আরও বাড়বে সামাজিক সুরক্ষার আওতা
×
আবু কাওসার
প্রকাশ: ২৮ মে ২০২০ | ১২:০০ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
স্বাস্থ্য ও কৃষির পাশাপাশি আগামী অর্থবছরের বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা খাত অগ্রাধিকার পাচ্ছে। বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বয়স্ক, বিধবাসহ অন্যান্য ভাতা সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৮১ লাখ। ২০২০-২১ বাজেটে নতুন করে আরও প্রায় ১২ লাখ এর আওতায় নিয়ে আসা হবে। ফলে সুবিধাভোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে মোট ৯২ লাখ। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, আসন্ন বাজেটে অতিরিক্ত আট লাখ ৫০ হাজার লোক বয়স্ক-ভাতা ও বিধবা-ভাতা পাবেন। এর মধ্যে আড়াই লাখ বাড়বে প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তি। এ ছাড়া মাতৃত্বকালীন ভাতা বাড়বে আরও প্রায় ৮০ হাজার। মুক্তিযোদ্ধা ভাতাভোগীর সংখ্যা আরও ১০ হাজার। সব মিলিয়ে অতিরিক্ত ১১ লাখ ৯০ হাজার বেশি মাসিক ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব থাকছে আগামী বাজেটে। জানা যায়, এবার মাসিক ভাতার অঙ্ক বাড়ানো হবে না। শুধু সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী, দরিদ্রতম ১০০টি উপজেলার শতভাগ যোগ্যকে ভাতার আওতায় নিয়ে আসা হবে। বর্তমানে ওই সব এলাকায় ৪০ শতাংশ গরিব লোক এ সুবিধা পাচ্ছে। আসন্ন বাজেটে পাওয়ার যোগ্য এমন সবাইকে ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব থাকছে।
জানা গেছে, দরিদ্রতম একশ' উপজেলার সুবিধাভোগীরা বয়স্ক, বিধবা, অসচ্ছল, প্রতিবন্ধী ভাতা ও প্রতিবন্ধী পরিবারের সন্তানরা শিক্ষাবৃত্তি ভাতা পাবেন। বর্তমানে সরকার অন্য সব এলাকায় টার্গেট গ্রুপকে যে অঙ্কের ভাতা দেয়, দরিদ্রতম এলাকার জনগণকেও একই পরিমাণ ভাতা দেওয়া হবে। যোগ্য সবাই এ ভাতা পাবেন। বর্তমানে সারাদেশে ৪৬৪ উপজেলা। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, এর মধ্যে কমপক্ষে একশ' উপজেলায় তুলনামূলকভাবে দরিদ্র লোকের সংখ্যা বেশি। এর মধ্যে বেশির ভাগই গাইবান্ধা, নীলফামারী, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের। কিছু উপজেলা আছে ময়মনসিংহ ও জামালপুর জেলায়।
সূত্র জানায়, বর্তমানে বয়স্ক ও বিধবা-ভাতা মাসিক ৫০০ টাকা। আর অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ৭৫০ টাকা। এর বাইরে প্রতিবন্ধী পরিবারের ছেলেমেয়েদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়। প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত মাসিক ভাতা দেওয়া হয় সর্বনিম্ন ৭৫০ থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত। জানা যায়, এখন দরিদ্রতম একশ' উপজেলায় এসব কর্মসূচি চলমান থাকলেও সবাই এ সুবিধা পাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন, ওই সব এলাকায় যাদের সরকারের দেওয়া আর্থিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা রয়েছে, তাদের সবাইকে আওতায় আনতে হবে। সে জন্য আসন্ন বাজেটে যোগ্য সবাইকে এ সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব থাকছে।
জানা যায়, সারাদেশে বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক, বিধবাসহ আট ধরনের কর্মসূচি চালু রয়েছে, যা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়ন ও তদারক করে। এর বাইরে ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন আলাদা কর্মসূচি চলমান আছে। তবে এখন পর্যন্ত বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী সুবিধাভোগীর সংখ্যাই সর্বাধিক। জানা যায়, মোট ভাতাভোগীর ৯০ শতাংশই এই তিন শ্রেণির। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কর্মসূচি হচ্ছে বয়স্ক-ভাতা।
সূত্র জানায়, বর্তমানে ৬৫ বছরের বয়স্ক ব্যক্তি মাসিক ভাতা পান। এর পরই রয়েছে বিধবা-ভাতা। মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগীর সংখ্যাও অনেক। তবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ভাতা পাচ্ছেন সাত লাখ ৭০ হাজার দুস্থ নারী। ভাতার অঙ্ক ৮০০ টাকা। আসন্ন বাজেটে মাতৃত্বকালীন ভাতা আরও অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে।
বর্তমানে এক লাখ ৯০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা ১২ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পান। ২০২০-২১ বাজেটে ভাতা অপরিবর্তিত রেখে বাড়তি ১০ হাজার জনকে নতুন করে এর আওতায় আনা হতে পারে। এর বাইরে যুদ্ধাহত, খেতাবপ্রাপ্ত ও শহীদ পরিবারের স্বজনরা সর্বনিম্ন ২৫ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পান। তবে এদের সংখ্যা মোট ১২ হাজার। নতুন বাজেটে এটা অপরিবর্তিত থাকছে।
মাসিক ভাতার বাইরে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা দিচ্ছে সরকার। বর্তমানে সমাজকল্যাণ, ত্রাণ-দুর্যোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ ২২ মন্ত্রণালয় ও সংস্থা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ১৩০টি কর্মসূচি বাস্তবায়নাধীন। যেমন- পেনশন সুবিধা এক ধরনের সামাজিক কর্মসূচি। আবার রেশনিং, কাজের বিনিময় খাদ্য, জেনারেল রিলিফ. শিক্ষাবৃত্তি, কম দামে গরিবদের চাল দেওয়া, ভিজিডি, ভিজিএফ ইত্যাদি কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা দেওয়া হয়। সারাদেশে এ রকম ১৩০টি কর্মসূচি রয়েছে। এসব কর্মসূচি নির্ধারিত মন্ত্রণালয়গুলোর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তবে জনপ্রিয় এবং বড় কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।
বর্তমানে মোট বাজেটের ১৩ শতাংশ এবং জিডিপির আড়াই শতাংশ সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় করা হয়। ২০১৯-২০ বাজেটে বরাদ্দ রয়েছে ৭৪ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা। সূত্র বলেছে, আসন্ন অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তায় সর্বসাকল্যে বরাদ্দ সোয়া লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬-৯৭ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করে। এর পর থেকে এ কর্মসূচি অব্যাহত আছে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে দুর্নীতির কারণে আশানুরূপ সুফল মিলছে না। বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক ড. জায়েদ বখত প্রকৃত যোগ্যদের এ সুবিধার আওতায় আনার পরামর্শ দেন।
সূত্র জানায়, আসন্ন বাজেটে অতিরিক্ত আট লাখ ৫০ হাজার লোক বয়স্ক-ভাতা ও বিধবা-ভাতা পাবেন। এর মধ্যে আড়াই লাখ বাড়বে প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তি। এ ছাড়া মাতৃত্বকালীন ভাতা বাড়বে আরও প্রায় ৮০ হাজার। মুক্তিযোদ্ধা ভাতাভোগীর সংখ্যা আরও ১০ হাজার। সব মিলিয়ে অতিরিক্ত ১১ লাখ ৯০ হাজার বেশি মাসিক ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব থাকছে আগামী বাজেটে। জানা যায়, এবার মাসিক ভাতার অঙ্ক বাড়ানো হবে না। শুধু সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী, দরিদ্রতম ১০০টি উপজেলার শতভাগ যোগ্যকে ভাতার আওতায় নিয়ে আসা হবে। বর্তমানে ওই সব এলাকায় ৪০ শতাংশ গরিব লোক এ সুবিধা পাচ্ছে। আসন্ন বাজেটে পাওয়ার যোগ্য এমন সবাইকে ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব থাকছে।
জানা গেছে, দরিদ্রতম একশ' উপজেলার সুবিধাভোগীরা বয়স্ক, বিধবা, অসচ্ছল, প্রতিবন্ধী ভাতা ও প্রতিবন্ধী পরিবারের সন্তানরা শিক্ষাবৃত্তি ভাতা পাবেন। বর্তমানে সরকার অন্য সব এলাকায় টার্গেট গ্রুপকে যে অঙ্কের ভাতা দেয়, দরিদ্রতম এলাকার জনগণকেও একই পরিমাণ ভাতা দেওয়া হবে। যোগ্য সবাই এ ভাতা পাবেন। বর্তমানে সারাদেশে ৪৬৪ উপজেলা। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, এর মধ্যে কমপক্ষে একশ' উপজেলায় তুলনামূলকভাবে দরিদ্র লোকের সংখ্যা বেশি। এর মধ্যে বেশির ভাগই গাইবান্ধা, নীলফামারী, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের। কিছু উপজেলা আছে ময়মনসিংহ ও জামালপুর জেলায়।
সূত্র জানায়, বর্তমানে বয়স্ক ও বিধবা-ভাতা মাসিক ৫০০ টাকা। আর অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ৭৫০ টাকা। এর বাইরে প্রতিবন্ধী পরিবারের ছেলেমেয়েদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়। প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত মাসিক ভাতা দেওয়া হয় সর্বনিম্ন ৭৫০ থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত। জানা যায়, এখন দরিদ্রতম একশ' উপজেলায় এসব কর্মসূচি চলমান থাকলেও সবাই এ সুবিধা পাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন, ওই সব এলাকায় যাদের সরকারের দেওয়া আর্থিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা রয়েছে, তাদের সবাইকে আওতায় আনতে হবে। সে জন্য আসন্ন বাজেটে যোগ্য সবাইকে এ সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব থাকছে।
জানা যায়, সারাদেশে বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক, বিধবাসহ আট ধরনের কর্মসূচি চালু রয়েছে, যা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়ন ও তদারক করে। এর বাইরে ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন আলাদা কর্মসূচি চলমান আছে। তবে এখন পর্যন্ত বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী সুবিধাভোগীর সংখ্যাই সর্বাধিক। জানা যায়, মোট ভাতাভোগীর ৯০ শতাংশই এই তিন শ্রেণির। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কর্মসূচি হচ্ছে বয়স্ক-ভাতা।
সূত্র জানায়, বর্তমানে ৬৫ বছরের বয়স্ক ব্যক্তি মাসিক ভাতা পান। এর পরই রয়েছে বিধবা-ভাতা। মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগীর সংখ্যাও অনেক। তবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ভাতা পাচ্ছেন সাত লাখ ৭০ হাজার দুস্থ নারী। ভাতার অঙ্ক ৮০০ টাকা। আসন্ন বাজেটে মাতৃত্বকালীন ভাতা আরও অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে।
বর্তমানে এক লাখ ৯০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা ১২ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পান। ২০২০-২১ বাজেটে ভাতা অপরিবর্তিত রেখে বাড়তি ১০ হাজার জনকে নতুন করে এর আওতায় আনা হতে পারে। এর বাইরে যুদ্ধাহত, খেতাবপ্রাপ্ত ও শহীদ পরিবারের স্বজনরা সর্বনিম্ন ২৫ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পান। তবে এদের সংখ্যা মোট ১২ হাজার। নতুন বাজেটে এটা অপরিবর্তিত থাকছে।
মাসিক ভাতার বাইরে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা দিচ্ছে সরকার। বর্তমানে সমাজকল্যাণ, ত্রাণ-দুর্যোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ ২২ মন্ত্রণালয় ও সংস্থা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ১৩০টি কর্মসূচি বাস্তবায়নাধীন। যেমন- পেনশন সুবিধা এক ধরনের সামাজিক কর্মসূচি। আবার রেশনিং, কাজের বিনিময় খাদ্য, জেনারেল রিলিফ. শিক্ষাবৃত্তি, কম দামে গরিবদের চাল দেওয়া, ভিজিডি, ভিজিএফ ইত্যাদি কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা দেওয়া হয়। সারাদেশে এ রকম ১৩০টি কর্মসূচি রয়েছে। এসব কর্মসূচি নির্ধারিত মন্ত্রণালয়গুলোর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তবে জনপ্রিয় এবং বড় কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।
বর্তমানে মোট বাজেটের ১৩ শতাংশ এবং জিডিপির আড়াই শতাংশ সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় করা হয়। ২০১৯-২০ বাজেটে বরাদ্দ রয়েছে ৭৪ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা। সূত্র বলেছে, আসন্ন অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তায় সর্বসাকল্যে বরাদ্দ সোয়া লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬-৯৭ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করে। এর পর থেকে এ কর্মসূচি অব্যাহত আছে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে দুর্নীতির কারণে আশানুরূপ সুফল মিলছে না। বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক ড. জায়েদ বখত প্রকৃত যোগ্যদের এ সুবিধার আওতায় আনার পরামর্শ দেন।