ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

মেলানিয়ার ভাস্কর্যে আগুন

মেলানিয়ার ভাস্কর্যে আগুন
×

মেলানিয়ার একটি ভাস্কর্য পুড়িয়ে দিয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২০ | ০১:৪৯

স্লোভেনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের একটি ভাস্কর্য পুড়িয়ে দিয়েছে কে বা কারা। এ ঘটনার পর ভাস্কর্যটির ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মেলানিয়ার জন্মস্থান স্লোভেনিয়ায় কাঠের ওই ভাস্কর্যটি বসিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাস্কর ব্র্যাড ডাউনি। এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। গত ৫ জুলাই ঘটনা ঘটলেও গণমাধ্যমে প্রকাশ হয় বৃহস্পতিবার। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক হোয়াইট হাউসের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। খবর সিএনএনের। 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান স্ত্রী মেলানিয়া বেড়ে উঠেছিলেন স্লোভেনিয়ার মধ্যবর্তী শহর সেভনিকা শহরে। নব্বইয়ের দশকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত মেলানিয়া স্লোভেনিয়াতেই ছিলেন। তারই সম্মানে সেভনিকার উপকন্ঠে বসানো হয় ওই ভাস্কর্য। 

ভাস্কর্যটিতে মেলানিয়ার পরনে ছিল নীল রংয়ের কোট। এ ধরণের একটি কোট পরেই ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মেলানিয়া। তবে ফার্স্ট লেডির চেয়েও ভাস্কর্যটির সঙ্গে অ্যানিমেশন চরিত্র স্মার্ফেতের বেশি সাদৃশ্য থাকায় এটিকে ‘অপমানজনক’ হিসেবে দেখছিলেন অনেকে। তারপরও মেলানিয়ার ভাস্কর্য ঘিরে ইদানিং সেখানে পর্যটনশিল্প গড়ে উঠছিল। সেভনিকার বাসিন্দারাও মেলানিয়া ও ট্রাম্পকে ব্র্যান্ড বানিয়ে কেক, বার্গারসহ নানা পণ্য বিক্রি করে আয় বাড়িয়েছিল। 

তবে এমন সময়ে স্লোভেনিয়ায় ভাস্কর্যটি হামলার শিকার হল, যখন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভের ধারাবাহিকতায় দাস প্রথার স্মারক বিভিন্ন ঐতিহাসিক ব্যক্তিদের ভাস্কর্য ও স্থাপনায় আক্রমণ চলছে। 

তবে কারা, কী কারণে মেলানিয়ার ভাস্কর্যে আগুন দিয়েছে তা বুঝতে চান যুক্তরাষ্ট্রের ভাস্কর ব্র্যাড ডাউনি। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের পরদিনই ভাস্কর্যটিতে আগুন দেওয়া হয়েছে। তিনি স্লোভেনিয়ার পুলিশকে বলেছেন, শুধু হামলাকারী কারা এটি জানতে চান তিনি। তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করতে চান না। 

গত বছরের আগস্টে স্লোভেনিয়ার রাজধানী লুবলিয়ানায় ট্রাম্পেরও একটি কাঠের ভাস্কর্য বসানো হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে অজ্ঞাত অগ্নিসংযোগকারীরা ট্রাম্পের ২৬ ফুট উঁচু ওই ভাস্কর্যটিকেও ছাইয়ে পরিণত করেছিল।

আরও পড়ুন

×