ঢাকা শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সিয়াম–পরীরা নদীতে আটকে, ঢাকায় ফেরা অনিশ্চিত

সিয়াম–পরীরা নদীতে আটকে, ঢাকায় ফেরা অনিশ্চিত
×

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২০ | ০১:৩৯ | আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২০ | ০৯:৫০

করোনাভাইরাস আতঙ্কের এই পরিস্থিতিতে সিনেমা ও নাটকের শুটিং বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয় বেশ কিছুদিন আগে। তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ৭০ জনের টিম নিয়ে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবিটির শুটিং চালছিল।  শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন সিয়াম আহমেদ-পরীমনি ও ২৫ শিশু শিল্পী। 

তবে করোনা ভাইরাসে দেশের পরিস্থিতিতে অস্বাভাবিক হয়ে উঠলে গত বৃহস্পতিবার শুটিং বন্ধ করে ঢাকার পথে রওনা হয় ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবির শুটিং ইউনিট। আজ ছবিটির প্রযোজক মুশফিকুর রহমান জানালেন তারা ঢাকায় ফিরতে পারছেন না। 

মোংলা থেকে রওনা হয়ে বেশ কিছু দূর আসার পর পানখালীতে এলে  বাংলাদেশ কোস্টগার্ড তাদের যাত্রা আটকে দেয়। কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয় , শুটিংয়ের যন্ত্র ও এতো মানুষের জটলা নিয়ে ঢাকায় তারা যেতে পারবেন না। আর যদি যেতেই হয় তাহলে ঢাকায় ঢোকার জন্য পথে পথে বারবার অনুমতিপত্র দেখাতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তারা। অনুমতির অপেক্ষায় নদীতেই অবস্থান করছে তাদের লঞ্চ। অনুমিত পাওয়া মাত্রই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। 

জানা গেছে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবির শুটিং ইউনিটে রয়েছেন প্রায় ৭০ জন। মুঠোফোনে মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে আমরা শুটিং বন্ধ করে ঢাকার পথে রওনা হয়েছি। যেহেতু গল্প অনুযায়ী বেশির ভাগ শুটিংই লঞ্চে, তাই ফিরতি পথেও মাঝেমধ্যে কিছু কিছু শিল্পীর ইনচার্ট শট নেওয়া হচ্ছে।’

লঞ্চে এখন গল্প গুজব করেই সবার সময় কাটছে বলে জানালেন প্রযোজক। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে দূরত্ব বজায় রেখে আড্ডা হচ্ছে বলে জানান মুশফিকুর রহমান। 

করোনাভাইরাসের কারণে সকল সিনেমা ও নাটকের শুটিং বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছিলো, তবুও কেন শুটিং চালিয়ে যাচ্ছিলেন- প্রশ্ন করলে প্রযোজক বলেন, সুন্দরবনের ভেতরের দিকে শুটিং করায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিলাম। শুটিং বন্ধের সিদ্ধান্তের সংবাদ পাইনি। বন থেকে বেরিয়ে পরে বিষয়টি জানতে পেরেছি। এরপর প্রযোজক সমিতি, পরিচালক সমিতির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। এ ছাড়া আমাদের ইউনিটে জ্যেষ্ঠ অভিনেতারা আছেন এবং প্রযোজক সমিতির নেতা শহীদুল আলম সাচ্চুও আছেন। সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই শুটিং বন্ধ করে ঢাকায় ফিরছি।’

আরও পড়ুন

×