বন্ধ হোক রাজনৈতিক সহিংসতা
×
মো. সায়েদ আফ্রিদী
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১২:০০
বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার সব নাগরিকের আছে। অধিকার আছে রাজপথে মিছিল ও সভা-সমাবেশ করার। কোনো বিরোধী রাজনৈতিক দল যখন তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম চলমান রাখবে তখন প্রশাসন তাদের নিরাপত্তা দেবে- এটাই একটি গণতান্ত্রিক দেশের রাজনৈতিক চর্চা এবং সৌন্দর্য হওয়া উচিত। কিন্তু অতি দুঃখজনক বিষয়, সাম্প্র্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পাল্টাপাল্টি উস্কানিমূলক বক্তব্য। পরে এসব বক্তব্যের রেশ ধরে হামলা-মামলা করা হচ্ছে।
নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। এখন বিরোধী দল আগের থেকে সক্রিয় হবে; দাবি আদায়ে সোচ্চার হবে; নিয়মিত মিটিং-মিছিল করবে; পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হবে। এটাই স্বাভাবিক। যদি এই মিছিল-মিটিং অত্যন্ত উগ্র হয়ে যায়; নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়; স্বাধীনতার বিপক্ষের কোনো শক্তির হয়; মানুষ মারার চক্রান্ত হয়; পুলিশ তাৎক্ষণিক কাঁদানে গ্যাস দিয়ে মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেবে; ১৪৪ ধারা জারি করবে; পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। এটাই স্বাভাবিক। অন্তত প্রথমে উত্তপ্ত জনগণকে সংবরণ করতে বাধা দিতে হবে। পরে ছত্রভঙ্গ করার জন্য কাঁদানে গ্যাসসহ ফাঁকা গুলি ছোড়া যায়।
এমন কেউ নেই যে কাঁদানে গ্যাস সহ্য করে মিছিলে দাঁড়িয়ে থাকবে। এটা একদম সম্ভব হবে না- পরীক্ষিত সত্য। যদি বিক্ষুব্ধ জনগণকে নিয়ন্ত্রণে আনা না যায় তবে পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করছি, মিছিল-মিটিং হলেই পুলিশ গুলি করে ইচ্ছামতো। সাম্প্র্রতিক সময়ে ভোলা ও নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে নিহত হলো বিরোধী দলের নেতাকর্মী। যেটা আগামী নির্বাচনের জন্য দুঃখজনক খবর এবং নাগরিক সমাজ, বিরোধী দলমতকে ভয় দেখানোর অন্যতম কৌশল বলা যায়। এভাবে সভা-সমাবেশে বাধাদান এবং প্রতিনিয়ত মানুষ মারার দিকে ধাবিত হলে এর ফলাফল খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুলিশ এবং ক্ষমতাসীন দলের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার সমূহ আশঙ্কা আছে।
সুতরাং প্রশাসন এবং সরকারের উচিত হবে সবকিছু দায়িত্বশীলভাবে সমাধান করা। বিরোধী দল-মতকে এভাবে হামলা-মামলা না করে তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া। আমাদের প্রত্যাশা, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। নানা মানুষের নানা মত- এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিরোধী পক্ষ তাদের দাবিদাওয়া তুলে ধরুক। আমরা সহিংসতা চাই না। এ জন্য সরকারকে যেমন সহনশীল আচরণ করতে হবে; বিরোধী দলকেও সংযত হতে হবে। কোনো ধরনের সহিংস পথে পা না বাড়িয়ে গণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন করাই হবে সঠিক কাজ।
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ
নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। এখন বিরোধী দল আগের থেকে সক্রিয় হবে; দাবি আদায়ে সোচ্চার হবে; নিয়মিত মিটিং-মিছিল করবে; পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হবে। এটাই স্বাভাবিক। যদি এই মিছিল-মিটিং অত্যন্ত উগ্র হয়ে যায়; নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়; স্বাধীনতার বিপক্ষের কোনো শক্তির হয়; মানুষ মারার চক্রান্ত হয়; পুলিশ তাৎক্ষণিক কাঁদানে গ্যাস দিয়ে মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেবে; ১৪৪ ধারা জারি করবে; পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। এটাই স্বাভাবিক। অন্তত প্রথমে উত্তপ্ত জনগণকে সংবরণ করতে বাধা দিতে হবে। পরে ছত্রভঙ্গ করার জন্য কাঁদানে গ্যাসসহ ফাঁকা গুলি ছোড়া যায়।
এমন কেউ নেই যে কাঁদানে গ্যাস সহ্য করে মিছিলে দাঁড়িয়ে থাকবে। এটা একদম সম্ভব হবে না- পরীক্ষিত সত্য। যদি বিক্ষুব্ধ জনগণকে নিয়ন্ত্রণে আনা না যায় তবে পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করছি, মিছিল-মিটিং হলেই পুলিশ গুলি করে ইচ্ছামতো। সাম্প্র্রতিক সময়ে ভোলা ও নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে নিহত হলো বিরোধী দলের নেতাকর্মী। যেটা আগামী নির্বাচনের জন্য দুঃখজনক খবর এবং নাগরিক সমাজ, বিরোধী দলমতকে ভয় দেখানোর অন্যতম কৌশল বলা যায়। এভাবে সভা-সমাবেশে বাধাদান এবং প্রতিনিয়ত মানুষ মারার দিকে ধাবিত হলে এর ফলাফল খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুলিশ এবং ক্ষমতাসীন দলের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার সমূহ আশঙ্কা আছে।
সুতরাং প্রশাসন এবং সরকারের উচিত হবে সবকিছু দায়িত্বশীলভাবে সমাধান করা। বিরোধী দল-মতকে এভাবে হামলা-মামলা না করে তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া। আমাদের প্রত্যাশা, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। নানা মানুষের নানা মত- এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিরোধী পক্ষ তাদের দাবিদাওয়া তুলে ধরুক। আমরা সহিংসতা চাই না। এ জন্য সরকারকে যেমন সহনশীল আচরণ করতে হবে; বিরোধী দলকেও সংযত হতে হবে। কোনো ধরনের সহিংস পথে পা না বাড়িয়ে গণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন করাই হবে সঠিক কাজ।
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ
- বিষয় :
- রাজনৈতিক সহিংসতা
