চিঠিপত্র
ফাইল ছবি
--
প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৪:০৫ | আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৫:৫০
'লাইফ জ্যাকেট' বাধ্যতামূলক হোক
ভ্রমণপিপাসু মানুষ মনের প্রশান্তির জন্য এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলেছে। কখনও সমুদ্রে, কখনও পাহাড়ে, কখনও চা বাগানে অথবা কখনও হ্রদে। শহরের কর্মজীবী মানুষগুলো প্রকৃতির কাছে গিয়ে একান্তে কিছু সময় তাদের প্রিয়জনের সঙ্গে শেয়ার করতে চায়। যারা ছোটবেলা থেকে শহরের পরিবেশে বড় হয়েছেন, তাদের অনেকে সাঁতার জানেন না। সাঁতার না জানা ব্যক্তিগুলো যখন পর্যটক হিসেবে কোনো হ্রদে বা সমুদ্রপথে বেড়াতে যান, তখন একটা ভয় থেকে যায়। তাদের ভাড়াকৃত নৌযান দুর্ঘটনায় পড়লে অবস্থা খুব খারাপ হয়। ছোট শিশুদের অবস্থাও একই রকম। তারাও সাঁতার কাটতে পারে না। লাইফ জ্যাকেট এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই জ্যাকেটের সাহায্যে দুর্ঘটনাকবলিত মানুষগুলো পানিতে ভেসে থাকার চেষ্টা করতে পারেন। ইঞ্জিনচালিত নৌকা, ট্রলার বা স্টিমারে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট থাকলে পর্যটকরা অনেক নিরাপদ থাকেন। নৌপথে রাঙামাটি, কাপ্তাই, সেন্টমার্টিন, মহেশখালী এবং বাংলাদেশের অন্যান্য পর্যটন এলাকাতে ভ্রমণের সময় লাইফ জ্যাকেট বাধ্যতামূলক রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা খুবই দরকার। এ ব্যাপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
রূপম চক্রবর্ত্তী
সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
রাস্তা পারাপার নির্বিঘ্ন হোক
গাজীপুর স্টেশন রোড থেকে উত্তরা আজমপুর পর্যন্ত রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। অনেক উন্নয়নের কাজ একসঙ্গে চলার কারণে রাস্তা পারাপারের কোনো ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ওভারপাস যেগুলো ছিল, সেগুলোও ভেঙে ফেলা হয়েছে। জেব্রাক্রসিং ও রাস্তা পারাপারের নির্দিষ্ট জায়গা না থাকার কারণে যে যার মতো রাস্তা পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে এবং রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তার উন্নয়ন কাজের সঙ্গে জননিরাপত্তার বিষয়টিও ভাবা জরুরি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশেষ বিশেষ জায়গায় সঠিক সিগন্যালের মাধ্যমে রাস্তা পারাপারের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য সড়ক, জনপথ বিভাগ ও সংশ্নিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সাঈদ চৌধুরী
শ্রীপুর, গাজীপুর
ফিটনেসবিহীন গাড়ি বর্জন
একটি দেশের মানসম্মত জীবনযাপন শুধু খাওয়া-দাওয়ার ওপর নির্ভর করে না। এটা নির্ভর করে সে দেশের সামগ্রিক সুযোগ-সুবিধার ওপর, যা মানুষের জীবন এবং জীবিকা নির্বাহের পথকে সহজ করে। যাতায়াত ব্যবস্থা সেগুলোর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশের বেশিরভাগ গাড়ির ফিটনেস নেই। ফলে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে সব শ্রেণির মানুষ। সম্প্রতি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাড়া করা বাস এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ার ফলে গুরুতর আহত হয়েছে শিক্ষক ও অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী। এর আগে এ ধরনের ফিটনেসবিহীন গাড়ির কারণে ঝরে গেছে রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীসহ আরও হাজারো তাজা প্রাণ। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলোর রুট পারমিট বাতিল করা উচিত। একই সঙ্গে জনসাধারণেরও উচিত হবে ফিটনেসবিহীন যানবাহন বর্জন করা।
আবু সোহান
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ চাই
গ্রামে ভিক্ষুক কমলেও শহরের অলিগলিতে ভিক্ষুকের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তাল মিলিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে ভিক্ষুকের সংখ্যা। খেলার মাঠ, পার্ক, মার্কেট, ফুটপাত, মেলা প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষুকের উপস্থিতি বেশি থাকে। একাধিকবার ভিক্ষুকশুমারি কিংবা গণনা করা হলেও তাদের পুনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। খাতা-কলমে কিছু অনুদান এলেও তা ভিক্ষুকের হাতে পৌঁছে না। বাংলাদেশ সরকার ও এনজিওগুলো চাইলে এ দেশকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে পারে। এ ব্যাপারে সংশ্নিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
শাবলু শাহাবউদ্দিন
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
কেন্দ্রীয় নাগরিক সংস্থা গঠন করুন
বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের কেন্দ্রীয় নাগরিক সংস্থা নেই। বাংলাদেশের একজন সক্রিয় নাগরিক হিসেবে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে কেন্দ্রীয় নাগরিক সংস্থা তৈরির জন্য অনুরোধ করছি, যার মাধ্যমে একজন নাগরিক দেশের সুশাসন ও উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। এটা সরকারের সঙ্গে জনগণের কার্যকরী যোগাযোগ স্থাপন করবে, জনগণ তাদের প্রতিক্রিয়া, পরামর্শ ও অভিযোগ সরকারের কাছে জানাতে পারবে এবং সরকার সমসাময়িক প্রাধান্য বিষয়গুলো জেনে তা সমাধান করতে পারবে। প্রকল্পটি সরকারকে জবাবদিহি, দায়িত্বশীল ও কার্যকর করবে। এই সংস্থার মাধ্যমে একজন নাগরিক যে কোনো জাতীয় বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখতে পারবে। গোপনীয়তা বজায় রেখে চিঠিগুলো নিয়মিতভাবে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে প্রদান করা হবে। মানুষের উদ্বেগের সমাধান করা এবং সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য এ সুযোগটি গ্রহণ করুন।
মাহমুদুল হাসান
শৈলকূপা, ঝিনাইদহ
- বিষয় :
- চিঠিপত্র
