ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

চিঠিপত্র

চিঠিপত্র
×

ফাইল ছবি

--

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২০ | ১২:০০ | আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২০ | ১৪:৫৪

পাথর উত্তোলন বন্ধ হোক

পার্বত্য এলাকার ভূমির গঠন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের স্বকীয়তা রক্ষায় এখানকার নদী, খাল, ঝিরি ও পাহাড়ের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। আর এই অপরিহার্যতা বজায় রাখতে পাথরের গুরুত্ব অপরিসীম। ছোট-বড় এসব পাথর এই অঞ্চলের পর্যটন শিল্পে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ও অবৈধ মুনাফার লোভে একশ্রেণির মানুষ পাহাড়ি এলাকার বিভিন্ন উৎস থেকে নির্বিচারে পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে। যা পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। অবাধে পাথর উত্তোলন নিরাপদ পানি সংকটকে প্রকট করার পাশাপাশি নদীভাঙন ও ভূমিধসের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পথ মসৃণ করছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের বিধিমালা অনুযায়ী- নদী ও এ ধরনের জলাশয় থেকে ভাসমান পাথর ছাড়া তলদেশ খুঁড়ে পাথর উত্তোলন বা সংগ্রহের অনুমতি না থাকলেও প্রভাবশালী পাথর ব্যবসায়ীরা যাবতীয় আইন ও বিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পাথর উত্তোলন করে চলেছে। পরিবেশের ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভয়াবহ দুর্যোগ থেকে পার্বত্য অঞ্চল ও এখানকার জনসাধারণকে রক্ষায় নির্বিচারে পাথর উত্তোলন বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কাম্য।

আবু ফারুক
সদর, বান্দরবান

বন্যাদুর্গতদের সহযোগিতা

উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় হাজার কয়েক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে বন্যাদুর্গতরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ইতোমধ্যে তাদের উপার্জন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক ফসল ও গবাদি পশুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যাদুর্গত এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। অনেকেই অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন। বিগত বছরগুলোতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা বেসরকারি সংস্থা বা ব্যক্তি উদ্যোগে বিভিন্ন সহযোগিতা পেয়েছেন। কিন্তু করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় এ বছর কেউ ত্রাণ বিতরণ করতে যাচ্ছেন না। এমতাবস্থায় বন্যাদুর্গতদের জন্য সরকারি সহযোগিতার বিকল্প নেই। আশা করি সরকার দ্রুতই বন্যাদুর্গতদের সহযোগিতায় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

মাহফুজুর রহমান খান
চিনিতোলা, জামালপুর

অনলাইন ক্লাস কার্যকর হোক

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তিন মাসেরও বেশি সময় বন্ধ রয়েছে এবং আরও কতদিন থাকবে তাও অনিশ্চিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনলাইন ক্লাস অনেক বেশি কাজে দিচ্ছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো- গ্রামাঞ্চলে দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে অনেকেই অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হতে পারছে না। অনেকের আবার স্মার্টফোন নেই। সরকার ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসের সুবিধা দিতে একটি করে ডিভাইস ও গ্রাম পর্যায়ে শক্তিশালী ইন্টারনেট পৌঁছানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে। বিষয়টি শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দের। আমরা চাই এ উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন হোক এবং সব শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হোক। এ ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

তারিক সাইমুম
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

স্কুল-কলেজ কবে খুলবে

করোনার মধ্যেও জনজীবন স্বাভাবিক ও দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু করার অংশ হিসেবে ধীরে ধীরে দোকানপাট, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, শপিং মল ও গণপরিবহন চালু হয়েছে। এখন শিক্ষার্থীদের জন্য সংসদ টিভি ও অনলাইন কোর্স চালু রয়েছে। কিন্তু গরিব, অসহায় দিনমজুর ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ঘরে কতজনের টিভি আছে? অনেক দেশ স্কুল- কলেজ চালু করেছে। আমাদেরও স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল কলেজ চালু করে দেওয়া উচিত।

মোহাম্মদ ইয়ামিন খান
শ্যামলী, ঢাকা

আরও পড়ুন

×