জ্বালানি সংকটে নবায়নযোগ্য শক্তির সম্ভাবনা
মো. নূর আমিন বিটু
প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:২৫
দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে আবারও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হচ্ছে। গ্রীষ্মের অসহনীয় গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন ও অফিস-আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম। কিন্তু লোডশেডিংয়ের এই বাস্তবতাকে কেবল একটি সাময়িক বিদ্যুৎ ঘাটতি হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এর পেছনে রয়েছে জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা, আমদানিনির্ভরতা, বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা এবং ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা। অতএব, এখন প্রয়োজন শুধু সংকট মোকাবিলার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নয়; প্রয়োজন দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো নিয়ে নতুন করে ভাবা।
বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, তবু সংকট কেন?
দেশের বিদ্যুৎ খাতে এখন বিগত সময়ের চেয়ে উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কিন্তু স্থাপিত সক্ষমতা এবং বাস্তবে প্রয়োজনের সময় বিদ্যুৎ পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেই বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত হয় না। কেন্দ্র সচল রাখতে প্রয়োজন গ্যাস, কয়লা, তেল বা অন্যান্য জ্বালানি। সেই জ্বালানির সরবরাহে সংকট দেখা দিলে উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যেতে পারে। এখানেই দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার একটি মৌলিক দুর্বলতা স্পষ্ট হয়– আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা ও উৎপাদনের বৈচিত্র্যকে সমান গুরুত্ব দিতে পারিনি।
লোডশেডিংয়ের মূল্য কে দিচ্ছে?
লোডশেডিংয়ের সবচেয়ে বড় মূল্য দিচ্ছে সাধারণ মানুষ এবং অর্থনীতি। বিদ্যুৎ চলে গেলে শুধু একটি বাতি বা ফ্যান বন্ধ হয় না; এর সঙ্গে থেমে যায় মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বহু কর্মকাণ্ড। একজন শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়, একজন শিক্ষক বা গবেষকের গবেষণা কাজ ব্যাহত হয়, একজন অনলাইনকর্মীর কাজের সময় নষ্ট হয়, দোকান বা ক্ষুদ্র ব্যবসার কার্যক্রম ব্যাহত হয়, কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকে এবং অফিসের কর্মক্ষমতা কমে যায়। একটি শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট মানে শুধু কয়েক ঘণ্টার উৎপাদন বন্ধ হওয়া নয়; এর সঙ্গে যুক্ত থাকে শ্রমঘণ্টার ক্ষতি, উৎপাদন পরিকল্পনার ব্যাঘাত, যন্ত্রপাতি চালু-বন্ধের সমস্যা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা।
তাহলে সমাধানের পথ কোথায়?
স্বল্প মেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতা কাজে লাগানো, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতা কমানো এবং বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা জরুরি। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাঠামোতে বৈচিত্র্য আনতে হবে। এর অন্যতম কার্যকর পথ হলো সৌরবিদ্যুৎ ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য শক্তির সম্প্রসারণ।
দেশে সূর্যের আলো একটি বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদ। শহর থেকে গ্রাম– প্রায় সর্বত্র অসংখ্য ভবনের ছাদ রয়েছে। এসব ছাদ বছরের পর বছর পড়ে থাকে, অথচ সেগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। একটি বাড়ির ছাদ, একটি স্কুলের ছাদ, একটি সরকারি অফিস, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, কারখানা, মার্কেট বা বাণিজ্যিক ভবনে নির্মিত প্রতিটি উপযুক্ত ছাদই হতে পারে একটি ক্ষুদ্র বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানেই আমাদের জন্য একটি বড় সুযোগ রয়েছে।
বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি চাই হাজারো ছোট উৎপাদক
আমাদের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রচলিত ধারণায় বিদ্যুৎ উৎপাদন মানেই বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদন করবে, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যাবে এবং সেখান থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছাবে। কিন্তু ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আরও বিকেন্দ্রীভূত হতে পারে। একজন নাগরিক শুধু বিদ্যুতের ভোক্তা নন; তিনি বিদ্যুতের ক্ষুদ্র উৎপাদকও হতে পারেন। একটি প্রতিষ্ঠান শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহার করবে না; তার ছাদ থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদিত হতে পারে।
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি বিকেন্দ্রীভূত বিদ্যুৎ উৎপাদন তৈরি করে। অর্থাৎ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সবকিছু কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর নির্ভর করতে হয় না। যেখানে বিদ্যুৎ প্রয়োজন, তার কাছাকাছি জায়গাতেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এতে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে এবং দিনের বেলায়– বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময়– বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকায় স্থানীয় বিদ্যুৎ চাহিদার একটি অংশ পূরণ করা সম্ভব।
দেশে নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহক পর্যায়ে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগও রয়েছে। ২০২৬ সালেও টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-স্রেডা মাঝারি ও বড় আকারের নেট-মিটার্ড রুফটপ সোলার প্রকল্প সম্প্রসারণ নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করছে। নেট মিটারিংয়ের মতো ব্যবস্থা এই সম্ভাবনাকে আরও বাস্তব করে তুলেছে। নিজস্ব ব্যবহারের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়ার সুযোগ থাকলে একজন গ্রাহকের কাছে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন শুধু পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নয়, অর্থনৈতিকভাবেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। এখন প্রয়োজন এই ব্যবস্থাকে আরও সহজ, দ্রুত ও ব্যাপক করা।
সরকারি ভবন থেকেই শুরু হোক
দেশের সরকারি ভবনগুলোর ছাদে রুফটপ সোলার স্থাপনকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ, সরকারি দপ্তর, আদালত, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং অন্যান্য বড় সরকারি স্থাপনার ছাদে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা সম্ভব। বিশেষ করে দিনের বেলায় যেসব প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের ব্যবহার বেশি, সেখানে এর কার্যকারিতা আরও বেশি হতে পারে।
নতুন সরকারি ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ভবনের নকশার সঙ্গেই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। ভবন নির্মাণ শেষ হওয়ার পর আলাদা করে সোলার স্থাপনের পরিবর্তে শুরু থেকেই এটিকে অবকাঠামোর অংশ হিসেবে বিবেচনা করলে ব্যয় ও বাস্তবায়ন– দুই দিকেই সুবিধা হতে পারে।
বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ
বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুতের প্রসার ঘটাতে হলে শুধু মানুষকে ‘সোলার ব্যবহার করুন’ বললেই হবে না। প্রয়োজন সহজ অর্থায়ন, মানসম্মত সরঞ্জাম, দক্ষ ইনস্টলেশন এবং সহজ নীতিমালা। একটি বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের অর্থ শুধু বিদ্যুৎ বিল কমানো নয়। এর আরও বড় অর্থ হলো, পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় একটি বিকল্প উৎস তৈরি করা।
এখানে একটি বিষয়ও পরিষ্কার করা জরুরি– শুধু সাধারণ গ্রিড-সংযুক্ত সৌর প্যানেল থাকলেই লোডশেডিংয়ের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়ির সব যন্ত্র চলবে– এমন নয়। এর জন্য উপযুক্ত ইনভার্টার, ব্যাটারি/স্টোরেজ এবং নিরাপদ বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবস্থা প্রয়োজন হতে পারে। তাই গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা সহজলভ্য করতে হবে।
শিল্প ও বাণিজ্যিক ভবনে বড় সম্ভাবনা
দেশের বড় বড় শিল্পকারখানা, গার্মেন্টস, গুদাম, শপিংমল, মার্কেট এবং বাণিজ্যিক ভবনের বিশাল ছাদ রয়েছে। এসব ভবনে দিনের বেলায় বিদ্যুতের চাহিদাও বেশি। ফলে রুফটপ সোলার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে। সরকার চাইলে বড় ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে কর সুবিধা, সহজ ঋণ, দ্রুত অনুমোদন এবং অন্যান্য আর্থিক প্রণোদনা দিতে পারে। এতে সরকারের ওপর সরাসরি বড় আর্থিক বোঝা না চাপিয়েও বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব।
সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলার সময় বাস্তবতাকেও স্বীকার করতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ সূর্যের আলোর ওপর নির্ভরশীল। রাতে উৎপাদন হয় না এবং আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন কমবেশি হতে পারে। তাই শুধু সৌরবিদ্যুৎ দিয়ে দেশের পুরো বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়। প্রয়োজন একটি ভারসাম্যপূর্ণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা– যেখানে প্রচলিত বিদ্যুৎ উৎপাদন, নবায়নযোগ্য শক্তি, শক্তি সঞ্চয়, আধুনিক গ্রিড এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়– সবগুলো একসঙ্গে কাজ করবে। অর্থাৎ লক্ষ্য হওয়া উচিত ‘একটি উৎসের ওপর নির্ভরতা’ থেকে বেরিয়ে ‘বহু উৎসের সমন্বিত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা’ তৈরি করা।
লোডশেডিং আমাদের জন্য সতর্কবার্তা
বারবার লোডশেডিং স্পষ্ট করে দিয়েছে– বিদ্যুৎ নিরাপত্তা শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা দিয়ে মাপা যায় না। বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিচ্ছে– শুধু বড় বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে একটি দেশের বিদ্যুৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না। বিদ্যুৎ নিরাপত্তার অর্থ হলো জ্বালানি নিরাপত্তা, আর্থিক সক্ষমতা, উৎপাদনের বৈচিত্র্য, শক্তিশালী গ্রিড, দক্ষ বিতরণ ব্যবস্থা এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিকল্প বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা।
যতদিন দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মূলত আমদানিনির্ভর জ্বালানি ও বড় কেন্দ্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল থাকবে, ততদিন আন্তর্জাতিক বাজার, বৈদেশিক মুদ্রা, জ্বালানি সরবরাহ কিংবা বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক সংকটের অভিঘাত সাধারণ মানুষের ওপর পড়ার ঝুঁকি থাকবে।
এর বিপরীতে সূর্যের আলো দেশের নিজস্ব সম্পদ। এটি আমদানি করতে হয় না, পাইপলাইনের মাধ্যমে আনতে হয় না, জাহাজে করে বন্দরে নামাতে হয় না। প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের মাধ্যমে এই প্রাকৃতিক সম্পদকে বিদ্যুতে রূপান্তর করা সম্ভব। আমাদের নীতিনির্ধারণে তাই একটি পরিবর্তন প্রয়োজন। প্রশ্নটি শুধু হওয়া উচিত নয়– ‘আর কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হবে?’ ‘কীভাবে নিরাপদ, সাশ্রয়ী, বৈচিত্র্যময় ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ে তুলব?’ এই দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে সৌরবিদ্যুৎ ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য শক্তিকে আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
শেষ কথা
দেশের বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান রাতারাতি হবে না। কিন্তু আজ থেকেই সঠিক পথে হাঁটা শুরু করা সম্ভব। দেশের সামনে এখন দুটি পথ– প্রথমটি হলো প্রতিবার সংকট দেখা দিলে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করা; দ্বিতীয়টি হলো সংকটকে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের সুযোগ হিসেবে নেওয়া। দ্বিতীয় পথটিই বেশি টেকসই।
আজ যে ছাদগুলো শুধু ভবনের ওপর খালি জায়গা হিসেবে পড়ে আছে, আগামী দিনে সেগুলো হতে পারে দেশের হাজার হাজার ক্ষুদ্র বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। একটি বাড়ি, একটি অফিস, একটি স্কুল, একটি হাসপাতাল কিংবা একটি কারখানা– প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যদি তার সামর্থ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে অংশ নেয়, তাহলে জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তন তৈরি হতে পারে। তাই লোডশেডিংয়ের অন্ধকারকে শুধু দুর্ভোগ হিসেবে দেখলে চলবে না; এটিকে জ্বালানি নীতির পুনর্বিবেচনার সংকেত হিসেবেও দেখতে হবে।
আজকের লোডশেডিং যদি আগামী দিনের শক্তিশালী, বিকেন্দ্রীভূত ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি করে– তবেই এই সংকট থেকে আমরা একটি স্থায়ী শিক্ষা নিতে পারব।
মো. নূর আমিন বিটু: প্রভাষক, রসায়ন বিভাগ, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ
- বিষয় :
- বিদ্যুৎ
- সৌরবিদ্যুৎ
- জ্বালানি সংকট