ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

কলাবাগানে ১৬ একর সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হচ্ছে

কলাবাগানে ১৬ একর সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হচ্ছে
×

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২২ | ১২:০২ | আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২২ | ১২:০২

রাজধানীর কলাবাগানে ৭০ বছর ধরে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে অধিগ্রহণের জন্য নির্দেশিত ১৬ একর জমি অবমুক্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। বুধবার ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ওই জমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে অবমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার ধানমন্ডি মৌজার অধিগ্রহণকৃত জমির জটিলতা নিরসনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রী ওই নির্দেশ দেন।

ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, কলাবাগান এলাকায় দু'টি ভাগে ওই পরিমাণ জমি উদ্ধারের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এর মধ্যে একটি স্থানে ১৪ একর ও আরেকটি স্থানে ২ একর ৮৬ শতাংশ জমি রয়েছে। অধিগ্রহণের জন্য নির্দেশিত ওই জমি ব্যক্তির নামে রেকর্ডকৃত। অধিগ্রহণের জন্য সরকারি আদেশ হওয়ার পরও জমিগুলো আগের মালিকের দখলেই রয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় বলেছে, ১৯৪৮-৪৯ সালে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন নির্মাণকল্পে গণপূর্ত বিভাগ (তৎকালীন সিএন্ডবি) এর অনুকূলে রাজধানীর ধানমন্ডিসহ ৮টি মৌজায় মোট ৪৭২.৬৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ৮ই জানুয়ারি ১৯৫৩ সালে গেজেট প্রকাশনার মাধ্যমে অধিগ্রহণ চুড়ান্ত হয়। একই সময়ে জমির দলিলও হস্তান্তর করা হয়।

প্রত্যাশী সংস্থা ধানমন্ডি মৌজার সিএস ৬৭ নম্বর দাগের অধিগ্রহণকৃত ১৬.৮৭ একর জমির মধ্যে ১৬.০৬ একর জমিতে কোনও সময়ে দখলে যায়নি। দীর্ঘদিন যাবত জমির আগের মালিকরা ওয়ারিশ বা অন্যান্যসূত্রে জমিতে বহুতল আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের মাধ্যমে ভোগ দখল করে আসছেন। ১৯৬৮ সালে সরকার ভূমি মালিকদের উচ্ছেদ নোটিশ করলে ভূমি মালিকগণ সরকারের উচ্ছেদ আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের রায় লাভ করেন।

এর মধ্যে ১৪ একর জমি সিএস, এসএ, আরএস এবং মহানগর জরিপে ব্যক্তির নামে এবং ২.৮৬৫৪ এর জমি সিটি জরিপে গণপূর্ত বিভাগের নামে রেকর্ড হয়। তবে এই জমির মধ্যে কিছু অংশ ব্যক্তির দখলে এবং কিছু অংশ গণপূর্ত বিভাগের দখলে আছে। এ কারনে বিগত ৭০ বছর যাবত জমির মালিকগণ এই জমির খাজনা খারিজ বা হস্তান্তর করতে পারছেন না।

আরও পড়ুন

×