দুর্গন্ধে নাকাল নোয়াখালীবাসী
নোয়াখালী সার্কিট হাউস-ল ইয়ার্স কলোনি সড়কের পশ্চিম পাশে ফেলা বর্জ্যে চরে বেড়াচ্ছে গরু। দুর্গন্ধে নাক চেপে চলছে এক শিশু। গতকাল রোববার দুপুরে তোলা। ছবি: সমকাল
নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬ | ১০:০৩
প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো পৌরসভা হলেও বর্জ্য নিয়ে দুর্ভোগ কাটেনি নোয়াখালীবাসীর। পর্যাপ্ত ট্রাক না থাকায় নিয়মিত নির্দিষ্ট জায়গা থেকে ময়লা সরানো হয় না। দুর্গন্ধে চলাচলই কঠিন হয়ে পড়ছে।
গতকাল সোমবার দুপুরে গিয়ে গেছে, নোয়াখালী সার্কিট হাউস-ল’ইয়ার্স কলোনি সড়কের পশ্চিম পাশে ফেলা বর্জ্য উপচে পড়েছে। সেখানে কোনো ডাস্টবিন নেই। স্তূপে চড়েই আবর্জনা খেতে দেখা যায় পাঁচ-ছয়টি গরুকে। এই সড়ক দিয়ে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ, নোয়াখালী সরকারি কলেজ, জেলা প্রসাশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পুলিশ কেজি স্কুল, প্রভাতী শিশু কাননসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে শিশু শিক্ষার্থীরা। দুর্গন্ধে এখান দিয়ে হাঁটাও মুশকিল।
একই অবস্থা নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসাপাতাল, সোনাপুর-চৌমুহনী আঞ্চলিক মহাসড়কের নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম-সংলগ্ন ড্রেনের পাশে ফেলা ময়লার জায়গায়। পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শহরে ৯৩টি ডাস্টবিন আছে। এসব জায়গায় দিনে ৫৫ টন বর্জ্য জমা হয়। পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল আহম্মেদ খানের ভাষ্য, পৌরবাসীর নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ময়লা না ফেলে যেখানে-সেখানে ফেলছেন। এতে বর্জ্য অপসারণে সমস্যা হয়।
পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বর্জ্য অপসারণে সমস্যার কথা স্বীকার করেন। তাঁর ভাষ্য, বর্জ্য সরানোর সাতটি ট্রাকের মধ্যে দুটি অকেজো। সেগুলো মেরামতে পাঠানো হয়েছে। বাকি পাঁচটি ট্রাক দিয়ে বর্জ্য অপসারণ করা হয়। শিগগিরই এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন।
- বিষয় :
- নোয়াখালী