ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন কতদূর?

ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন কতদূর?
×

মো. আবুল বাশার চৌধুরী

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৮:০০

ভিক্ষুকদের জীবন-জীবিকা সম্পূর্ণ পরনির্ভরশীল। তাদের প্রতি মানুষ সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে কমবেশি দান-খয়রাত দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে আসছে। প্রচলিত এ পদ্ধতি বন্ধ করে মানুষের এই কর্মকে আরও মহানুভব, উন্নত ও মর্যাদাপূর্ণ করা যায়। ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনায় সর্বসাধারণের কাছ থেকে নামমাত্র দান-খয়রাত নিয়ে চ্যারিটি ফান্ড গঠন করে এর মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তির অবসান করা সহজ এবং আবশ্যক। এতে মানুষের খুব বেশি অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না, কিন্তু সুফল পাওয়া যাবে অনেক। এমন পুনর্বাসনে ভিক্ষুকরা নতুন জীবন পাবে। এই সুন্দর, পরিবেশবান্ধব, মানবিক সেবা বা হিতকর্মের জন্য মানুষও আত্মতৃপ্তি পাবে।
আমরা জানি, ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থানে সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’ শীর্ষক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো দেশের ৫৮টি জেলায় ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তবে পরিকল্পিতভাবে ভিক্ষুক পুনর্বাসনের কাজ করা গেলে যথাযথ উপকার পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে মানুষের দান-খয়রাতকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে সেই অর্থ দিয়ে দাতব্য প্রতিষ্ঠান গঠনসহ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। ভিক্ষাবৃত্তি একটি অভিশাপ। সমাজ থেকে এই অভিশাপ তাড়াতে সবার অংশগ্রহণ জরুরি।

অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার

আরও পড়ুন

×