ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

আরপিও চূড়ান্তের আগে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার দরকার ছিল: সাইফুল হক

আরপিও চূড়ান্তের আগে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার দরকার ছিল: সাইফুল হক
×

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। ছবি: সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৫ | ১৬:৩৫ | আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৫ | ১৭:০০

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, ‘আরপিও চূড়ান্ত করার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার দরকার ছিল। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসলে আরপিও নিয়ে প্রশ্ন আসবে। আর তখন আবার সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।’

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সিইসিকে ৩১ দফা সুপারিশ দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

সাইফুল হক বলেন, ‘আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে টাকার প্রভাব বন্ধ করতে হবে। নির্বাচনকে অনেকে বিনিয়োগ হিসেবে দেখেন। এ প্রবণতা রোধ না করা গেলে আগামী নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। কালো টাকার খেলা বন্ধ করা না গেলে নির্বাচন কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না।’

সংসদ নির্বাচনে জামানত ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করার সমালোচনায় সাইফুল হক বলেন, ‘এটা ঠিক হয়নি। নির্বাচনী ব্যয়সীমাও ৫০ লাখ টাকা করা হয়েছে, যা দেশের বাস্তবতার বিপরীত। নির্বাচনে কালো টাকা ও অবৈধ অর্থ বন্ধ করতে না পারলে আগামী সংসদ কালো টাকার মালিকদের ক্লাবে পরিণত হবে। গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এই টাকার খেলাটা বন্ধ করা দরকার। প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে টাকার ছড়াছড়ি বন্ধ করতে না পারলে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দুই থেকে পাঁচ শতাংশ বা ১০ শতাংশ বিত্তবানদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে সাইফুল হক বলেন, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করা উচিত। রাজনৈতিক নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে নিজের মার্কা নিয়ে নিজেকে নির্বাচন করা। তবে রাজনৈতিক দলগুলোকেও সময় দেওয়া দরকার ছিল। নির্বাচন ফেব্রুয়ারি মাসে, এখন আরপিওর সংশোধন (জোট করলেও ভোট নিজ প্রতীকে) জারি করাটা খুব বিবেচনার কাজ হবে না। পরবর্তী নির্বাচনে নতুন বিধান রাখতে পারে।

ইসির কাছে এদিন অবাধ, নিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের লক্ষ্যে ৩১ মতামত ও সুপারিশ দিয়েছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। এর মধ্যে আছে, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর কার্যকরী দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত রাখা, ভোট কেন্দ্রের গোপন কক্ষ ব্যতীত সমগ্র কেন্দ্রে সিসিটিভির ব্যবস্থা রাখা এবং রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ করতে দলীয় মনোনয়ন ফরম ৫ হাজার টাকার অধিক মূল্যে বিক্রি না করা।

আরও পড়ুন

×