ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

জন্মদিন

জেনারেল ওসমানী: শৌর্যের অক্ষয় কাব্য

জেনারেল ওসমানী: শৌর্যের অক্ষয় কাব্য
×

জেনারেল ওসমানী

রুম্মান মাহমুদ

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১৬:২৯

আজ জেনারেল ওসমানীর জন্মদিন। তাঁর পুরো নাম মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর স্থপতি হিসেবে তিনি আজও প্রতিটি সৈনিকের অন্তরে ও স্বাধীনতার চেতনায় জীবন্ত। তাঁর অসাধারণ সমর কৌশল, শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার প্রতি অঙ্গীকার এবং গণতন্ত্রের প্রতি গভীর বিশ্বাস আজও প্রতিটি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যের পথ আলোকিত করে। তিনি শুধু সামরিক নেতা ছিলেন না; ছিলেন এ দেশের স্বাধীনতার একজন অভিভাবক।         

ওসমানী সিলেটের সুনামগঞ্জের এমন একটি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন, যেখানে শিক্ষার গুরুত্ব এবং জনসেবার চেতনা গভীরভাবে প্রোথিত। শিশু ওসমানীর মায়ের দক্ষ তত্ত্বাবধানে পারিবারিক পরিবেশেই তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয়। ১৯২৯ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে গৌহাটি কটন স্কুলে ভর্তি হওয়ার সময়ই তিনি ইংরেজি ও ফারসি ভাষার প্রাথমিক শিক্ষা আয়ত্ত করে ফেলেছিলেন। এরপর তিনি সিলেট গভর্নমেন্ট হাই স্কুল থেকে ইংরেজি বিষয়ে অসাধারণ দক্ষতার জন্য ‘প্রিটোরিয়া পুরস্কার’সহ প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। অতঃপর তিনি ১৯৩৮ সালে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলা বিভাগে স্নাতক এবং ১৯৩৯ সালে ভূগোল বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৪০ সালের ১৫ মে তিনি ভারতের দেরাদুনে রয়েল ভারতীয় মিলিটারি একাডেমিতে ব্যাচের একমাত্র বাঙালি ‘জেন্টলম্যান ক্যাডেট’ হিসেবে যোগদান করেন।

ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণের সময় তাঁকে শৃঙ্খলা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং আধুনিক সামরিক কৌশলের শিক্ষা দেওয়া হয়। চাকরির পরিক্রমায় ১৯৪২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি  ওসমানী মাত্র ২৩ বছর বয়সে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর অন্যতম কনিষ্ঠ মেজর হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ওসমানী পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি পান। ১৯৪৮-৪৯ সালে তিনি পাকিস্তানের কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, কোয়েটা থেকে মর্যাদাপূর্ণ স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। ১৯৫২ সালে তিনি প্রথম বাঙালি অফিসার হিসেবে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ ব্যাটালিয়নকে নেতৃত্ব দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টার, একটি পদাতিক ব্রিগেড, ঢাকার স্টেশন কমান্ডার ও ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের অতিরিক্ত কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৫৬ সালের ১৪ মে  তিনি কর্নেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এ সময় তাঁকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেল হেডকোয়ার্টারের ‘মিলিটারি অপারেশনস ডাইরেক্টরেট’-এর উপপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যেখানে শুধু বাছাই করা দক্ষ অফিসারদেরই দায়িত্ব দেওয়া হতো। তিনি এই পদে তাঁর সামরিক জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পেশাগতভাবে অত্যন্ত দক্ষ কর্নেল ওসমানীর উচ্চপদে উন্নীত হয়ে দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তাঁকে অবসরে পাঠানো হয়।

পাকিস্তানে বাঙালিদের প্রতি বৈষম্য তাঁকে গভীরভাবে হতাশ করে এবং তাঁর মধ্যে নিজ জাতির মুক্তির জন্য কাজ করার অদম্য ইচ্ছার জন্ম নেয়। ১৯৭১-এর শুরুর দিকে চলমান উত্তেজনা ও শঙ্কার মধ্যে মার্চের প্রথমদিকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খানকে মার্শাল ল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়। কোয়েটা কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে একই সঙ্গে  স্টাফ কোর্স করার সুবাদে টিক্কা খান কর্নেল ওসমানীর চরিত্র ও যোগ্যতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখতেন। ফলে ২৫ মার্চ রাতে টিক্কা খানের গোয়েন্দারা গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশি নিধনের যে তালিকা করেছিল, সেখানে তাঁর নাম ছিল চতুর্থ অবস্থানে। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে ১৯৭১ সালের ১২ এপ্রিল ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেই সব ধরনের মুক্তিসংগ্রামী বাহিনীকে কেন্দ্রীয় কমান্ডের অধীনে আনার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, চিরাচরিত রণকৌশল এ পরিস্থিতিতে কার্যকর হবে না। তাই তিনি সারাদেশকে ১১টি অপারেশনাল সেক্টরে ভাগ করেন এবং প্রতিটি সেক্টরের জন্য একজন করে যোগ্য কমান্ডার নিয়োগ করেন। সেক্টর কমান্ডাররা স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে অপারেশন পরিচালনার ক্ষমতা রাখতেন। এই উদ্ভাবনী পদ্ধতি দ্রুতই অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক অভিযান, শত্রুর রসদ সরবরাহ লাইন বিচ্ছিন্ন করা এবং শত্রু টহল দলকে অতর্কিত হামলার কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি জেনারেল ওসমানী মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন করতেন, যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করতেন এবং স্মরণ করিয়ে দিতেন যে তাদের ত্যাগের বিনিময়েই একটি স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জিত হবে। তাই ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের চূড়ান্ত বিজয় শুধু একটি সামরিক সাফল্যই নয়; এটি বরং একটি সম্মিলিত চেতনার ফল– যা জেনারেল ওসমানী সবার মাঝে বপন করেছিলেন।

স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল একটি গেরিলা বাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ ও প্রথাসিদ্ধ সশস্ত্র বাহিনীতে রূপান্তর করা। জেনারেল ওসমানী তাঁর দূরদর্শিতা এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং বাংলাদেশ রাইফেলসকে পুনর্গঠন করেন। তিনি এমন একটি সশস্ত্র বাহিনীর স্বপ্ন দেখছিলেন– যা দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা এবং অসামরিক প্রশাসনের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে। তিনি কঠোর প্রশিক্ষণ, চেইন অব কমান্ড এবং শৃঙ্খলার ওপর জোর দিয়েছিলেন– যেখানে জাতীয় স্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হতো। তাঁর বিশ্বাস ছিল, সৈনিকদের কেবল ভূখণ্ড রক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের উন্নয়ন এবং জাতীয় দুর্যোগে সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করা উচিত। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দ্রুত প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে এই নিঃস্বার্থ জেনারেল ১৯৭২ সালের ৭ এপ্রিল দ্বিতীয়বারের মতো সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

জেনারেল ওসমানীর দেশের প্রতি অঙ্গীকার শুধু সামরিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পরও তিনি রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালে তিনি দুবার ‘প্রক্টরিয়াল মনিটর’ নির্বাচিত হওয়া ছাড়াও আসাম বেঙ্গল স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে অবসরের পর রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে অনীহা প্রকাশ করলেও ক্রমাগত অনুরোধে সাড়া দিয়ে বিশেষ শর্তসাপেক্ষে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ১৯৭০ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসরের পর ১৯৭২ সালের ১২ এপ্রিল তিনি শিপিং, অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন এবং বিমান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচনেও তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে পুনরায় নির্বাচিত হন এবং তাঁকে টেলিযোগাযোগ, শিপিং, অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন ও বিমান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দেশের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন। তবে বিশ্বাস করতেন একমাত্র কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠাই এ দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু ১৯৭৪ সালের মে মাসে তিনি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর বিরোধিতা করে কেবিনেট ও জাতীয় সংসদ উভয় স্থান থেকেই পদত্যাগ করেন। বাংলাদেশের ইতিহাসের সেই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে জেনারেল ওসমানীই ছিলেন একজন, যিনি প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিতে পেরেছিলেন।

১৯৭৫ সালের ২৯ আগস্ট জেনারেল ওসমানীর জীবনে এক বিশেষ অধ্যায়ের সূচনা হয়। সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের বারবার অনুরোধের প্রেক্ষিতে তিনি রাষ্ট্রপতির সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে যোগদান করেন। এই পদে যোগদানের সময়ও তিনি তিনটি শর্ত দেন, যার একটি ছিল– তিনি এ দায়িত্বের জন্য কোনো শপথ গ্রহণ করবেন না, একটি জাতীয় কর্তব্য হিসেবে তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন এবং এ জন্য তিনি কোনো সম্মানী গ্রহণ করবেন না। কঠোর নৈতিকতা এবং সামরিক প্রথা অনুযায়ী বঙ্গভবনে অবস্থানকালে খাবারসহ গৃহীত সব সেবার জন্য তিনি নিজে বিল প্রদান করতেন। তবে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চার জাতীয় নেতাকে হত্যার ঘটনার পরপরই তিনি আবারও পদত্যাগ করেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৬ সালে তিনি একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন, তবে তাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য আসেনি। জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি লন্ডনের সেইন্ট বার্থোলোমিউ হাসপাতালে ৬৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

যুক্তরাজ্য সরকার একটি বিশেষ সামরিক মোটরকেড সহযোগে তাঁর মরদেহ বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেয়, যা সাধারণত প্রয়াত ফিল্ড মার্শালদের সম্মানার্থে দেওয়ার রেওয়াজ ছিল। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী, এই মহান বীরকে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ প্রাঙ্গণে মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। জেনারেলরা হয়তো একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাঁচেন, কিন্তু কিংবদন্তিরা চিরকাল বেঁচে থাকেন। জেনারেল ওসমানীকে শুধু তাঁর সামরিক মেধা বা রাজনৈতিক দূরদর্শিতা নয়; বরং তাঁর ব্যক্তিত্ব ও চারিত্রিক দৃঢ়তাই অনন্য করে তুলেছিল। স্বাধীনতার পরও তিনি নিতান্তই সাদামাটা জীবন বেছে নিয়েছিলেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন।

তিনি আনুগত্যকে গুরুত্ব দিতেন, তবে স্বাধীন চিন্তাকে উৎসাহিত করতেন। নিজস্ব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি তাঁর অধীনস্তদের সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিয়ে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ করে দিতেন। তিনি সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা, দেশবাসী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে ভালোবাসতেন এবং সব সময় বিশ্বাস করতেন, এ দেশ প্রতিটি নাগরিকের। তাঁর ৬৬ বছরের জীবন আমাদের শেখায়, প্রকৃত সেবার অর্থ হলো জাতিকে নিজের চেয়ে বড় করে দেখা, সততার সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়া এবং অন্যকে বৃহত্তর লক্ষ্যে অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত করা। মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি যুদ্ধের মাঠে সাধারণ খাকি ইউনিফর্ম পরতেন, ক্যাম্পের বিছানায় ঘুমাতেন, জাঁকজমক এড়িয়ে চলতেন এবং নিজ বাড়িতেও প্রচলিত সামরিক আসবাব ব্যবহার করতেন। এই প্রকৃত নেতা যুদ্ধক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য তাঁর অধীনদের জন্য বীরত্বসূচক পুরস্কার নিশ্চিত করেছিলেন, কিন্তু নিজের কোনো সম্মাননা নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবেননি। আত্মপ্রেরণা এবং আত্মসম্মানের এই অসাধারণ উদাহরণ তাঁকে সবার চেয়ে বহু দূরে, শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে স্থান দিয়েছে।

রুম্মান মাহমুদ: সামরিক কর্মকর্তা

আরও পড়ুন

×