে সুসংগঠিত, সুশৃংখল এবং উৎপাদনমুখী শক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার।

শনিবার রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড আয়োজিত তিন সহস্রাধিক দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিনসহ অনেকে। এছাড়া বৃত্তিপ্রাপ্ত কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের অনুভুতি ব্যক্ত করেন।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আইনমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার ফলাফল, মেধা ও প্রজ্ঞাসহ অনেক বিষয়াদি যাচাই-বাছাইয়ের পর ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক এই বৃত্তি প্রদানের জন্য তোমাদেরকে মনোনীত করেছে। আর্থিকভাবে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছে। ভালভাবে লেখাপড়া করে ভবিষ্যতে নিজেদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারলেই ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের এ উদ্যোগ সার্থক হবে।

অনুষ্ঠানে কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তিপত্র তুলে দিয়ে আনিসুল হক বলেন, ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক এবছর এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩ হাজার ১৮ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নের জন্য মাসিক তিন হাজার টাকা হারে বৃত্তি দিচ্ছে এবং এই শিক্ষাবৃত্তির শতকরা ৯০ ভাগ দেয়া হচ্ছে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের। নিঃসন্দেহে এটি ব্যাংকের মহতী উদ্যোগ। এই উদ্যোগ আসলে ৩ হাজার ১৮টি পরিবারকে আলোকিত করার অন্যতম সিঁড়ি তৈরি করে দিয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত কয়েকজন শিক্ষার্থীর জীবন সংগ্রামের গল্প শুনে মনে হলো চরম দরিদ্রতাও তাদের আকাঙক্ষা, ইচ্ছাশক্তি, প্রতিভা এমনকি দৃষ্টিহীনতাকেও পরাস্ত করতে পারেনি। বরং তারাই তাদের মেধা ও শ্রম দিয়ে সেগুলোকে পরাস্ত করেছে এবং কঠিন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদেরকে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের বৃত্তিপ্রাপ্তির যোগ্য করে তুলেছে এবং তারা বৃত্তির জন্য মনোনীতও হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, অনুষ্ঠানে অনেক অভিভাবক আছেন যারা বহু ত্যাগের মাধ্যমে এবং নানান প্রতিকূলতা মোকবেলা করে সন্তানদের মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে তুলেছেন, ডাচবাংলা ব্যাংকের বৃত্তিপ্রাপ্তির জন্য যোগ্য করে তুলেছেন। অনেক মা আছেন, যারা অভাব-অনটনের সময় নিজের মুখের খাবার সন্তানকে খাইয়েছেন তবুও সন্তানকে কষ্ট দেননি। তাদের সকলকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানান আইনমন্ত্রী।

আরও পড়ুন

×