ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বন্যার গান আর নয়ন–তাপসের নৃত্যনাট্যে মুগ্ধ টরন্টোর দর্শক

বন্যার গান আর নয়ন–তাপসের নৃত্যনাট্যে মুগ্ধ টরন্টোর দর্শক
×

ছবি: সংগৃহীত

কানাডা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৬ নভেম্বর ২০২৫ | ১৩:২৪ | আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২৫ | ১৪:৪৭

টরন্টোর চাইনিজ কালচারাল সেন্টার রূপ নিল এক মুগ্ধকর সাংস্কৃতিক আসরে। ‘মোমেন্টস উইথ রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা’ শিরোনামের এ আয়োজনটি পরিণত হয় এক স্মরণীয় সন্ধ্যায়। সাড়ে ছয় শতাধিক দর্শকের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানস্থলটি সন্ধ্যা শুরু হওয়ার আগেই জমে ওঠে।

অজন্তা চৌধুরী ও শাকিলা নাজের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ ও কানাডার জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পর্বের সূচনা হয়। এরপরই আসে প্রথম বড় চমক। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা অন্টারিওজুড়ে বসবাসরত ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে কোরাসে পরিবেশন করেন ‘মঙ্গল দ্বীপ জেলে’। গানটির সঙ্গে নাহিদ নাসরীন নয়ন ও তাঁর টিমের নৃত্য ছিল দর্শকপ্রিয়তার শীর্ষে।

পরপরই মঞ্চে শুরু হয় নাহিদ নাসরীন নয়ন ও তাপস দেবের নৃত্যনাট্য ‘শাপ মোচন’। চমৎকার সেট, আলো ও সঙ্গীতের সঙ্গে তাঁদের শক্তিশালী নৃত্য উপস্থাপনা দর্শকদের নিয়ে যায় অন্য এক জগতে। তাদের সঙ্গে তরুণ নৃত্যশিল্পীদের উচ্ছ্বসিত উপস্থিতি পুরো পরিবেশনাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৃত্যগুরু লায়লা হাসান, স্কারবোরো সাউথওয়েস্টের এমপিপি ডলি বেগম, টরন্টোর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পার্থী ক্যান্ডেভেল এবং একই এলাকার কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী ডা. এ এস এম নুরুল্লাহ তরুন।

বিভিন্ন শ্রেণির স্পন্সর ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা জানান আয়োজকেরা। সম্মাননা গ্রহণ করেন সিআইবিসি’র অয়ন দেব রায়, সিপিএ মোর্শেদ নিজাম, ব্যারিস্টার ওমর হাসান আল জাহিদ, ব্যারিস্টার আরিফ হোসেনসহ তাজমহল ফুডসের কর্ণধার রিয়াজ আহমেদ, রিয়েলটর রায়হান চৌধুরী, ব্যারিস্টার চয়নিকা দত্ত, আমাজন ইমিগ্রেশনের ওয়াজির হোসেন মুরাদ, ব্যারিস্টার সূয চক্রবর্তী ও রিয়েলটর নিতু দত্ত। এ ছাড়া রিয়েলটি–২১, মিলিস কালেকশন, এমজে প্রিন্টিং, খাজানা কুইন ও ডেনফোর্থ সাউন্ডকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান আয়োজকেরা।

সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঞ্চে আসেন সন্ধ্যার প্রধান আকর্ষণ—রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। তাঁর কণ্ঠে একের পর এক রবীন্দ্রসঙ্গীত যেন পুরো হলঘরকে মুহূর্তেই শান্ত–শান্তিনিকেতন আবহে ভরিয়ে তোলে। প্রতিটি গানের শেষে দর্শকদের উচ্ছ্বাসই প্রমাণ করে দেন, তাঁকে ঘিরে অপেক্ষায় থাকা টরন্টোবাসী কতটা তৃপ্ত হয়েছে।

গান, নাচ, আলো, সেট—সব মিলিয়ে এটি পরিণত হয় এক অনন্য শিল্প–সন্ধ্যায়। উপস্থিত দর্শকেরা বাড়ি ফিরেছেন মুগ্ধতার স্মৃতি বুকে নিয়ে; টরন্টোর বাঙালি কমিউনিটিতে এই আয়োজন নিঃসন্দেহে দীর্ঘদিন আলোচিত থাকবেই।

আরও পড়ুন

×