অল্প পরিশ্রমেই বেশি ঘেমে যাচ্ছেন?মেনে চলুন কিছু নিয়ম
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১১:১২
অনেকেরই অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা আছে। কেউ গোসল করে বের হওয়ার পর পর ঘামতে থাকেন, কেউ বা আবার অল্প একটু হাঁটাচলা কিংবা কাজ করলেও ঘেমে অস্থির হয়ে যান। বার বার পোশাক পরিবর্তন করেও লাভ হয় না। সাধারণত ত্বকের নিচের তাপই ঘাম আকারে বের হয়ে আসে। প্যাচপ্যাচে ঘামের সঙ্গে জীবাণুর যোগাযোগে তৈরি হয় দুর্গন্ধ। সহজেই ক্লান্তিবোধ হয়, আবার সাজগোজও নষ্ট হয়ে যায়।
যারা অতিরিক্ত ঘামের সমস্যায় ভোগেন তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কিছু বিষয় অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-
১. চিকিৎসকদের মতে, যারা পানি কিংবা তরল জাতীয় খাবার কম খান তাদের ত্বকের নিচে বেশি পরিমাণ তাপ সঞ্চিত হয়।যার ফলে ঘামও বেশি হয়। এ কারণে ঘাম কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বেশি করে পানি খান। তরল খাবার খেলেও চলবে। তাতে ঘাম কম হবে।
২. অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ফ্যাট জাতীয় খাবার যেমন- কেক, চিপস ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন।
৩.খাদ্য তালিকায় অলিভ অয়েল যোগ করতে পারেন । অ্যান্টি-অক্সিডেন্টপূর্ণ অলিভ অয়েল আপনার হজম ক্ষমতাকে বাড়াতে সাহায্য করে। বেশি তেল-মসলাযুক্ত খাবার না খেয়ে হালকা খাবার খেতে চেষ্টা করুন। খাদ্যতালিকায় সবজি, ফল ও দই যোগ করুন।
৩. অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ঘাম কমাতে সাহায্য করে। তুলোয় অ্যাপেল সিডার ভিনেগার লাগিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে ঘষে নিতে পারেন। এতে অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
৪. অ্যালকোহল কিংবা ধূমপানের মতো বদভ্যাস ত্যাগ করুন। ধূমপানের ফলে শরীরে কেমিক্যাল অ্যাসিটাইক্লোলিন নির্গত হয়। আর যা ঘামকূপের মুখ খুলে দেয়। দেহের তাপ ও রক্তচাপ বেড়ে যায়। এর ফলে ঘামও হয় অনেক বেশি।
৫. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আর তা করতে পারলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। প্রতিদিন নিয়ম মেনে যোগব্যায়াম করতে পারেন। মেডিটেশনের অভ্যাসও করতে পারেন।
৬. অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পর্যাপ্ত ঘুমও অত্যন্ত প্রয়োজন। সারা দিনে কমপক্ষে ৮-৯ ঘণ্টা টানা ঘুম দরকার।
৭. সবসময় সুতির নরম পোশাক পরুন। ভুলেও অন্য কোনো ধরনের কাপড়ের পোশাক পরবেন না। তাতে ঘাম হওয়ার সমস্যা আরো বাড়বে।
- বিষয় :
- ঘাম
