ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদেশি ছড়া–কবিতা

বিদেশি ছড়া–কবিতা
×

অনুবাদ: আমীরুল ইসলাম

প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬ | ০৭:৫৮

| প্রিন্ট সংস্করণ

ডোডোপাখি

এক যে ছিলো ডোডো পাখি
হাসপাতালের বেডে।
কাতর স্বরে বললো, ভায়া
হাত-পা আমার কুঁকড়ে যাচ্ছে।
কিডনি কোনো কাজ করে না।
আমার পালক ঝরে যাচ্ছে।
মাথার ভেতর কেমন যেন
ঝিন ঝিন ঝিন শব্দ হচ্ছে।
আমি অনেক অসুস্থ, ভাই
বললো সেই ডোডো পাখি।
চোখ পিটপিট করছে ডোডো
সামনে শাদা ছোট্ট দেয়াল।
ফিসফিসিয়ে বলছে কথা।
যায় না বোঝা ডোডোর কথা।
কান পেতে তার কথা শুনি।
ডোডো তখন বিড়বিড়িয়ে
বলতে থাকে–
এই যে আমি বেঁচে আছি
এই তো অনেক বিস্ময়কর।
বিলুপ্ত এক পাখি আমি
অবাক ব্যাপার বেঁচে আছি।
লেখক: পিটার ওয়েসলি স্মিথ
 

আমি খুব সুন্দরী

আমার নাকটা নীল।
আমার দাঁতগুলো সব সবুজ।
আমার চেহারাটা মিষ্টি
কুমড়ার মতো।
আমি দেখতে নাকি
লম্বা লাউয়ের মতো।
আমি আসলেও দেখতে খুব
সুন্দর! সুন্দর! সুন্দর!
আমার পা একটা ছোটো।
একটা বড়ো।
আমার দুটো হাত।
ডান হাত। বাম হাত।
এটাই অসুবিধা।
আমার কণ্ঠস্বর 
বিপুল জলহস্তির মতো।
কিন্তু আমি
খুউব
খুউব
খুউব
সুন্দরী ও ভালো।
লেখক: কার্লা কুসকিন
 

নতুন ছাতা

বেলার ছিলো একটা নতুন
ছাতা।
ছাতা নিয়ে করতো বেলা
যা-তা।
ছাতা যদি যায় হারিয়ে
তবে
বৃষ্টি এলে ভিজতে তখন
হবে।
তাই তো বেলা বৃষ্টি যখন
ঝরে।
নেয় না ছাতা হারিয়ে যাওয়ার
ডরে।
ভিজতে থাকে জামা জুতো
তবু–
বৃষ্টিতে সে ভিজেই জবু–
থবু।
চুলের ফিতায় একটা কোলা
ব্যাং–
আনন্দে সে ডাকছে ঘ্যাঙোর
ঘ্যাঙ।
ভিজছে বেলা ঘটতে থাকুক
যা-তা।
বহাল থাকুক বেলার নতুন
ছাতা।
লেখক: ইভ মেরিয়াম
 

ইঁদুরকে স্কুলে নিয়ে যাবো

আমার একটা ইঁদুর ছিলো
ছোট্ট একটা ইঁদুর ছিলো।
আমি যখন পড়তে বসি
ইঁদুর তখন পড়তে চায়
আমি যখন লিখতে বসি
ইঁদুর তখন লিখতে চায়।

আমি ভাবলাম একদিন ওকে
নিয়ে যাবো আমার স্কুলে।
আমার নতুন মিষ্টি টিচার
আঁতকে উঠবে হায় হায় হায়
এতো পুঁচকে ছাত্র আমার।
বিদায় করো। বিদায় করো।
লেখক: কলিন ম্যাকনটন
 

আরও পড়ুন

×