কোন রঙের কুসুম বেশি পুষ্টিকর?
ফাইল ছবি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩:২২ | আপডেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩:২৮
পুষ্টিগুণে ভরপুর ডিম স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। পুষ্টির চাহিদা মেটাতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম রাখেন অনেকে। কিন্তু সাদা ডিম না কি লালচে খোলার ডিম- কোনটা ভাল, কোনটা খাওয়া বেশি উপকারী, এ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ)-র গবেষকদের মতে, একটি ৫০ গ্রাম ওজনের ডিমে ৭২ ক্যালোরি ও ৪.৭৫ গ্রাম ফ্যাট (যার মধ্যে দ্রবণীয় মাত্র ১.৫ গ্রাম)। সাদা ও লাল ডিমে এই পুষ্টিগুণের পরিমাণ প্রায় এক। সুতরাং, লাল হোক বা সাদা, দু’ধরনের ডিমের খাদ্যগুণ বা পুষ্টিগুণ প্রায় সমান।
কিন্তু কোন রঙের কুসুমের ডিম বেশি স্বাস্থ্যকর? বেশিরভাগ মানুষেরই ধারণা, কুসুমের রং যত গাঢ়, ওই ডিম তত স্বাস্থ্যকর। এই ধারণা কতটা সঠিক?
ইউএসডিএ-র গবেষকদের মতে, কুসুমের রং নির্ভর করে মূলত মুরগির খাবারের ওপর। আর ডিমের কুসুমের রং কমলা হয় ক্যারোটিনয়েড নামের এক রকম রাসায়নিকের প্রভাবে। মুরগি খোলা জায়গায় যত বেশি ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পাবে, তার ডিম ততই গাঢ় রঙের হবে। বেশ কিছু খামারে ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ খাবার দেওয়া হয় মুরগিকে। যার প্রভাবে ওই সব মুরগির ডিমের কুসুমের রং কমলা হয়।
তারা আরও জানান, খামারের যে কোনও মুরগির চেয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে পুষ্টিকর খাবার খুঁজে খাওয়া মুরগির ডিমে ভিটামিন ই, ভিটামিন এ আর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। আর রংও গাঢ় হয়। তাই কুসুমের রং যাতে গাঢ় হলুদ বা কমলা হয়, তার জন্য অনেক খামারের মালিক মুরগিকে ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ খাবার যেমন লাল ক্যাপসিকাম খাওয়ান। কিন্তু তাতে কুসুমের খাদ্যগুণ বা পুষ্টিগুণে খুব একটা ফারাক হয় না। সূত্র: জিনিউজ
