ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে সব প্রশাসক প্রত্যাহার

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে সব প্রশাসক প্রত্যাহার
×

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাপক্ষে গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের উপস্থিতিতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোকছুদুজ্জামান সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি আবেদুর রহমান সিকদারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করছেন। ছবি-সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬ | ২২:২৮

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে সব প্রশাসক প্রত্যাহার করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সর্বশেষ আজ ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শেষ হয়। এখন থেকে ব্যাংকটি পুরোপুরি পরিচালিত হবে ব্যাংকের পর্ষদ ও ব্যবস্থপনা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে। অবশ্য প্রশাসক প্রত্যাহার করা হলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিবিড় তদারকিতে এই ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানা গেছে।

গত বছরের নভেম্বরে এসব ব্যাংকে প্রশাসক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ৩০ জুলাই এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রশাসক প্রত্যাহারের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর সোস্যাল ইসলামী এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিলো। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে মো. আবেদুর রহমান সিকদার গত ১৬ জুলাই তিন বছরের জন্য যোগদান করেন। এর আগে তিনি ডাচ্–বাংলা ব্যাংকের ডিএমডি ছিলেন। মূলত তিনি যোগদানের পরই প্রশাসক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে ব্যাংকটিতে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর এই পাঁচ ব্যাংকসহ মোট ১৪টি ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙ্গে পুর্গঠন করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের মধ্যে চারটি ছিল এস আলমের দখলে। আর এক্সিম ব্যাংক পরিচালিত হতো নজরুল ইসলাম মজুমদারের কতৃত্বে। বিগত সরকারের সময়ে বড় অংকের জালিয়াতির কারণে ব্যাংকগুলোতে উচ্চ খেলাপি, মূলধন ঘাটতি, তারল্য সঙ্কটের কারণে ব্যাংকগুলো অনেকদিন থেকে আমানত ফেরত দিতে পারছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে সরকার। বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকার শেয়ার দেওয়া হবে আমানতকারীদের। এসব ব্যাংকে আমানতকারীদের এক লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা জমা আছে। এর বিপরীতে ঋণ রয়েছে এক লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঋণের বড় অংশই খেলাপি। সারাদেশে ৭৬০টি শাখা, ৬৯৮টি উপশাখা, ৫১১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ৯৭৫টি এটিএম বুথ রয়েছে।

আরও পড়ুন

×