ঢাকা রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

সিটি নির্বাচনে ভরাডুবি: সাংগঠনিক দুর্বলতাকেও দুষলেন বিএনপি নেতারা

সিটি নির্বাচনে ভরাডুবি: সাংগঠনিক দুর্বলতাকেও দুষলেন বিএনপি নেতারা
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১০:৩৫

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের ভরাডুবির জন্য সরকারদলীয় প্রার্থীদের প্রভাব, ভোটকেন্দ্র দখল, জালিয়াতি, প্রশাসনের নীরব ভূমিকার সঙ্গে নিজ দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকেও দুষলেন বিএনপি নেতারা। সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলরদের এক মতবিনিময় সভায় নেতারা নিজেদের দুর্বলতার এসব চিত্র তুলে ধরেন।

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, র‌্যাব-পুলিশ দিয়ে আওয়ামী লীগ ভোটকেন্দ্রে হানা দিয়েছে। সেখানে বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীরা টিকতে পারেননি। বিএনপি কি সেখানে এতই দুর্বল যে, তারা কিছুই করতে পারলেন না! তাদের কিছু একটা করা উচিত ছিল। আমরা এমন কোনো সংবাদ পেলাম না যে, ওখানে কিছু একটা হয়ে গেছে। হয়নি। সুতরাং সংগঠনটাকে তাদের জন্য, খালেদা জিয়ার জন্য আরও সুন্দর ও সুসংগঠিত করতে হবে- এটা সবাইকে মাথায় রাখতে হবে।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের মেয়র, কাউন্সিলররা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন। তাই তাদের সমীহ করার প্রয়োজন নেই। বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক জনগণের মেয়র। তাদের মনোনীত কাউন্সিল প্রার্থীরা জনগণের কাউন্সিলর। বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছে; কিন্তু সরকার ঘোষণা দেয়নি। আমরা নির্বাচিত হয়েছি, কিন্তু সরকার ঘোষণা দেয়নি।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, নির্বাচনের দিন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা চেষ্টা করেছিলেন মাঠে থাকার। কিন্তু তাদের সংগঠিতই করা হয়নি। কেউ ঝুঁকি নেবে, আর কেউ ঘুমিয়ে থাকবে- সেটা হতে পারে না। এভাবে আমাদের সাফল্য আসবে না।

কাউন্সিলরদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন ভোট দিয়ে আমি নিজে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরে বেড়িয়েছি। সেদিন কিছু আকাশ-পাতাল তফাত লক্ষ্য করেছি। কিছু এলাকায় দেখি কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চেষ্টা করেছেন। আবার কিছু জায়গায় দেখেছি, কাউন্সিলর প্রার্থীও নেই।

মতবিনিময় সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন

×