সৌদি আরবকে মক্কা চুক্তির আওতায় সহায়তা দিতে পারে তুরস্ক
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের (ডানে) সঙ্গে সৌদির ফয়সাল বিন ফারহান ও পাকিস্তানের ইসহাক দার। ৩ নভেম্বর, ২০২৫, ইস্তাম্বুল। ছবি: সংগৃহীত
আল জাজিরা
প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৩:৩৭ | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৪:০৭
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, হুতি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে সৌদি আরবের কিছু সামরিক চাহিদা তৈরি হতে পারে। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় দেশটিকে কীভাবে সহায়তা করা যায়, তুরস্ক সেটি বিবেচনা করবে।
তুরস্কের সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে সৌদি আরবকে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য করাটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। রিয়াদ এই সংঘাতে যোগ দিতে চায় না।
শনিবার দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ফিদান জানান, লড়াই বন্ধের প্রচেষ্টায় সব পক্ষের কাছে কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাননি।
প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে রক্ষার অঙ্গীকার করেছে পাকিস্তানও। গত বৃহস্পতিবার দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, ইসলামাবাদ সৌদি আরবকে যেকোনো মাত্রায় সহায়তা করতে রাজি।
আরব নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আহমেদ শরিফ সহায়তার ধরন হিসেবে ‘ডিপ্লোমেটিক’ ও ‘ফিজিক্যালি’ শব্দ ব্যবহার করেন। রিয়াদ পাকিস্তানের কাছে সেনা কিংবা সামরিক সহায়তা চেয়েছে কি না- সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।
তবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, চুক্তির আওতায় বর্তমানে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। তবে সময় এলে ইসলামাবাদ পদক্ষেপ নেবে।
সৌদি আরবের মক্কায় গত আগস্ট মাসে এই তিন দেশের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর হয়। এর মূলনীতি অনুযায়ী, যেকোনো এক সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটি সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
ইসলামাবাদ ও আঙ্কারার সহযোগিতার প্রসঙ্গটি এসেছে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে। এই সংঘাত ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এরই মধ্যে হুতিরা লোহিত সাগরের উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা, কৌশলগত বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে নিজেদের সক্ষমতা বাড়িয়েছে।