করোনার দিনলিপি
বৃদ্ধাশ্রমগুলো `টাইম বম্ব`
×
নিয়াজ মাহমুদ, ফ্রান্স থেকে
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২০ | ১২:৩৭ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
ফ্রান্সের করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে। পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যায় বিশ্বে এখন চতুর্থ ফ্রান্স। শেষ ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড এক হাজার ৪১৭ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৫৯ জন। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, বৃদ্ধাশ্রমে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মৃত্যুর হার বাড়ছে। গত মঙ্গলবার পর্যন্ত মারা যাওয়া ১০ হাজার ৩২৮ জনের মধ্যে বৃদ্ধাশ্রমেরই রয়েছেন তিন হাজার ২৩৭ জন। এ কারণে বৃদ্ধাশ্রমগুলোকে করোনার 'টাইম বম্ব' বলা হচ্ছে।
গত ২৩ জানুয়ারি প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় ফ্রান্সে। এর আগেই দেশটির প্রধানমন্ত্রী আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছিলেন, 'করোনাভাইরাস মোকাবিলার লড়াই কেবল শুরু হয়েছে।' ১৭ মার্চ থেকে এখানে লকডাউন শুরু হয়। আগামী ১৫ এপ্রিল তা শেষ হওয়ার ঘোষণা থাকলেও ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত তৃতীয়বার তা বাড়ানো হবে। লকডাউনের সময় জগিং করার জন্য বা বাচ্চা নিয়ে ঘর থেকে এক কিলোমিটার পর্যন্ত বের হওয়ার সুযোগ থাকলেও গতকাল বুধবার থেকে রাজধানী প্যারিসে জগিংয়ের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, প্যারিস এবং আশপাশের তিনভাগের একভাগ বৃদ্ধাশ্রমে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে। কেয়ার হোম বা বৃদ্ধাশ্রমের প্রতিনিধিত্বকারী প্রধান সমিতিগুলো ফরাসি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে এক চিঠিতে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ফ্রান্সে করোনায় এক লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে বৃদ্ধাশ্রম। বৃদ্ধাশ্রমের একই চিত্র এর আগে দেখা গেছে ইতালি ও স্পেনে। এসব কারণেই ইউরোপের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৃদ্ধাশ্রমের ঘরগুলো করোনাভাইরাসের 'টাইম বম্ব'।
এদিকে প্যারিসের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় যেসব শহরে রোগী কম, সেখানে বিশেষ ট্রেনে করে আক্রান্তদের পাঠানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, শ্বাসকষ্ট না হলে হাসপাতালে না যেতে। দেশটির ইল-দ্য-ফ্রান্স অঞ্চলে এ মুহূর্তে করোনায় আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশি এখন পর্যন্ত অর্ধশতাধিক আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। তবে এখানে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
এমন পরিস্থিতিতে ব্যাচেলর বাড়িতে মেস করে ভাড়ায় থাকা করোনায় আক্রান্ত কিছু বাংলাদেশি অভিবাসী বিপাকে পড়েছেন। কারণ একটি মেসে কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যরা তাকে ভয়ে রাখতে চান না। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি কমিউনিটি ইন ফ্রান্স নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আহ্বান জনিয়ে এমডি নুর বলেছেন, এ সময় কোনো ব্যক্তি একটি বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট বাংলাদেশি রোগীদের জন্য খালি করে অথবা ভাড়া দিলে তাদের উপকার হতো। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ দূতাবাসেরও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
ফ্রান্সের আঞ্চলিক সরকারের নেতারা বলেছেন, তারা মেডিকেল সরঞ্জাম কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। কারণ সার্জিকাল মাস্ক কেনার জন্য এখন রীতিমতো যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, সেটা গুপ্তধন খুঁজে পাওয়ার মতো। এদিকে, এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, শতকরা ৭১ ভাগ ফরাসি মনে করেন, সরকার করোনাভাইরাস মহামারি সম্পর্কে পুরোপুরি সত্য বলছে না। গত ৩০ ও ৩১ মার্চের মধ্যে এই সমীক্ষা চালায় ফরাসি গণমাধ্যম দ্য হাফপোস্ট।
গত ২৩ জানুয়ারি প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় ফ্রান্সে। এর আগেই দেশটির প্রধানমন্ত্রী আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছিলেন, 'করোনাভাইরাস মোকাবিলার লড়াই কেবল শুরু হয়েছে।' ১৭ মার্চ থেকে এখানে লকডাউন শুরু হয়। আগামী ১৫ এপ্রিল তা শেষ হওয়ার ঘোষণা থাকলেও ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত তৃতীয়বার তা বাড়ানো হবে। লকডাউনের সময় জগিং করার জন্য বা বাচ্চা নিয়ে ঘর থেকে এক কিলোমিটার পর্যন্ত বের হওয়ার সুযোগ থাকলেও গতকাল বুধবার থেকে রাজধানী প্যারিসে জগিংয়ের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, প্যারিস এবং আশপাশের তিনভাগের একভাগ বৃদ্ধাশ্রমে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে। কেয়ার হোম বা বৃদ্ধাশ্রমের প্রতিনিধিত্বকারী প্রধান সমিতিগুলো ফরাসি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে এক চিঠিতে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ফ্রান্সে করোনায় এক লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে বৃদ্ধাশ্রম। বৃদ্ধাশ্রমের একই চিত্র এর আগে দেখা গেছে ইতালি ও স্পেনে। এসব কারণেই ইউরোপের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৃদ্ধাশ্রমের ঘরগুলো করোনাভাইরাসের 'টাইম বম্ব'।
এদিকে প্যারিসের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় যেসব শহরে রোগী কম, সেখানে বিশেষ ট্রেনে করে আক্রান্তদের পাঠানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, শ্বাসকষ্ট না হলে হাসপাতালে না যেতে। দেশটির ইল-দ্য-ফ্রান্স অঞ্চলে এ মুহূর্তে করোনায় আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশি এখন পর্যন্ত অর্ধশতাধিক আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। তবে এখানে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
এমন পরিস্থিতিতে ব্যাচেলর বাড়িতে মেস করে ভাড়ায় থাকা করোনায় আক্রান্ত কিছু বাংলাদেশি অভিবাসী বিপাকে পড়েছেন। কারণ একটি মেসে কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যরা তাকে ভয়ে রাখতে চান না। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি কমিউনিটি ইন ফ্রান্স নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আহ্বান জনিয়ে এমডি নুর বলেছেন, এ সময় কোনো ব্যক্তি একটি বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট বাংলাদেশি রোগীদের জন্য খালি করে অথবা ভাড়া দিলে তাদের উপকার হতো। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ দূতাবাসেরও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
ফ্রান্সের আঞ্চলিক সরকারের নেতারা বলেছেন, তারা মেডিকেল সরঞ্জাম কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। কারণ সার্জিকাল মাস্ক কেনার জন্য এখন রীতিমতো যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, সেটা গুপ্তধন খুঁজে পাওয়ার মতো। এদিকে, এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, শতকরা ৭১ ভাগ ফরাসি মনে করেন, সরকার করোনাভাইরাস মহামারি সম্পর্কে পুরোপুরি সত্য বলছে না। গত ৩০ ও ৩১ মার্চের মধ্যে এই সমীক্ষা চালায় ফরাসি গণমাধ্যম দ্য হাফপোস্ট।
