ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে সাগরে যৌথ মহড়া চালাল ইরান-রাশিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে সাগরে যৌথ মহড়া চালাল ইরান-রাশিয়া
×

ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরে যৌথ মহড়া চালায় ইরান ও রাশিয়ার নৌবাহিনী। ফাইল ছবি: আনাদোলু এজেন্সি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৪:৫৪ | আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৪:৫৫

সামুদ্রিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করতে ইরান ও রাশিয়ার নৌবাহিনী যৌথ মহড়া চালিয়েছে। ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরে এই মহড়া চালানো হয় বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

আইআরএনএ-এর তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাশিয়ান নৌবাহিনীর হেলিকপ্টার ক্যারিয়ারকে বিদায় জানানোর মাধ্যমে এই মহড়া শেষ হয়েছে। সামুদ্রিক কূটনীতির উন্নয়ন, সামরিক মিথস্ক্রিয়া সম্প্রসারণ এবং আভিযানিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের অংশ হিসেবে নৌ-মহড়া পরিচালিত হয়েছে। 

উভয়পক্ষের কর্মকর্তারা সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় যৌথ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সম্প্রতি আরব সাগরে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ক্ষেপণাস্ত্রবাহী নৌবহরের উপস্থিতি বাড়িয়েছে। এসব বহর থেকে ইরানে হামলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে নৌ-মহড়া চালাল ইরান।

এই মহড়া শেষ হওয়ার আগের দিন তেহরানে রাশিয়ার জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আইআরএনএ’র তথ্য অনুযায়ী, উভয় দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি’ বাস্তবায়নে পেজেশকিয়ান দৃঢ় সংকল্পের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করে বলেন, সেই বৈঠকগুলোর ফলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার ইরানের পক্ষ থেকে জাতিসংঘকে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের সামরিক হুমকি বাস্তবায়ন করে তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি, স্থাপনা এবং সম্পদগুলো বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি এক চিঠিতে এই সতর্কবার্তা দেন। সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে লেখা চিঠিটি দেখার সুযোগ পেয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। 

চিঠিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান চুক্তি না করলে যুক্তরাষ্ট্র ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপসহ যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে পারে।

ইরাভানি চিঠিতে লিখেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন একটি যুদ্ধংদেহী বক্তব্য সামরিক আগ্রাসনের প্রকৃত ঝুঁকির সংকেত দেয়। এমন আগ্রাসনের ফলাফল এই অঞ্চলের জন্য বিপর্যয়কর এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

আরও পড়ুন

×