ঢাকা শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬

রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শিশুসহ তিনজন নিহত

রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শিশুসহ তিনজন নিহত
×

ছবি: ডিএসএনএস

বিবিসি

প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬ | ১৫:০৮

ইউক্রেনে কিয়েভের কাছে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শিশুসহ অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। শনিবার ভোরে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পূর্বাঞ্চলে এ হামলা হয়।

আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানান, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া একটি ভবনে আগুনও লাগে।

কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানান, জরুরি সেবাকর্মীরা একটি ভবন ও একটি জ্বালানি ট্যাংকে লাগা আগুন নেভানোর কাজ করছেন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি সেবা সংস্থা (ডিএসএনএস) কিয়েভে গ্যারেজ, একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও একটি ভবনে আগুন লাগার ছবি প্রকাশ করেছে।

এর মাত্র কয়েক দিন আগে ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার চালানো হামলায় ২১ জন নিহত হয়েছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে রুশ হামলার তীব্রতা বাড়ার পাশাপাশি ইউক্রেনও রাশিয়ার ভূখণ্ডে পাল্টা হামলা জোরদার করেছে।

এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি প্রথমবারের মতো সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড সফরে গেছেন। সেখানে তিনি সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক, নিরাপত্তা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সার্বিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করলেও রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে এখনো অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে দেশটি ইউক্রেনকে সহায়তা করেছে এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সপ্তাহের শুরুতে জেলেনস্কি অভিযোগ করেন, মিত্রদের কাছ থেকে অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পেতে বিলম্বের কারণে ভয়াবহ প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ হচ্ছে। তার দাবি, শক্তিশালী ইন্টারসেপ্টর ব্যবস্থা থাকলে সাম্প্রতিক হামলায় অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হতো। তিনি আরও জানান, চলতি বছর মিত্রদের কাছ থেকে ইন্টারসেপ্টর সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

অন্যদিকে, এর আগে ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে দুটি তেল শোধনাগার এবং কৃষ্ণসাগরে মস্কোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি জাহাজে হামলা চালায়। জেলেনস্কির ভাষ্য, রাশিয়ার তেল থেকে পাওয়া আয় কমানোই এসব হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য।

সাম্প্রতিক মধ্যস্থতা আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার মাত্রা আরও বেড়েছে।

আরও পড়ুন

×