ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জনের মাঝে আইনি জটিলতায় ধানুশের সিনেমা

দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জনের মাঝে আইনি জটিলতায় ধানুশের সিনেমা
×

ধানুশ। ছবি: ইন্সটাগ্রাম

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৩:০৬ | আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৩:১৩

দক্ষিণী তারকা ধানুশ ও বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুরের প্রেম নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন চলছে। সম্প্রতি সেই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে-অনেকেই বলছেন, প্রেমের পর এবার নাকি বিয়ের পিঁড়িতেও বসতে চলেছেন এই তারকা জুটি। ঠিক এমন সময় সিনেমা নিয়ে আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়লেন ধানুশ।

ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ধানুশ ও সোনম কাপুর অভিনীত ২০১৩ সালের সুপারহিট সিনেমা ‘রাঞ্ঝনা’র স্মৃতি উসকে দিয়ে পরিচালক আনন্দ এল রাই নির্মাণ করেন ‘তেরে ইশক মে’ সিনেমার। মুক্তির পর বক্স অফিসেও ভালো ব্যবসা করে ধানুশ–কৃতি শ্যানন অভিনীত সিনেমাটি। তবে সেই সাফল্যের মধ্যেই ছবিটি জড়িয়ে পড়েছে আইনি বিতর্কে। শুধু বিতর্ক নয়, সিনেমাটির স্বত্ব ও সিক্যুয়েল সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পরিচালক আনন্দ এল রাই ও তার প্রযোজনা সংস্থা কালার ইয়েলো প্রোডাকশনসের বিরুদ্ধে ৮৪ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করেছে স্টুডিও ইরোস ইন্টারন্যাশনাল।

ইরোসের অভিযোগ, ‘তেরে ইশক মে’ সিনেমা ইচ্ছাকৃতভাবে ‘রাঞ্ঝনা’র ‘স্পিরিচুয়াল সিক্যুয়েল’ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। সংস্থাটির দাবি, ২০১৩ সালের কাল্ট হিট ‘রাঞ্ঝনা’র সমস্ত মেধাস্বত্ব তাদের অধীনে রয়েছে। ফলে ওই ছবির কোনো সিক্যুয়েল, প্রিক্যুয়েল বা রিমেক নির্মাণ করতে হলে ইরোসের অনুমতি ও অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

ইরোস ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে বরা হয়, আনন্দ এল রাই ও তার টিম ‘রাঞ্ঝনা’র নস্ট্যালজিয়া ব্যবহার করে নতুন ছবিটির ব্র্যান্ডিং করছেন, যা বাণিজ্যিক নিয়মের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এ কারণেই তারা বম্বে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে ৮৪ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।

এছাড়া দুই সিনেমায় মোহাম্মদ জিশান আইয়ুব অভিনীত জনপ্রিয় চরিত্র ‘মুরারি’কে ফেরানো নিয়েও আপত্তি তুলেছে ইরোস। তাদের দাবি, অনুমতি ছাড়া এই চরিত্রের বাণিজ্যিক ব্যবহার তাদের আইনি অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন।

সংস্থাটি আরও অভিযোগ করেছে, ‘তেরে ইশক মে’–তে ধানুশ অভিনীত ‘শঙ্কর’ চরিত্রটির আবেগ, সংলাপ ও জীবনদর্শনের সঙ্গে ‘রাঞ্ঝনা’–র ‘কুন্দন শঙ্কর’ চরিত্রের বিস্ময়কর মিল রয়েছে।

ইরোসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের জুলাই ও সেপ্টেম্বর মাসে তারা এ বিষয়ে একাধিক সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। পরবর্তীতে প্রচার থেকে সাময়িকভাবে ‘রাঞ্ঝনা’ নামটি সরানো হলেও বাস্তবে ছবিটিতে এখনও কপিরাইট ও ট্রেডমার্ক লঙ্ঘন হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।

অন্যদিকে আনন্দ এল রাইয়ের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, ‘তেরে ইশক মে’ সম্পূর্ণ আলাদা গল্পের ছবি এবং এটি কোনোভাবেই ‘রাঞ্ঝনা’–র সরাসরি সিক্যুয়েল নয়। সূত্র: দ্য ওয়াল

আরও পড়ুন

×